রাহুল সাংকৃত্যায়ন একখানা বই লিখেছিলেন ভবঘুরে শাস্ত্র নামে। আপনি যদি ভবঘুরে হতে চান তাহলে কিভাবে হবেন তার বিবিধ বর্ননা। অন্যকথায় কিভাবে তারপথে চলবেন। সম্ভ্রান্ত পরিবারের সদস্য হয়েও তিনি ছোটবেলায় বাড়ি থেকে পালিয়েছিলেন। একবার ধর্ম বদল করলেন, তাতেও সন্তুষ্ট না হয়ে ধর্মত্যাগ করে কম্যুনিষ্ট হলেন। তারচোখে মহাত্মা গান্ধী ছিলেন ভন্ড। আপনারাও তাকে অনুসরন করে দলভারী করবেন এটাই নিশ্চয়ই তার কাম্য ছিল।
সৈয়দ মুজতবা আলীও নিজেকে ভবঘুরে ভাবতেন। নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়াতেন দেশ-বিদেশ। তিনিও ভবঘুরে শব্দটি ব্যবহার করেই লিখেছেন।
আপনি ভবঘুরে দেখেছেন কি ?
হয়ত দেখেন নি। অন্তত বুকে-পিঠে ভবঘুরে লিখে ঘুরে বেড়ানো কাউকে যখন দেখেননি। সবাই তো আর তাদের মত লিখে অন্যের দৃষ্টি আকর্ষন করতে পারেন না।
বুকে-পিঠে লেখা হয় দৃষ্টি আকর্ষনের জন্যই। নানারকম লেখা। কারো জামায় লেখা, দেখতে যেমন খেতেও তেমন। খেয়ে দেখবেন নাকি!
এরই মধ্যে চোখে পরল চমকে ওঠার মত লেখা, বাউন্ডুলে।