গাছের গোড়ায় পানি দিন

Nov 8, 2009

জরুরী সরকার হঠাৎ করে ঘোষনা করেছিলেন মোবাইল ফোনের রি-রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ যারা নিজের নাম-ঠিকানা-ছবি জমা দিয়ে, হাজার টাকা দিয়ে সিম নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে ফোন ব্যবহার করছেন তারা আবার নতুন করে ছবি জমা দেবেন। সাথে আইডি, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স এসবের কপি নিয়ে যাবেন। আইডি-র ব্যবস্থা আমরা করছি। একেবারে সরাসরি সেনাবাহিনীর তদারকিতে। আমার নাম ওঠেনি, কার্ড পাইনি এসব কথা চলবে না। কোনরকম সমালোচনা করবেন না।

কাজেই, যারা কয়েক বছর ধরে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অপরাধ করছিলেন তাদের ছুটতে হল। এই নাম্বার পরিচিতদের জানা, কাজেই নাম্বার হাতছাড়া করার উপায় নেই। আর যাদের সে বালাই নেই, যারা মোবাইল ব্যবহারে তত পুরনো নন, ফুটপাত থেকে কিনেছেন, কিংবা একটা কিনলে একটা ফ্রি পেয়েছেন তাদের এসব নিয়ে মাথা ঘামানোর কিছু নেই। তাদের লাইন ঠিক থাকবে। আর যদি কাটা পরেও তাতেও ভাবনা নেই। ফুটপাত খোলা আছে। যখন খুশি, যত খুশি কিনে নেবেন। ওদেরও ব্যবসা করার হক আছে।

ফল যা হবার তাই হল। কারো কারো ফোন মিলিটারী নিয়মে কাটা পড়ল (আমারটাও। রীতিমত নিজের ছবি, নাম-ঠিকানা দিয়ে বছর পাচেক আগে কেনা। তবে আমি কখনই হতাস নই। ফুটপাত থেকে কেনা সিম চালু আছে। আছে বলিউডের নায়িকার ছবি জমা দিয়ে কেনাটাও।)

মোবাইল ফোন, খুব খারাপ জিনিষ। চাদাবাজির হাতিয়ার। প্রতিদিন চাদাবাজি হচ্ছে মোবাইল ফোনে। যদিও আমি জানিনা টাকাটা পাঠায় কিভাবে। মোবাইল ফোনে টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা যখন বন্ধ করে রাখা হয়েছে তখন সেটা হাতেহাতেই দিতে হয়। তখন তারা হাতছাড়া হয় কিভাবে ?

অপ্রয়োজনীয় কথা থাক। চাদাবাজি এড়াতে ফোন বন্ধ করুন। নয়ত চাদাবাজির টাকা তৈরী রাখুন। চাদাবাজি এমনই একটা জিনিষ যা বন্ধ করা যায়না। দলের প্রধানের পদ ছেড়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কই, ছাত্রনেতাদের কীর্তি তো থামেনি, কমেনি। বরং বেড়েছে। এখন মারামারি-খুনাখুনির পক্ষ-বিপক্ষ দুটোই ছাত্রলীগ।

সে যাকগে। বলছিলাম মোবাইল ফোনের কথা। একসময় মানুষকে নিয়ম মেনেই সিম কিনতে হত। তারপর হঠাৎ করেই শুরু হল সেই খেলা। একটা কিনলে একটা ফ্রি। ছবি নেই তাতে কি, আমরাই ষ্টুডিও থেকে ছবি কিনে এলবামে সাজিয়ে রাখব। ষ্টুডিওঅলারাও দুটাকা কামাই করুক।

ষ্টুডিও থেকে ছবি নিয়ে মোবাইল কোম্পানীতে বিক্রি করাও একটা পেশা দাড়িয়ে গেল। এক টাকায় কিনে দুটাকায় বিক্রি। একশ কপিতে একশ টাকা। পাচশ কপিতে পাচশ। ছবির অভাব নেই।

আমি এর বিপক্ষে নই। কাশ্মিরে প্রি-পেইড ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ, সেটা তাদের জন্য যুক্তিসংগত। বাংলাদেশে এই নিয়ম চালু করলে অধিকাংশ মানুষ ফোন ব্যবহার ছেড়ে দেবে। তাদের জন্য দুশো টাকার টকটাইমসহ একশ টাকার সিম মানানসই। আর চাদাবাজির কারনও মোবাইল ফোন না। চাদাবাজি-টেন্ডারবাজি-ছিনতাই-জঙ্গিবাদ সবকিছুর মুল এক যায়গায়। অনিয়ম এবং ভন্ডামি। মানুষ যখন দেখে যে যত বড় চোর তার ক্ষমতা তত বেশি। যে যত ভন্ড সে তত বড় আসনে বসার সুযোগ পায় তখন তার সামনে সেটাই লক্ষ্য হয়ে দাড়ায়। আগের সরকারের সময় মন্ত্রী, গোয়েন্দা কর্মকর্তারা কি করেছে সেটা যখন মানুষ জানে তখন তাদের উত্তরসুরীরা কেমন অনুমান করে নেয়। নীজের নীতিবোধ লোপ পায়। কেউ সেপথে রওনা দেয়, কেউ সুযোগ না পাওয়ায় আফসোস করে, কেউ বিকল্প খোজে।

আর নীতিবোধ যখন লোপ পায় তখন তাদের সব কাজেই লাগানো যায়। দলের মিছিলেই বলুন, দখলদারিত্বই বলুন, জঙ্গিবাদই বলুন আরে কারো মাথা ফাটানো-খুন করাই বলুন।

ফল পাওয়ার জন্য গাছের গোড়াতেই পানি ঢালতে হয়। সেটা না করে র‌্যাব পুলিশ গোয়েন্দা দিয়ে সন্ত্রাস-চাদাবাজি-টেন্ডারবাজি, জঙ্গিবাদ কিছুই বন্ধ করা সম্ভব না।

আন্তর্জাতিক মানুষ

Nov 6, 2009

ট্যাক্সির শহর বলে পরিচিত নিউ ইয়র্কে যদি ট্যাক্সি ধর্মঘট হয় তাহলে অবস্থাটা কি দাড়াতে পারে তা তারাই বলতে পারেন। অন্যরা যখন ভিডিওতে পিপিলিকার সাড়ির মত ট্যাক্সির সাড়ি দেখেন, গোলকধাধার মত রাস্তা দেখেন তখন শুধু অনুমানই করতে পারেন। সেটা একটা বিপর্যয়।

সেই বিপর্যয়ের খবরই একবার শোনা গেল। ট্যাক্সি ড্রাইভাররা ঘর্মঘটে যাবেন বলে হুমকি দিয়েছেন। কারন সরকারী সিদ্ধান্ত। সরকার বলেছে তারা যাত্রীর কাছে যাকিছু অর্থ লেনদেন করবে তা ক্রেডিট কার্ডে করতে হবে। ক্যাশ টাকা নেয়া চলবে না। সেটা করলে হিসেবে গড়মিল করার সম্ভাবনা থাকে। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে সাথেসাথে সেটা চলে যায় সরকারের হিসেবের আওতায়। ফাকি দেবার কোন পথ নেই।

আমেরিকা নাকি পৃথিবীর একেবারে উল্টোদিকে। উল্টোদিকের মানুষ উল্টো নিয়মে চলবে এটাই স্বাভাবিক। আমরা বাপু উল্টো নিয়মে চলি না। কম্পিউটারের সামনে বসে টাকা পাচার করবেন, সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে অর্থ যোগাবেন আর সরকার চুপ করে বসে থাকবে তা হয় না। সরকার এসব বন্ধে বদ্ধপরিকর। কাজেই, ওসব অনলাইন লেনদেন বন্ধ। যা করার ক্যাশ টাকায় করবেন। হিন্দুধর্মে বলে, ইদুর-পিপড়ে এদেরও হক আছে। তাদের জন্য কিছু খাবার ছেড়ে দেবেন। ছিনতাইকারীরও কিছু হক আছে। ওদের জন্য কিছু রেখে তবেই-

তারপর হঠা করেই সরকারী ঘোষনা, ব্যাংকগুলো অনলাইনে লেনদেন করতে পারবে। অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডিজিটাল বাংলাদেশে আপনারাও ডিজিটাল পদ্ধতিতে চলবেন। মাথায় করে ধান নিয়ে হাটে যেতে হবে না। ব্যাংকে গিয়ে লাইনে দাড়াতে হবে না। টাকা নেই একথা বলার কোন সুযোগ নেই, যতইচ্ছে খরচ করার স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে। এটা এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ, বলছেন প্রযুক্তি জগতের দিকপালরা।

নিয়মগুলো একটু জেনে নিন। চারধরনের লেনদেন অনলাইনে করতে পারবেন। অনলাইনে বিভিন্ন সেবার মুল্য পরিশোধ করতে পারবেন। অন্য কাউকে টাকা দিতে পারবেন, অন্যের কাছ থেকে নিতে পারবেন। অনলাইনে জিনিষের দাম দিতে পারবেন, এবং স্থানিয় মুদ্রায় ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।

প্রথম নিয়মে গ্যাসবিল, ইলেকট্রিক বিল, পানির বিল এসব দেয়ার জন্য লাইনে দাড়াতে হবে না, ঘুষ দিতে হবে না। বিল আপনার হাতে আসুক বা না আসুক, টাকা পরিশোধ করে দেবেন।

দ্বিতীয় নিয়মে, অন্যের কাছে টাকা নেবার বা অন্যকে টাকা দেবার সময় আর ছিনতাইয়ের ভয় করতে হবে না। কম্পিউটারের সামনে বসেই টাকা দিয়ে দেবেন। তবে একটু কথা, তার ব্যাংক এবং আপনার ব্যাংক একই হতে হবে। এক ব্যাংক থেকে আরেক ব্যাংকে টাকা পাঠানো অবৈধ।

তৃতীয় নিয়মে, আপনি ঘরে বসেই যাখুশি কিনবেন এবং দাম দিয়ে দেবেন। তখনও একই কথা, সেই দোকান কোন ব্যাংকের একাউন্ট ব্যবহার করে জেনে নেবেন। আর আপনি যদি বিক্রেতা হন তাহলে সব ক্রেতাকে জানিয়ে দেবেন ক্রেতা হওয়ার জন্য কোন ব্যাংকে একাউন্ট থাকতে হবে।

চতুর্থ নিয়মে, ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে খরচ করতে পারবেন। মোটেই টাকার হিসেব করতে হবে না। অফুরন্ত খরচ। অন্তত ক্রেডিট কার্ডের বিজ্ঞাপন সেটাই বলে, খরচ করার স্বাধীনতা। পত্রিকায় ছাপা তাদের বিজ্ঞাপন কেটে পকেটে রেখে দেবেন। সেখানে তালিকা দেয়া আছে কোন ফাষ্ট ফুডের দোকান, কোন ফ্যাসান হাউজ, কোন সুপার ষ্টোর তাদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে। কেনার আগে মিলিয়ে নেবেন।

ইন্টারনেটে বসে ডলার পাঠিয়ে একটা এন্টিভাইরাস কিনে ডাউনলোড করে নেবেন, কিংবা সফটওয়্যার সমস্যার সমাধান করে কিংবা ফটোগ্রাফ বিক্রি করে ডলার কামাবেন, সেকথা ভুলে যান। দেশের টাকা বিদেশে পাঠানো বরদাসত করা হবে না। আর সরকারকে ফাকি দিয়ে টাকা আনবেন সেটাও চলবে না।

আর যদি নিতান্তই সেটা করতে চান তাহলে আগে তার যোগ্য হোন। কয়েক কোটি টাকার মালিক হোন আগে। তখন আপনি আন্তর্জাতিক মানুষ। এসব নিয়ম আপনার জন্য না।

কালো – কতটা কালো

Nov 5, 2009

লোকে বলে চাদের গায়ের দাগগুলি নাকি চাদের কলংক বিজ্ঞানীরা বলেন এমন কলংক সুর্যের গায়েও রয়েছে সুর্য্যের তেজ বেশি বলে আমরা খালি চোখে দেখি না আর ইতিহাসবিদ বলেও ইতিহাসেও রয়েছে কলংক ঘটনা যখন ইতিহাস হয় তখন তার তেজ কমে যায় চাদের কলংকের মতই তা দেখা যায় চেঙ্গিস খা মধ্যপ্রাচ্যে কতলক্ষ মানুষ মেরেছিলেন সেকথা বলতে ভয়ের কিছু থাকে না সাথে একথাও মনে করিয়ে দেন, সেটা শুধু মানুষ হত্যাই ছিল না, ছিল একটা সভ্যতাকে ধ্বংশ করা কারন তাদের জ্ঞানের যাকিছু সঞ্চয় তা নষ্ট করা হয়েছিল সবগুলি গ্রন্থাগার পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল

চেঙ্গিস খা নিজে অশিক্ষিত ছিলেন তার সময়ে তার দেশে তরবারির ভাষাই ছিল একমাত্র ভাষা এই ভাষায় কথা বলে টিকে থাকতে হত তিনি শুধু টিকে থাকায় বিশ্বাসী ছিলেন না তার হাতে নাকি জন্মগত এমন চিহ্ন ছিল যা বুঝায় তিনি সারা বিশ্ব শাসন করবেন নিজের জীবনের শেষপ্রান্তে এসে যখন বুঝলেন এক জীবনে সেটা সম্ভব না তখন সন্তানকে সে দায়িত্ব দিয়ে গেলেন

সেটা এখন ইতিহাস মায়া, এজটেক, ইনকার মত সভ্যতাও ধ্বংশ হয়েছে শুধু মানুষ মেরে, ধনসম্পদ লুট করেই থামেনি স্পেনিয়রা, ধ্বংশ করেছে সভ্যতা, জ্ঞানের ভান্ডার সবশেষ উদাহন এই দেশেই স্বাধীনতার ঠিক আগ মুহুর্তে খুজে বের করা হয়েছে জ্ঞানের পথযাত্রীদের একটা জাতিকে ধ্বংশ করার জন্য এদের খুজে বের করাই ছিল যথেষ্ট

এখন আমরা বাস করি সভ্যতার সবচেয়ে উচু সিড়িতে আগে কখনোই মানুষ এত জ্ঞানী ছিল না, এত সভ্য ছিল না প্রাচীন সভ্যতা নিয়ে বিষ্ময় প্রকাশ করতেই পারি কিন্তু তারা কখনোই আমাদের চেয়ে উন্নত ছিল না গনতন্ত্র, মানবাধিকার, জনগনের সমান অধিকার থেকে শুরু করে সম্ভাব্য সব ধরনের ভাল গুনের ব্যাখ্যা আমরা পুংখানুপুংখভাবে জানি অতীতের কেউ কখনোই আমাদের চেয়ে ভাল হতে পারে না পারলে এসে দেখিয়ে যাক-

দীর্ঘ্য এই বক্তৃতা দিতে হল একটি সামান্য কারনে একেবারেই তুচ্ছ কারনে রবীন্দ্রনাথের সামান্য ক্ষতির মত সামান্য ঘটনা ঘটায় কাকতালীয়ভাবে এখানেও আরেক রবীন্দ্র রয়েছে

সোনারগায়ে রয়েছে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের গ্রন্থাগার তাদের কিছু বই পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে এমন খবর চাপা থাকে না যখন প্রকাশ পায় বইগুলির দাম ৫ লক্ষ টাকার মত অন্তত টাকার মুল্য তো আছে কেজিদরে বেচলে টাকাগুলো কাজে লাগত

কাজেই ব্যাখ্যা দিতে তাদেরকে মুখ খুলতে হল পরিচালক রবীন্দ্র গোপ (এমন নামের সৌভাগ্য সকলের হয় না) জানালেন আসলে বিষয়টি কি তিনি বললেন, কিছু পুরনো কাগজপত্র এবং অপ্রয়োজনীয় বই আমার উপস্থিতিতে পোড়ানো হয়েছে

পরিচালক দায়িত্বশীল ব্যক্তি পুরনো কাগজ পোড়ানোর দায়িত্ব নিতেই পারেন নিজে উপস্থিত থেকে পোড়াতেই পারেন শীত এসে গেছে, কাগজের আগুনে ভাল তাপ পাওয়া যায় গ্যাসের শাস্রয় হয় কিন্তু কোন লাইব্রেরীর কোন বই অপ্রয়োজনীয় সেটা নির্ধারনের দায়িত্ব তাকে দিল কে ? অপ্রয়োজনীয় বই এতদিন সেখানে ছিলই বা কেন ?

কাজেই আরো উত্তর খুজতে হল উত্তর দিলেন গ্রন্থাগারিক দিলরুবা আক্তার তিনি বললেন, জঙ্গিবাদের কিছু বই পোড়ানো হয়েছে

সরকার যখন জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষনা করেছেনই তখন সেটা করা যেতেই পারে সরকারের মংগল, জনগনের মংগল, দেশের মংগল তারা সকলের মংগলের লক্ষ্যে কাজ করেছেন

এই লাইব্রেরীতে রাখা হয় মুলত বিখ্যাত ব্যক্তিদের নিয়ে লেখা বই দেশ-বিদেশের লেখক, কবি, সাহিত্যিক, বুদ্ধিবীবী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতা পর্যন্ত সেখানে জঙ্গিবাদের বই তিনি পেলেন কোথায় সে প্রশ্ন হয়ত করার প্রয়োজন নেই হঠা করেই একদিন মনে হল এগুলি-

যাকগে, এমন খবর যখন প্রচার পায় তখন আগ্রহ দেখায় অনেকেই বই পোড়ানো শব্দটিতে নতুনত্ব আছে অনেকে দেখতে গিয়েছিলেন স্থাণীয় সাহিত্যিকের নাম ছাপা হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার এবং আওয়ামী লিগ নেতার নাম ছাপা হয়েছে আর বিএনপির মত বিএনপির আদর্শিক নেতা জিয়াউর রহমানকে নিয়ে লেখা বই-পত্রিকা-সাময়িকী পোড়ানো হয়েছে

দেশে সচেতন মানুষের অভাব নেই ঘটনা ঘটার আগেই অনেক সাংবাদিক ছুটে যান টাটকা খবর সাথেসাথে প্রচার করার জন্য এখবরটা কি কেউ খোজ নিয়ে দেখবেন সামান্য কাজ, পোড়ানোর আগের ক্যাটালগ এবং পরের ক্যাটালগ যাচাই করা যা পোড়ানো হয়েছে তার তালিকা প্রকাশ করা

অভিজ্ঞতা বলে, সেটা হবে না এরচেয়ে মেহনাজ-বারীর গল্প বেশি গুরুত্বপুর্ন দিনের পর দিন ছেপে গেলেও মানুষ বিরক্ত হয় না, বরং আনন্দ পায় পত্রিকার কাটতি বাড়ে

আর এই ঘটনা কতটা সত্য তা নিয়েও সন্দেহ আছে নিশ্চয়ই অপপ্রচার ষড়যন্ত্র বিরোধী দলের কাজ তাদের কাজই বিরোধীতা করা সরকারের ভাবমুর্তি নষ্ট করা সুযোগ পেয়ে এসব কুকথা ছড়াচ্ছে যদি সত্যি হয় তাহলে তদন্ত করা হবে প্রকৃত তথ্য বের করা হবে ছাই পরীক্ষা করে বের করা হবে সেগুলি আসলে কি ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষায়, অপরাধী যেই হোক কঠোর শাস্তি দেয়া হবে যদি অপরাধ হয়ে থাকে

কথা হচ্ছে, কাজটি যারা করেছেন শাস্তি পাওয়ার আশায় করেননি এমন কাজ করলে পুরস্কার পাওয়া যায় এটাই তাদের অভিজ্ঞতা দুচারদিন যাক, নতুন কিছু ঘটুক মানুষ এসব তুচ্ছ বিষয় ভুলে যাবে তারপর পুরস্কার মিলবেই এই বিনিয়োগ বৃথা যায় না

অন্ধকার তুমি কালো কতটা কালো ?

ধর্মেও আছো – জিরাফেও

Nov 4, 2009

একটা পুরনো গল্প দুই পন্ডিতে ঝগড়া লেগেছে কে কত ইংরেজি জানে তাই নিয়ে কেউই নিজের দাবী ছাড়তে রাজী নন কোনভাবেই মিমাংসা না হওয়ায় রীতিমত জনসভার আয়োজন করা হল সকলের সামনে তারা পরীক্ষা দেবেন দুজনে দুজনার জ্ঞানের পরীক্ষা নেবেন জনগন সাক্ষি

দুজন পন্ডিত বসেছেন দুপাশে সামনে বিশাল জনতা এমন তামাসা না দেখলে চলে না

এক পন্ডিত আরেক পন্ডিতকে প্রশ্ন করলেন, বলুন তো- আই ডোন্ট নো মানে কি ?

অন্য পন্ডিত এত সহজ প্রশ্ন শুনে খুশী গলা উচু করে বললেন, আমি জানি না

প্রথম পন্ডিত জনগনের দিকে উদ্দেশ্য করলেন, দেখলেন এই প্রশ্নের উত্তর উনি জানেন না আর কি পরীক্ষা নেয়া দরকার আছে?

একেবারে হাতেনাতে প্রমান পেয়ে জনগন খুশিতে মাতোয়ারা হয়ে উঠল তাকে মাথায় তুলে নাচতে শুরু করল আরেক পন্ডিতকে মুখ খোলার সুযোগই দিল না

অত্যন্ত উপাদেয় গল্প সন্দেহ নেই মানুষ কতটা বুদ্ধিমান হতে পারে কিভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে গোপাল ভাড়ের দেশেই না সেটা সম্ভব!

গল্পের দিকে কি আরেকবার ফিরে দেখবেন ? এর দুই প্রধান চরিত্রকেই দেখেছেন একজন কত বুদ্ধিমান, চতুর দেখেছেন আরেকজন কত সহজে হার মানে সেটা দেখেছেন সামনের জনতাকে কি দেখেছেন ?

সংবিধানের রং কেমন আমি জানি না শুধূ জানি সেটা অত্যন্ত পবিত্র জিনিষ যার-তার হাতে যাওয়া মানা তত কপিই ছাপা হয় দেশে যতজন এর পবিত্রতা রক্ষা করতে পারেন তারাও সেকাজটি নিপুনভাবে করেন সমস্যা তখনই হয় যখন দুই পন্ডিতে বিরোধ বাধে জনগনকে সাক্ষী রেখে তার মিমাংসা করতে চান

এইযুগে অত সহজে জনগনকে ডেকে মাঠে একসাথে করা যায় না বরং তারচেয়েও সহজে টিভির সামনে আনা যায়, খবরের কাগজের সামনে আনা যায় অন্যভাবে বললে, ক্যামেরা-মাইক্রোন হাতে তারাই ছুটে যান তারপর সেই কথাগুলি ছড়িয়ে দেন জনতার সামনে আর জনগন আমি জানি না এইটুকু যখন বোঝেন তখন খুশি হয়ে লাফিয়ে ওঠেন কোন সালে সংবিধান কি ছিল সেটা তো পন্ডিতের বিষয় কোথায় কি পরিবর্তন করা হবে সেটাও তাদের বিষয় পরিবর্তন করলে কি হবে সেটাও তাদের বিষয় আমাদের হাততালি দেয়ার মত খবর যেটুকু সেটুকুই আমাদের জানান হাততালি দিতে আমরা কার্পন্য করি না

এক সংবিধান বিষেশজ্ঞ বললেন ওটা সংবিধান পরিপন্থি তাতে আমরা হাততালি দেই বৈকি তিনি সংবিধান ভুলে যাননি সবকিছু মধ্যেও মনে রেখেছেন সংবিধানের বাইরে কিছু করা যায় না

পরক্ষনেই আরেকজনের মুখ দেখা গেল তিনিও সংবিধান বিশেষজ্ঞ তিনি বললেন, ওতে সাংবিধানিক কোন বাধা নেই ওটা সংবিধান সম্মত

ধর্মেও আছো, জিরাফেও আছো আমরা মুর্খ মানুষ আমাদের কোনটাতেই আপত্তি নেই আমরা দুদিকেই আছি ১৫ কোটি মানুষের দেশে শতে ১ হলেও ১৫ লাখ চালিয়ে যাও, সমর্থনের অভাব হবে না

ব্যতিক্রম

Nov 2, 2009

ব্যতিক্রম সবাই পছন্দ করে একথা বলছি না যে সবাই সবসময় ব্যতিক্রমি কাজ করে চেষ্টা সবাই করে সকলেই কিন্তু হয়ে ওঠে না। সবসময়ের জন্য সত্য কথা হচ্ছে ব্যতিক্রমি কাজ কেউ কেউ করে অথবা সবাই ব্যতিক্রমি কাজ কখনো কখনো করে

যেমন ধরুন ফুটপাতের সরু যায়গা দিয়ে দুপাশের দোকান বাচিয়ে দুসারি মানুষ বিপরীতদিকে চলেছে পিপিলিকার সারির মত ওয়ান ওয়ে ট্রাফিক যাকে বলে তাই ধাক্কাগুতো যা আছে তা উপেক্ষা করার মত এরই মধ্যে একজনের ব্যতিক্রমি হওয়ার শখ হল ওয়ান ওয়ে নীতি না মেনে তিনি যাবেন ভিড়ের উল্টোদিকে শক্তির পরীক্ষা দিতে দিতে শক্তিমানদের ক্ষেত্রে এই ব্যতিক্রম হরহামেসাই দেখা যায় এমনকি শরীরের গড়ন দেখে আগে থেকেই অনুমান করতে পারেন তবে এই ঘটনা এতটাই বেড়ে গেছে যে ব্যতিক্রম বোধহয় আর বলা যায় না আকার-আয়তন-আচরন সবকিছুই দ্রুতবর্ধমান

চুলে রং, কানে দুল, হাতে চুড়ি, লম্বা চুল, খাটো চুল, খাড়া চুল, ঝুটি চুল, ফুলপ্যান্টের ওপর হাফপ্যান্ট, সার্টের ওপর গেঞ্জি, উলকি-ফুলকি এগুলি এখন আর ব্যতিক্রম নেই হঠা করে হা-হু চিকার করলেও দৃষ্টি আকর্ষন করা যায় সামান্যই ক্ষনিকের জন্য ছিনতাইকারী ধরা পড়লে যাদের নিতান্তই হাত নিশপিশ করে তারাই এগিয়ে যায় ধাক্কাধাক্কি খেয়ে যার অভিজ্ঞতা হয়েছে সে যাকিছু দেখার দুর থেকেই দেখে মোটরসাইকেলে উল্টোগাধার মত চড়েও কাজ হয় না বুঝতেই পারছেন, ব্যতিক্রমি কিছু করার সুযোগ পাওয়া চাকরী পাওয়ার মতই কঠিন বরং কেউ যদি দাবী করে আমি সরকারী চাকরী পেয়েছি কিন্তু মন্ত্রী ধরিনি, জমি বেচতে হয়নি সেটাকেই উকৃষ্ঠ ব্যতিক্রম ধরতে পারেন কিংবা কেউ যদি বলে আমি ব্যবসা করি কাউকে চাদা দিতে হয় না তাকেও ব্যতিক্রমি ধরে নিতে পারেন আবার সরকারের কেউ যদি বলেন আমার অমুক কাজ করা উচিত ছিল, করতে পারিনি সেটা আমার ব্যর্থতা, তাকেও বড় ধরনের ব্যতিক্রম বলতে পারেন। এমনকি জনমত যদি প্রশ্ন করে নদীর ওপরে ব্রীজ নিচে টানেল কতদিনে দেখব, ১০ টাকা কেজি চাল কবে কিনব, বিনামুল্যে সার কবে পাব তাকেও ব্যতিক্রম বলতে পারেন। মোটকথা সত্যিকারের ব্যতিক্রম দেখা যায় না কারন ব্যতিক্রমি ঘটনা ঘটে না।

তবে দেখা মিলল সেদিন রিক্সাঅলাকে ভাড়া কত জিজ্ঞেস করায় বলল, যা হয় দিবেন

একথার অর্থ ভাল করেই জানা হয় সে জানেনা ভাড়া কত, অথবা ঠিক করতে পারেনি কত নেয়া যায়, অথবা যাওয়ার পর যখন কিছু করার থাকে না, কলা ছিলার পর যেমন বুজানো যায় না তেমনি যা ইচ্ছে আদায় করা যায় কারন যাই হোক না কেন ফল একই যায়গামত পৌছার পর বিশ-ত্রিশ-চল্লিশ যাই দেয়া হোক না তার মুখে শোনা যাবে এককথা, ঠকা হয় আরো দশ ট্যাকা দেন দিবেন না ক্যান। হোটেলে গিয়া পাচশ ট্যাকা খরচা করেন আর গরীবরে ঠকান।

একেবারে কার্যকর পদ্ধতি গরীবের পক্ষ নেয়ার মানুষের অভাব নেই। পথে হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ অপেক্ষা করছে কখন কোন মামলার ফয়সালা করবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবে।

কথা না বাড়িয়ে এককথায় কাজ সারার পথে গেলাম, বিশ টাকা পাবে গেলে চলো নয়ত অন্য রিক্সায় উঠব

সে কোনরকম আপত্তি করল না রওনা হওয়ার পর ব্যতিক্রম পাওয়া গেল তার কথায় একেবারে দিলখোলাভাবে হাসতে হাসতে বলল, আমি কি রিক্সা চালাইতে আইছি ঢাকা শহরে আইছি শহর দ্যাখতে রিক্সা চালাইলে বাসভাড়া-রিক্সাভাড়া লাগে না, ইচ্ছামত সবকিছু দেখা যায়, আবার ইনকামও হয়

ব্যতিক্রম না বলে উপায় কি ?

অবাক হবেন না

Nov 1, 2009

প্রযুক্তি মানুষের জীবনে অনেক সহজ করে দিয়েছে। বলা যায় মানুষকে মাল্টিটাস্কিং বানিয়েছে। পেশা যাই হোক না কেন, কাজ করুন একই সাথে কানের সাথে ফোন লাগিয়ে কথা বলুন। প্যারালাল প্রসেসিং চলতে থাকবে। এই প্যারালাল প্রসেসিংএর বদৌলতে খবরটা শোনা হল। এমনিতে রেডিও শোনার অভ্যেস নেই, তারওপর কিছু একটা কাজে ব্যস্ত থাকতেই হয়। মোবাইল ফোন যখন রেডিও এনেই দিয়েছে তখন কাজ করতে করতেই শোনা যায়। সেভাবেই ক্রিকেটের ধারাভাষ্য শোনা, তারসাথে অতিরিক্ত হিসেবে বেতারের সংবাদ। তাতে বলা হল টঙ্গিতে শ্রমিকদের সাথে সংঘর্ষে দুজন মহিলা পুলিশ মারা গেছে।

আতংকিত হবার মত খবর। শ্রমিকরা অস্ত্রশস্ত্রহাতে হামলা করেছে মহিলা পুলিশের ওপর, দুজনকে মেরে ফেলেছে। এরপর লুটপাট করবে, অন্যদের মারবে। আগে থেকে সাবধান থাকা ভাল।

সময়ে ঘটনা আরো পরিস্কার হল। বিজিএমইএর বক্তব্য, কেউ মারা যায়নি। পোষাক শিল্পের ক্ষতি করার জন্য, সরকারের ভাবমুর্তি নষ্ট করার জন্য, দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য এসব গুজব ছড়ানো হয়ে থাকতে পারে। সরকারী ভাষ্য, পুলিশ দুজন শ্রমিকের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। আর পেছনের খবর, তিনমাসের বেতন না দিয়ে কারখানা বন্ধ করায় শ্রমিকরা বেতনের দাবীতে এবং কারখানা খোলার দাবীতে পথে নেমেছিল।

এখন আর কোন খবরেই অবাক হবার মত কিছু নেই। সবকিছুর পেছনেই কিছু কারন থাকতে পারে। সেটা আমাদের জানা। একবার শোনা গেল খালেদা জিয়ার পুত্র আরাফাত রহমান কত টাকা সিংগাপুরে পাচার করেছেন সেটা নিশ্চিত করেছে মার্কিন গোয়েন্দারা। তাদের কাছে সব তথ্য রয়েছে। আর লুকোনোর পথ নেই। টাটকা খবর হচ্ছে সিংগাপুরে টাকা পাচারের দায়ে মামলা করা হয়েছে খালেদার আরেক পুত্র তারেক রহমান এবং তার বন্ধু মামুনের নামে। তারা কোন পদ্ধতিতে কিভাবে টাকা পাঠাতেন, কিভাবে খরচ করতেন সব জানা গেছে। আর শুধু এখনবার খবরই বা কেন, গোয়েন্দারা বসে নেই। তাদের আরেক নাম ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস। সেই ইন্টেলিজেন্ট লোকেরা বের করেছেন ব্রিগেডিয়ার বারী ৭৫ এর ১৫ আগষ্টের ঘটনায় খুশি হয়ে অন্যদের মিষ্টি খাইয়েছেন। আমি অন্তত সেই মিষ্টি খাওয়ার সুযোগ পাইনি কিন্তু একটা প্রশ্ন মাথায় ঘুরছে, ৭৫ সালে এই ব্রিগেডিয়ারের বয়স কত ছিল ?

সে যাকগে। এসব ফালতু প্রশ্ন নিয়ে সময় নষ্ট করার সময় কারো নেই। বরং পত্রিকায় প্রতিদিন যে টাটকা খবর বেরচ্ছে সেটা দেখাই ভাল। বাবরকে রিমান্ডে নেয়ার সাথেসাথেই তোতাপাখির মত বলতে শুরু করেছেন কোন সময়ে কে কি করেছে। জরুরী আইনের সরকারের সময় রিমান্ডের প্রশ্নোত্তরের সিডি বাজারে বিক্রি হয়েছে। এতে সকলেরই মঙ্গল। খবরের কাগজের কাটতি বাড়ে, কিছু মানুষ ব্যবসা করে খেতে পারে, অন্যরা বিনোদনের খোরাক পায়।

পুরনো কথায় ফিরি। গার্মেন্টস শ্রমিকদের রাস্তায় নেমে আন্দোলন নতুন বিষয় না, বরাবরই হয়। বরাবরই তার কারন বকেয়া বেতন। পত্রিকার খবর, সর্বনিম্ন মজুরী ঠিক করার পর তিন বছর পরও অর্ধেক কোম্পানী বাস্তবায়ন করেনি। আদালত বলে দিয়েছে তাদের বিষাক্ত বর্জ্য নদীতে ফেলা যাবে না, পরিশোধনের ব্যবস্থা করতে হবে, সেটা করা হয়নি। তারপরও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে না, কথা বলা যাবে না। কারন তারা দেশের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক শক্তি। সবচেয়ে বেশি আয় আসে তাদের কাছ থেকে। যাদের বেতন কয়েকশ টাকা, সেই টাকা দিয়ে যারা না খেয়ে হলেও ঘরভাড়া দেয় এবং তারপর হাতে কিছু থাকলে খাবারের খরচ মেটায় তাদের বেতন মাসের পর মাস বাকি রাখা যায়। আর যাদের বেতন লক্ষ টাকা তাদের বেতন আগাম বুঝিয়ে দিতে হয়। মাথায় হাত বুলাতে হয়। কারন একটু এদিক ওদিক হলেই তারা অন্য পথ খুজে নেবে। তারচেয়ে যাদের অন্যপথ নেই তাদের বেতন বাকি রাখাই ভাল। শ্রমিক নেতারা যখন টাকা পেলেই খুশী, সরকারের দায়িত্ব যখন পুলিশ পাঠিয়ে বিদ্রোহ দমন করা তখন এনিয়ে ভাবার কি আছে ?

দুজন শ্রমিক মারা গেছে, তাতে কি ? আরো কতজন কাজের অপেক্ষায় অপেক্ষা করে রয়েছে। এসব নেতিবাচক খবর প্রচার না করাই ভাল। এই শিল্পই টিকিয়ে রেখেছে দেশকে। দেশের লক্ষ লক্ষ পরিবারকে। এসব খবরে কান দেবেন না। অবাক হবেন না।

 

Browse