গুপি
গাইনকে ৩য় সুর এবং ৬ষ্ঠ সুরে চাপিয়ে গ্রাম থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল। বর্তমানে এই
দুই সুরের সমম্বয় বেড়েছে না কমেছে নিশ্চিত করে বলা কঠিন। গাধার অস্তিত্ব রয়েছে
একমাত্র চিড়িয়াখানায়। সেখানেও খুব ভাল আছে মনে করার কারন নেই। প্রায়ই চিড়িয়াখানা
বিষয়ে নানারকম খবর ছাপা হয়।
বরং
সুর নিয়েই থাকা যাক। তাকে অন্তত টাকা খরচ করে খাওয়াতে হয় না। বর্তমানকালে তো বটেই।
আগেকার দিনে গান শেখার জন্য সারেগামা করতে হত, এখন সেটো প্রয়োজন হয় না।
হিসেবে
সুর ৭টি হওয়ার কথা। সা-রে-গা-মা-পা-ধা-নি। সমস্যা হচ্ছে এখানেই সুর থামে না। শেষে
আরেকবার সা যোগ করা হয়। সেটা করার পর সপ্তসুর বিষয়টি থাকা উচিত না।
এই
অষ্টম সুরের প্রয়োজন কি এনিয়ে কেউ গবেষনা করলেও করতে পারেন। সুরসাধকের গবেষনা
একরকম আর বাংলাদেশের বাস্তবতা আরেকরকম। বাংলাদেশে মানুষ মুখ খুললেই সেখানে রাজনীতি
এসে হাজির হয়। রাজনীতিতে অষ্টম সুরের ব্যবহার কি সেটা বরং আলোচনা করা যেতে পারে।
সুর
একদিকে যাত্রা করে থেকে যায় না, একবার যায় আরেকবার ফিরে আসে। ফিরে আসার জন্য যে
প্লাটফর্ম প্রয়োজন হয় সেটাই অস্টম সুর। একে বাংলায় পুনরাবৃত্তি বলতে পারেন (ভাষার
মাস যখন চলছে)।
একটা
উদাহরন দিয়েই দেখা যাক।