টিনের চশমা

Dec 12, 2012

এমন এক শয়তান, নাকে বসে ধরে কান শয়তান বলুন আর যাকিছু মনে আসে বলে গালাগালি করুন, চশমা ছাড়া চলার কথা ভাববেন না এখন যদি নাও হয়, বয়স বাড়লে তাকে কান ধরার সুযোগ দিতেই হবে আর যদি ভাগ্য ভাল থাকে তাহলে আগেই শুরু করতে পারেন
সহজ কথা চশমার সুবিধে অনেক সারা দুনিয়া লাল দেখতে চান, লাল কাচের চশমা লাগান সবুজ দেখতে চান সবুজ কাচ লাগান সাথেসাথে কেল্লা ফতে সামনের সবকিছু পাল্টে গেছে
যদি কাচ না পান তাহলে প্লাষ্টিক কিংবা কাগজ ব্যবহার করেও একই ফল পাওয়া যায়
একবার ভেবে দেখেছেন কি এই চশমার কৃতিত্ব কতটা ট্রাফিক সিগনালের লাল-সবুজ বাতির কথাই ধরুন না কেন ? পছন্দমত রঙের চশমা লাগান, সবসময়ই লাল অথবা সবুজ দেখবেন সবসময় আপনার জন্য রাস্তা ক্লিয়ার অথবা সবসময়ই বন্ধ

দৃষ্টান্তমুলক

Nov 22, 2012

দৃষ্টান্ত সবসময়ই দৃষ্টান্ত। আপনি স্বিকার করুন বা নাই করুন, সেটা উদাহরন হিসেবে ব্যবহার করা হয়। নিজে অনুসরন না করলেও আড্ডা দেয়ার উপকরনে পরিনত হয়। নিজের পান্ডিত্য প্রচার করা যায়।
সেই মোল্লার কথা বলা হচ্ছে না যিনি সরাসরিই বলেন, আমি যা বলি সেটা কর। আমি যা করি সেটা করো না। তিনি বরং রীতিমত সত্যবাদি। সরল-সত্য কথাই বলেছেন। বলার সময় তিনি উপদেশ দেন, দৃষ্টান্ত দেখান। নিজে সেপথে চলেন না।
কাজেই দৃষ্টান্ত থেকে আপনি কোনটা গ্রহন করবেন সেটাকে আপনার বিষয়। আপনি তার কথা গ্রহন করে নিজের কথা হিসেবে প্রচার করতে পারেন। সেইসাথে তার আচরন অনুসরন করতে পারেন।
বাংলাদেশে কথা উঠলে রাজনীতি হাজির না হয়ে পারে না। কাজেই দৃষ্টান্ত দিতে গেলে সেখান থেকে দেয়াই ভাল।

সভ্যতা বনাম অসভ্যতা

Oct 30, 2012

অনেকবছর আগে একজন কার্টুনিষ্ট একটি কার্টুন একেছিলেন। একদিকে আধুনিক সভ্য মানুষ, পাশে অত্যাধুনিক অস্ত্র। আরেকদিকে আদিম মানুষ, সাথে আদিম অস্ত্র। আধুনিক মানুষের দিকে আঙুল তুলে বলছে, দেখ, ওরা বলে আমরা অসভ্য।
অস্ত্র তৈরী করা নিশ্চয়ই সভ্যতার পরিচয়। আমেরিকার আইন অনুযায়ী যেকোন নাগরিক দোকানে গিয়ে অস্ত্র কিনতে পারেন। তার প্রয়োজন অনুযায়ী পিস্তল, রাইফেল থেকে শুরু করে মেসিনগান পর্যন্ত। তারা সবচেয়ে সভ্য জাতি এতেও কোন সন্দেহ নেই। অসভ্য তারাই যারা আমেরিকানদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহার করে। যদিও অস্ত্রগুলি তৈরী হয় তাদের দেশেই।
অস্ত্রের বিচারে সভ্য-অসভ্য হিসেব করা সম্ভব না। আলফ্রেড নোবেল ডিনামাইট উন্নত করেছিলেন পাহাড় ভাঙার জন্য। এমনকি আইনষ্টাইন এটম বোমা তৈরীতে কাজ করেছেন বিশ্বকে জাপানীদের হাত থেকে রক্ষা করতে, আর বুশ-ব্লেয়ার ইরাকে অভিযান চালিয়েছেন সাদ্দাম হোসেনের হাত থেকে বিশ্বকে রক্ষা করতে।
অস্ত্র বাদ দিয়ে বরং সত্যিকারের সভ্যতার পরিচয় যাতে প্রকাশ পায় সেদিকে দৃষ্টি দেয়া যেতে পারে। মানুষ যত লেখাপড়া করে তত সভ্য হয়। আচারে, ব্যবহারে, কথাবার্তায় সবকিছুতেই তার প্রকাশ ঘটে। সেদিক থেকে হিসেব করলে সবচেয়ে শিক্ষিত ব্যক্তিরাই সবচেয়ে সভ্য, আর বকলম ব্যক্তিরা অসভ্য।

নেতা হওয়ার যোগ্যতা

Oct 24, 2012

নেতা হতে যোগ্যতা লাগে, একথার প্রতিবাদ নিশ্চয়ই কেউ করবেন না। অন্তত যদি না ঘাড়ত্যাড়া নামের বিশেষ বৈশিষ্ট থাকে। যার ঘাড়ত্যাড়া তারা সব বিষয়েই নিজের বক্তব্য তুলে ধরবে। দুনিয়ার সবকিছুই তাদের চোখে খারাপ। তার পরামর্শ শুনলে খারাপ বলে কিছু থাকত না। হয়ত অবাক হতে পারেন, যদি সত্যিকারের জরিপ করা হয় দেখা যাবে একজন রিক্সাচালক, দিনমজুর কিংবা ভিক্ষুকও মনে করেন তার কথা শুনলে দেশের সব সমস্যা দুর হয়ে যেত।
থাকগে সেসব কথা। বরং যোগ্যতা নিয়েই থাকা যাক।
প্রবাদ আছে চুরিবিদ্যা বড় বিদ্যা। দক্ষ চোর হতে যে যোগ্যতা প্রয়োজন তা সবার থাকে না। সেই পরিমান চেষ্টাও থাকে না। ব্যাংক থেকে কাজার কোটি কেন, কয়েক হাজার টাকা মেরে দেয়ার চিন্তাও অনেকের মাথায় কাজ করে, যোগ্যতায় কুলায় না।

পদার্থবিদ্যার নীতি

Oct 18, 2012

জগতের সমস্ত পদার্থ (এবং অপদার্থ) পদার্থবিদ্যার নীতি মেনে চলে বিষয়টা এমন না যে আগে সবাই নীতিগুলি জেনেছে তারপর সেগুলির ব্যবহার শুরু হয়েছে এটা রাজনীতিবিদদের তত্ত্ব তারা আগে নীতি তৈরী করবেন এবং ধরে নেবেন তারপর কোন এককালে সেগুলি কেউ মানবে (নিজে বাদ দিয়ে) না মানলে বাধ্য করা হবে জগতের ক্ষেত্রে বরং এগুলি চালু আছে বহু বছর ধরেই কত বছর সেপ্রশ্ন অর্থহীন মানুষের আয়ু ১০০ বছর হলে তাকে র্দীর্ঘ বলা হয় (একমাত্র সাংগ্রিলা ছাড়া) তারকাছে হাজার কিংবা লক্ষ কিংবা কোটি এসব সংখ্যার কোন অর্থ হয় না সেকারনে অনেকে এসব সংখ্যা উল্লেখ করার সময় যতটা বেশি বলা যায় ততটাই বলেন। (উদাহরন, প্রথম আলো মংগল গ্রহের নদীর অস্তিত্ব সম্পর্কে রিপোর্ট করার সময় বলেছে হাজার হাজার কোটি বছর আগে সেখানে কলকল করে নদি বয়ে যেত। স্বয়ং হকিং এর মতে বিগ ব্যাং এর ঘটনা ১৫০০ কোটি বছর আগের, সৌরজগতের জন্ম ৬০০ কোটি বছর আগে। হাজার হাজার কোটি বছর আগে নদী থাকলেও থাকতে পারে, মংগল গ্রহ ছিল না।)

চাহিবামাত্র দিতে বাধ্য থাকিবে

Sep 8, 2012

টাকা কোথা থেকে আসে ?
-         ব্যাংক থেকে।
-         কাজ করলে সেটা টাকায় পরিনত হয়।
-         জানি না।
এটা একটা কানাডিয় ডকুমেনটারীর অংশ। নিশ্চিত হতে না পেরে প্রশ্ন করা হল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে (পল মার্টিন)।
-         দেখুন, টাকা হচ্ছে, ইয়ে, মানে টাকা আবিস্কারের আগে, টাকা হল, .... আমি ফোনটা ধরে আসি ....
যেভাবেই দেখুন না কেন, সহজ উত্তর একটাই। টাকা আসে ব্যাংক থেকে। কেন্দ্রিয় ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে টাকা ছাপা হয়। সেখান থেকে সাধারন ব্যাংকে, সেখান থেকে সাধারন মানুষের হাতে। আপনি গরু-ছাগল বাড়ি-গাড়ি সবকিছুর মালিক হতে পারেন, টাকার মালিক হতে পারেন না। নিজে টাকা ছাপলে জেলে যেতে হয়।
কাজেই টাকার মালিক আসলে সরকার। সেজন্যই পষ্ট করে লেখা, চাহিবামাত্র দিতে বাধ্য থাকিবে।
 

Browse