বাজিমাত - Way to success

Oct 2, 2009

বাজি চমকার জিনিষ সে আতসবাজিই হোক, তারাবাজিই হোক, খেলাধুলার বাজিই হোক আর টেন্ডারবাজি-চাদাবাজিই হোক বাজিমাত করতে পারলে একেবারে প্রানভরে উপভোগ করার জিনিষ প্রয়োজন শুধু বাজিমাত নিশ্চিত করা কোনভাবেই মিস করা চলবে না যে পথে হোক, যাকে ধরে হোক, যে পদ্ধতেই হোক, বাজিমাত করা চাই

টেন্ডারবাজির কথাই ধরুন না কেন এটা এমন এক পদ্ধতি যার ফলে কম দামে কিনে বেশি টাকার বিল দেখানো বন্ধ শ্বশুরের দোকান থেকে সবসময় কিনবেন সেপথও বন্ধ বিভিন্ন জন বিভিন্ন সুবিধা বর্ননা করে টেন্ডারে অংশ নেবে তাদের মধ্যে থেকে সবচেয়ে ভালকে সুযোগ দেয়া হবে একেবারে স্বচ্ছ পদ্ধতি এরমধ্যে অস্বচ্ছতা ঢুকে পড়ে যখন ইচ্ছে করে কাউকে বাদ দেয়া হয় ইচ্ছে করে কাউকে কাজ দেয়া হয় টেন্ডারদাতারা কিছুটা এদিক ওদিক করতেই পারেন তাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র, ‌যে কোন টেন্ডার গ্রহন বা বাতিল করা যাইতে পারে

আর যখনই গ্রহন কিংবা বাতিল এর ঝুকি এসে যায় তখনই বাজিমাত করার সম্ভাবনা কমে যায় টাকাতে কাজ হয় না কারন আরেকজন তারচেয়ে বেশি দিতে পারে নেতায় কাজ হয়না কারন বাঘের চেয়েও বড় বাঘ থাকে তখন বাজিমাত করার পথ খোলা থাকে যখন তিনি একাই টেন্ডার জমাদানকারী প্রতিষ্ঠান বাস্তবে সেই প্রতিষ্ঠান আছে কি নেই তাতে কিছু যায় আসে না, কাগজে-কলমে থাকলেই চলে

এ পদ্ধতিও শতভাগ সাফল্য আনে না পত্রিকায় খবর ছাপা হয়, ছবি ছাপা হয় নানা জনে নানারকম কথা বলে

শতভাগ সাফল্যের পথ একটাই টেন্ডার প্রয়োজন নেই কাজ আমাকে দিতে হবে এককথা আপনার ভাগ আপনি পাবেন সে নিয়ে চিন্তার কারন নেই আপনি আমাকে দেখলে আমিও আপনাকে দেখব সরকার জানিয়েছেন ডিজিটাল দেশে ডিজিটাল পদ্ধতিতে টেন্ডারের ব্যবস্থা করা হবে। ইন্টারনেটের টেন্ডার ডাকা হবে, ইন্টারনেটেই অংশগ্রহন করা যাবে। আজকাল জনমত জরিপ হচ্ছে ইন্টারনেটেই। চিকিসার ব্যবস্থাও হচ্ছে। কাজেই টেন্ডার হতে আপত্তি কি! ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির ডিজিটাল পদ্ধতি উদ্বোধন করেছেন সরকার। যে কেউ এসএমএস করে যোগাযোগ করতে পারবে। শুধু এটা জানা যায়নি, যেখানে ভর্তির সাথে বানিজ্য এবং লড়াই দুটি শব্দ জড়িত, লড়াইয়ে জয়ীর চেয়ে পরাজিতের সংখ্যা কয়েকগুন সেখানে একজন যদি এসএমএস করে জানায়, আমার জন্য একইটা সিট রাইখেন, আইতাছি।' তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কি করার থাকবে? একটা পাল্টা মেসেজ পাঠানো ছাড়া!

সেটা নিশ্চয়ই হবে সরকারী টাকায়। এসএমএস কোম্পানীগুলি যখন এত টাকা দেয়।

এই দৃষ্টান্ত অনুসরন করলে ধরে নেয়া যায় আগামীতে এসএমএস পদ্ধতিতে টেন্ডার পরিচালনা হতে যাচ্ছে। সামনাসামনি হাত-পা ভাঙার হাত থেকে অন্তত কিছু মানুষ রক্ষা পারে।

যায়গা বরাদ্দের লটারীর বাজিমাত সে তুলনায় সহজ ফেরানো যায় না এমন প্রার্থীর সংখ্যা যায়গার চেয়ে বেশি তাহলে আর লটারীর প্রয়োজন কি ? দ্রুত কাজ শেষ করাই উত্তম সহজ ঘোষনা, লটারী হবে না। যাকিছু খরচাপাতি করেছেন, লাইন-ঘাট করেছেন, করেছেন। আর খরচ বাড়াবেন না।।

বাজিমাতের সুত্র একটাই। নেতার পিছনে দাড়ান, যদি বাজিমাত করতে চান।

0 comments:

 

Browse