Showing posts with label Administration. Show all posts
Showing posts with label Administration. Show all posts

ভাবমুর্তি

Apr 29, 2013


ভাবমুর্তি খুব দামী জিনিষ এতে কোন সন্দেহ নেই। এমনকি এর দাম যে কত সেটাও পরিমান করার উপায় নেই। ভাবমুর্তিকে যদি সন্মান হিসেব করা হয় তাহলে অনেকে সন্মানরক্ষায় জীবন হারাতে রাজি, মান হারাতে রাজি নন। উদাহরনের অভাব নেই।
আর যদি নিজের জীবন না হয়ে পরের জীবন হয় তাহলে কাজটি আরো সহজ। জীবন যেতেই পারে তাইবলে সন্মান হারাতে হবে কেন ? একদিন তো মরতে হবেই।
বাংলাদেশে তৈরী পোষাক শ্রমিকের জীবন দেয়া নতুন খবর না। প্রতিবছর কয়েকটা করে বড় ধরনের খবর শোনা যায়। কয়েকমাস আগে আগুনে পুড়ে মারা গেছেন শতাধিক। তদন্ত হয়েছে, দোষী সাব্যাস্ত করা হয়েছে মালিককে। তাকে গ্রেফতার করা হয়নি কেন জিজ্ঞেস করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্টো প্রশ্ন করেছেন, গ্রেফতার করলেই কি সমস্যার সমাধান হবে ?

বাংলা পলিটিক্স

Aug 1, 2012

ছোটবেলায় স্কুলের পাঠ্যবইতে একটা গল্প পড়েছিলাম। নাম ভিলেজ পলিটিক্স। যতদুর মনে পড়ে বিষয়টা এমন;
রহিম এবং করিমের বাড়ি পাশাপাশি। রহিমের বাড়ির আমগাছের একটা ডাল চলে গেছে করিমের সীমানায়। উকিল জলিল করিমকে বললেন, পরের গাছের ডাল তোমার এলাকায়, কেটে ফেল। আইনত সেটা তুমি করতে পার।
করিম ডালটা কেটে ফেলল। রহিমের জন্য জলিলের পরামর্শ, তোমার গাছের ডাল আরেকজন কেটে ফেলল, একটা মামলা ঠুকে দাও।
বিচারক বললেন, জেনুইন কেস। মামলা চলতে পারে।
ব্যাস, হয়ে গেল। মামলা চলতে থাকল। মাসের পর মাস, বছরের পর বছর। বাঘে ছুলে আঠার ঘা, পুলিশে ছুলে ছত্রিশ ঘা আর উকিলে ছুলে বাহাত্তর ঘা। ঘা শুকাতে রহিম-করিম দুজনকেই বাড়ি বিক্রি করতে হল। টাকাগুলো কোথায় জমা হল সেটা হয়ত বলা প্রয়োজন নেই।

টাকার উতস

Jul 12, 2012

একজন বাসযাত্রী কন্ডাক্টরের সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়লেন। কন্ডাক্টর কথায় একেবারে মিতব্যায়ী। মুখে কিছু না বলে পাশের লেখার দিকে আঙুল দেখালেন। সেখানে লেখা, কোন অভিযোগ থাকিলে চালককে বলুন।
যাত্রী নাছোরবান্দা। ড্রাইভারের কাছে নালিস জানাতে গেলেন। তিনি পাশের আরেক লেখার দিকে আঙুল দেখালেন, চলন্ত অবস্থায় চালকের সাথে কথা বলিবেন না।
বাস্তবতা তুলে ধরা এমন সার্থক কৌতুক খুব বেশি নেই। একে কৌতুক না বলে উপমা বললেই ভাল মানায়। বিশ্বাস না হয় একবার চারিদিকে দেখুন।

পাগলকে পাগল বলিও না

Jun 1, 2012

আবার সেই পুরনো খবর। ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কটুক্তি করা হয়েছে। ফলে দেশদ্রোহিতার মামলায় পড়েছেন একজন ছাত্র। বেচারা জানেন না পাগলকে পাগল বলতে নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হুকার দিয়েছেন অন্য কেউ এমনকিছু করলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। আদালতও খুশিমনে মামলা বিবেচনা করছে। খুনের মামলা নেয়া হয়না তাতে কি, এমন বড় অপরাধ কি পাশ কাটিয়ে যাওয়া যায়! দেশপ্রেম বলে তো কথা আছে।
মামলা করেছেন শিক্ষাপ্রতিস্ঠানের দেশপ্রেমিক রেজিষ্ট্রার। তিনি স্বতপ্রনোদিত হয়ে ফেসবুক তদারকির দায়িত্ব নিয়েছেন। পুরস্কার অবশ্যই পাবেন।  কে কোনফাকে বেফাস কথা বলে দেশের সর্বনাশ করে ফেলে। দেশপ্রেমিকের দায়িত্ব দেশকে রক্ষা করা।

নিজের পরান বাচা

Feb 24, 2012
একজন মন্ত্রী বলেছেন সিমান্তের বিষয় নিয়ে সরকার চিন্তিত না। কাজেই সিমান্তে মরুন তাতে সরকারের কিছূ যায় আসেনা। পথঘাটে মৃত্যুর কথা নতুন করে না বলাই ভাল। ওটা সবদেশেই ঘটে। বাংলাদেশে বরং কমই ঘটে। আর নিজের বাড়িতে যদি খুন হন তাহলে প্রধানমন্ত্রী সেখানে পাহাড়ার ব্যবস্থা করতে পারেন না। ওটা সরকারের দায়িত্ব না।
আসলে এসব না বলে পুরনো গল্প বলাই ভাল। আপনাকে মরতে হবে। সমুদ্রে জাহাজ ডুবে মরতে পারেন বিছানায় শুয়েও মরতে পারেন। সমস্যা হয়েছে দিন যখন পুরনো দিনে থেমে নেই। সব দেশেই সরকার বলে একটি ব্যবস্থা চালু রয়েছে। প্রতিপদে জনগনকে তাদের টাকা দিতে হয়। তারা সেই টাকায় সেরা খাবার খান, সেরা যায়গায় বাস করেন, সেরা বস্তু উপভোগ করেন এবং সেরা কথা বলেন।
কিংবা অন্যভাবেও দেখতে পারেন। বানর যদি মাথায় চড়ার সুযোগ পায় তাহলে নামবে কেন ? যে মাথায় উঠিয়েছে তাকেই কি দায়ী করা উচিত না!
আমি নিশ্চিত কোন বাঙালী এজন্য দায়ী নন। বাঙালী কখনো কোন ধরনের দোষ কিংবা ভুল করতেই পারে না। নির্বাচনের আগে রীতিমত জিকিরের মতই শোনা যায় দেখে, শুনে, ভেবে, দেশপ্রেমিক, যোগ্য, সত ব্যক্তিকে ভোট দেব। তারা সেটা করেনও। কোন কারনে বিজয়ের পর তাদের প্রকাশভঙ্গিটা ভিন্ন পাওয়া যায়। তখন আর তাদের সত, যোগ্য, দেশপ্রেমিক মনে হয় না।

জীবনের দাম কত

Feb 1, 2012
দাম হিসেব করা হয় টাকায় জীবনের দাম কত টাকা ?
অনেকেই বলবেন ফালতু প্রশ্ন প্রশ্নের বাকি অংশ কোথায় ? জীবনের ব্রান্ড কি, মডেল কি ? তবে তো দাম মোবাইল ফোনের দাম কত এটা কি প্রশ্ন হল! দুহাজার টাকায় পাওয়া যায়, ৫০ হাজার টাকায়ও পাওয়া যায়
জীবনের দামও তেমনই ব্রান্ড এবং মডেল অনুযায়ী নিতান্ত দার্শনীকতার খাতিরে বলতে পারেন জীবন দিনের মত সকালে সুর্য ওঠে, দুপুরে মাঝগগনে থাকে, তারপর ঢলতে শুরু করে একসময় অস্ত যায় কোন অনিয়ম নেই জীবন যখন সকালে শুরু হয়েছে তখন একসময় দুপুর বিকেল সন্ধ্যা হয়ে রাত আসবেই প্রশ্ন তখনই ওঠে যখন দুপুরে সুর্য ডুবে যায় কখনো কখনো সেটা ঘটে বয়স ৩০ বছর হয়নি, হঠাত করে জীবন প্রদিপ নিভে গেল গাড়ির ধাক্কায় কিংবা বিএসএফ কিংবা পুলিশের গুলির কথা বলছি না, একেবারে নিজের ইচ্ছেয় গলায় ফাস লাগিয়ে
একজন সেটাই করেছেন পরিচয় তিনি শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারী ৩৩ লক্ষের একজন এক বছরের বেশি সময় ধরে স্লোগান দিয়েছেন (অন্তত চেষ্টা করেছেন), পুলিশের লাঠিপেটা খেয়েছেন একসময় শেয়ার বাজারের রাস্তায় হাজির হয়েছে সাজোয়া গাড়ি বিএসএফ যখন গুলি করছে, পুলিশ যখন মিছিলে গুলি করছে তখন এখানে করলে দোষ কোথায়

থামলে ভাল লাগে

Jan 6, 2012
এক পাগল ক্রমাগত দেয়ালে মাথা ঠুকছিল। একজন জিজ্ঞেস করল, ওভাবে মাথা ঠুকছ কেন ? কষ্ট লাগে না ?
তার উত্তর, থামলে কি আরাম!
আপনার মাথায় যদি কেউ আঘাত করতে থাকে সেটা বন্ধ করলে আরাম লাগারই কথা। ব্যথা কি জিনিষ কিভাবে বুঝবেন যদি ব্যথা না পান। একইভাবে দিনে পাচবার যদি বিদ্যুত না যায় তাহলে বিদ্যুতের মর্যাদা বুঝবেন কিভাবে।
এখন শীতকাল। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর বেশ জোরেশোরে শোনা গিয়েছিল কি পরিমান বিদ্যুত তৈরী হবে। মন্ত্রী ঘোষনা দিয়েছিলেন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বিদ্যুত উতপাদন করা হবে (কেন কে জানে ?) শীতকালে যখন বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকে তখন ভারতে রপ্তানী করা হবে আর গরমকালে ভারত থেকে আমদানী করা হবে (হয়ত গরমকালে তাদের চাহিদা কম থাকে)।

রাজাকার কাহাকে বলে

Jan 4, 2012
কোন পরীক্ষায় সম্ভবত এপ্রশ্ন করা হবে না এমনকি কোনধরনের ইন্টারভিউতেও না, যদি না সেখানে অতি রসিক বাঙালী থাকেন অবশ্য বাঙালীর রশিকতা নিয়ে প্রশ্ন না করাই ভাল একেবারে তুলনাহীন একজন শীর্ষস্থানী নেতা বেগম খালেদা জিয়াকে প্রশ্ন করেছেন তার স্বামী কোথায় যুদ্ধ করেছেন তিনি জানেন কিনা ইতিহাস বইতে যতদুর লেখা ছিল (বর্তমানের কথা জানা নেই, ইতিহাস প্রতিদিনই পাল্টায়) তিনি কোন সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন, কোথায় যুদ্ধ করেছেন, বীরত্বের কারনে কি খেতাব পেয়েছেন, কখন অতিরিক্ত প্রমোশন পেয়ে সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসার হয়েছে, এই খেতাব এবং প্রমোশন কে দিয়েছে  বরং ইতিহাসে লেখা নেই জনাব তোফায়েল আহমেদ কোথায় যুদ্ধ করেছেন সেটা আগেভাগে লিখে ফেলাই ভাল
বাংলাদেশের মানুষ বাস্তবে জানে না জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন নাকি রাজাকার ছিলেন তিনি যুদ্ধ করেছেন নাকি পাকিস্তানের কাছে যুদ্ধের গোপন তথ্য পাচার করেছেন সেকারনেই রাজাকার কাহাকে বলে বিষয়টি সামনে এসে দাড়ায়

খুশি থাকুন ভাল থাকুন

Dec 30, 2011
রাত এগারটার সময় যদি বলা হয় সবধরনের জ্বালানী তেলের দাম পাচ টাকা করে বাড়ানো হল, বারোটা থেকে এইদামে কিনতে হবে তাহলে আপনার কিছু করার থাকে না। সত্যি বলতে কি এক ঘন্টা কেন, একদিন কিংবা একমাস আগে জানালেও আপনি কিছু করতে পারেন না। বরং জানার পর এটুকু শান্তনা অন্তত পেতে পারেন মাসখানেকের মধ্যে তেলের দাম আরেকবার বাড়বে না। বাড়লে হয়ত গ্যাস কিংবা বিদ্যুতের দাম বাড়বে। আর এই সময়ে বাড়বে আপনার খরচ। গাড়ির তেল কিনুন আর কাজের জন্য কেরোসিনই কিনুন, লিটারপ্রতি পাচ টাকা সরকারের কাছে জমা হবে। যার গাড়ি নেই তারজন্য বাসভাড়া বা ট্যাক্সিভাড়া। যদি পায়ে হেটে চলতে চান তাহলেও রক্ষা নেই। খাবার-দাবার যাকিছু কেনেন সবই ওই তেলের গাড়িতে চলে। তাদের ভাড়াও যাবে আপনার পকেট থেকেই।

ট্যাকা নিবি না!

Dec 24, 2011
বাংলাদেশের কোটিখানেক মানুষ রয়েছেন ভিনদেশে। ভিনদেশে থাকতে থাকতে তারা অনেকসময় ভুলে যান বাংলাদেশের সত্যিকারের পরিচয়। কখনো কখনো যদি কোনভাবে বাংলাদেশের সংস্পর্শে আসতে হয় তখন মনে পড়ে সেসব কথা। এমনই একজন দেশে ফেরার কারনে দুতাবাসে সপ্তাহখানেক ধর্না দিয়ে একসময় মনে পড়ল, আরে ঘুস বলে একটা বিষয় তো আছে।
দেশের মধ্যে যারা থাকেন তারা অবশ্য ভোলেন না। তারা জানেন টাকায় করে কাম মিছে মর্দের নাম।
এক ব্যক্তি সরকারী অফিসে গেছেন কাজের জন্য। আজকাল সরাসরি ঘুস দিয়েও কাজ হয়না, দালাল ধরতে হয়। দালাল যখন অফিসের ভেতরে ঢুকেছেন তখন তিনিও তারসাথে ঢুকে গেছেন। দালাল তাতে বিরক্ত। বারবার বলছেন, আপনি বাইরে যান। একসময় ভদ্রলোক রেগে গেলেন। ঘুরে দাড়িয়ে বললেন, ট্যাকা নিবি না!
এটা একেবারে মোক্ষম ওষুধ। জোকের মুখে লবন দেয়ার মত সাথেসাথে কাজ হয়।

চুরি করুন, কাজ করবেন না

Nov 20, 2011
চুরি সম্ভবত মানবসমাজের সবচেয়ে প্রচীন কাজগুলির একটি। মানুষ যখন শিকার করে জীবিকানির্বাহ করত তখন যার সেটা করার সামর্থ্য ছিল না তাকে চুরি করতে হত। অন্যের সম্পদে ভাগ বসাতে হত গোপনে। চুরি বলতে অবশ্য না বলে সরানো বুঝায় না, রীতিমত বুদ্ধি খাটিয়ে নিজের দখলে আনা বুঝায়। চোরে দক্ষতা এতই বেশি যে প্রবাদ তৈরী হয়েছে, পুলিশের চেয়ে চোর বুদ্ধিমান। আর এর ফল হচ্ছে, সমাজের উন্নতির সাথে সাথে পুলিশ যেমন বেড়েছে তারসাথে পাল্লা দিয়ে চোরও বেড়েছে। পরে দলেই পাল্লায় ভারি। আর পুলিশ আর চোরের পার্থক যে কি সেটাও অস্পষ্ট। কে কাকে চালায় সেটাও বোঝা কঠিন। পরিচিত একজনের মন্তব্য, গাড়ি চুরি হওয়ার ভয় নাই। এসআই মোখলেস গাড়ি চোরের রাজা।

গন্ডারের চামড়া

Nov 19, 2011
বাংলাদেশ থেকে গন্ডার বিলুপ্ত হয়েছে অনেক আগে। যদিও এমন না যে গন্ডারের চামড়া থেকে ভালকিছু হয় কিংবা মানুষ গন্ডারের মাংশ খায়। কারন যাই হোক, গন্ডার নেই এটাই কথা। দেখতে ইচ্ছে হলে চিড়িয়াখানায় গিয়ে বিদেশী গন্ডার দেখতে হয়। তারপরও গন্ডারের চামড়া শব্দটা থেকে গেছে। থেকে গেছে অনেক গল্প। একেবারে প্রচলিত গল্প দিয়েই শুরু করা যাক।
দুবন্ধ গেছেন বনে। তখনো গন্ডার ছিল এমন বনে। একসময় গন্ডারের সামনাসামনি পড়ে গেল এবং গন্ডার তাড়া করল। একজন দৌড়ে পালাল ঠিকই আরেকজনের সেটা সম্ভব হল না। আর কোন উপায় না দেখে একটা গাছে উঠে রক্ষা পেল। মনে ইচ্ছে, গন্ডারটা বিদায় হলে নেমে বাড়ি ফিরবে।

আমরাও পারি

Nov 2, 2011
বাঙালী পারে না এমন কাজ সম্ভবত নেই। যে অর্থেই বুঝুন না কেন, বাঙালী দেখাতে পারে। অন্তত যারা ১০ হাজার টাকার ল্যাপটপ দেখতে চেয়েছিলেন তারা সেটা দেখেছেন। সবগুলি সংবাদ মাধ্যমে দেখানো হয়েছে আর প্রধানমন্ত্রী সেটার উদ্বোধন করে বলেছেন, আমরাও পারি।
আমরাও পারি কথাটির মধ্যে নির্দিষ্ট কাজের উল্লেখ করা হয়েছে। দোয়েল নামের ল্যাপটপ নিজেদের তৈরী, এটাই সেই নির্দিষ্ট কাজ। এর ৬ শতাংশ যন্ত্র দেশেই তৈরী হয়েছে। আগামী ৬ মাসে ৬০ শতাংশ তৈরী হবে। যদি নিতান্তই বাচাল হয়ে থাকেন তাহলে আরেকটু আগ বাড়িয়ে বলতে পারেন, ৬ মাসে ৬০ শতাংশ, ১০ মাসে শত শতাংশ। ইন্টেল-এএমডিকে দেখিয়ে দেব আমরাও পারি।

কোটি টাকায় বাচুন

Oct 30, 2011
বেসরকারী টিভি চ্যানেলের একজন জনপ্রিয় সাংবাদিকের কাছে চাদা চাওয়া হয়েছে ৫ কোটি টাকা। এত গুরুত্বপুর্ন একজন ব্যক্তির খবর গোপন থাকে না। খবরটা প্রকাশ পেয়েছে। উত্তরে তারকাছে খামে ভরে দুখানা বুলেট পাঠানো হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ কি করেছে সে প্রশ্ন করবেন না। কদিন আগে আরেকজন মহিলা থানায় গিয়েছিলেন চাদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। তার সামনেই থানার কর্মকর্তা মোবাইলে ফোন করলেন সেই চাদাবাজের কাছে। তাদের নাম্বার থানার সবার জানা এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আর ফোনে হাই-হ্যালো করাটাও যে সকাল-বিকেলের রুটিন তাকেও সন্দেহ নেই। সেটা দেখার বিষয়ও না। দেশ চালাতে হলে সবাইকে সাথে নিয়ে গনতান্ত্রিকভাবে চলতে হয়। সরকারের হাতে একদিকে পুলিশ-র‌্যাব আরেকদিকে এলাকার বঢ়ভাই, এরাই তো সরকারের ক্ষমতা।
দেখার বিষয় হচ্ছে কোটি টাকা। বাংলাদেশে কোন টিভি সাংবাদিক কোটিটাকার মালিক হন না। বিবিসির সাংবাদিকের মন্তব্য অনুযায়ী সম্ভবত বিশ্বের কোনদেশেই হন না। ৫ কোটি টাকা তিনি দেবেন কোথা থেকে ?
নিতান্তই সরকারবিরোধী হলে বলতে পারেন কারন আসভে অন্যখানে। তিনি প্রায়ই টকশো পরিচালনা করেন, নানারকম আজেবাজে কথা বলেন, দেশের-সরকারের ভাবমুর্তি নষ্ট করেন। তাই ওইসব পাড়ার ভাইদের মাধ্যমে একটু বার্তা পৌছানো। তারাও জানে ৫ কোটি টাকা পাওয়া যাবে না।
কথাটা কিছুটা বিশ্বাসযোগ্য তো বটেই। টাকা যদি না থাকে তাহলে দেবেন কোথা থেকে ? খটকা লাগল আরেক ঘটনার সাথে মিল দেখে।

কাল্পনিক টক শো

Oct 6, 2011
এই গল্পের সমস্ত চরিত্র এবং ঘটনা কাল্পনিক, কাহারও সাথে মিল ঘটিলে সেজন্য লেখক দায়ী নন এধরনের ডিক্লারেশন গল্পে-উপন্যাসে-নাটকে-সিনেমায় পাওয়া যেত কেন পাওয়া যেত সেটাও আপনার জানা আপনি গল্প লিখে বা নাটক করে ইংরেজদের সমালোচনা করবেন, জনগনকে খেপিয়ে তুলবেন সেটা হবে না কাজেই আইন অনুযায়ী সেটা শাস্তিযোগ্য
১৯৪৭ সালে ইংরেজরা এদেশ থেকে চলে গেছে কারন নিয়ে অনেকে অনেক মত দিতে পারেন দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে তাদের ক্ষতি থেকে শুরু করে পরিবর্তিত বিশ্ব সবকিছুই কারন যাই হোক, বাস্তবতা হচ্ছে তাদের বেশকিছু আইন (সামান্য হলেও) পরিবর্তন হয়েছে স্ পিরিবর্তনের সুর ধরে ওই ডিক্লারেশন এখন চোখে পড়ে না আজকাল খোলাখুলি ভাবেই গল্প লেখা যায়
আসলেই কি ?

ডিজিটাল পুলিশ

Sep 28, 2011
আপনি যদি ঢাকা শহরে ফার্মগেট এলাকায় যায় এবং ধাক্কা-গুতো-ট্রাফিকজ্যাম এড়িয়ে ওপরদিকে তাকানোর সুযোগ পান তাহলে জ্বলজ্বল ডিজিটাল বানী দেখতে পাবেন, ‌পুলিশের বৈধ আদেশ মেনে চলুন
ফার্মগেট এলাকায় থেকে একথার মর্ম উদ্ধার করা কঠিন সত্যি বলতে কি পুরো বাংলাদেশে যেমন ট্রাফিক জ্যাম এবং গুতোগুতির মধ্যে থাকে তাতে এধরনের বানী মস্তিস্কে প্রবেশ করার মত অবস্থা থাকে না তারপরও যদি কোনভাবে সেটা ঘটেই যায়,
আপনি হয়ত ভাবতে শুরু করলেন কথাটার মানে কি পুলিশ বৈধ আদেশ দিলে মানতে হবে, অবৈধ আদেশ দিলে না মানলেও চলবে তারমানে আগে হিসেব করতে হবে আদেশটা বৈধ না অবৈধ বাস্তবে বিষয়টা ঘটবে কিভাবে
পুলিশ আপনার কাছে ঘুষ চাইলে সেটা নিশ্চয়ই অবৈধ (কারনে-অকারনে তারা সেটা চাইতেই পারে কটাকাই বা বেতন পায় বেচারা) সেটা দেবেন না পুলিশ ছিনতাই, ডাকাতির ঘটনাও ঘটায় তখন তাদের কথা মানবেন না ফল হিসেবে আপনার নামে ছিনতাই-ডাকাতির মামলা দেয়া হবে সেই মামলার তদন্তও করবে পুলিশ কেমন যেন গোলমেলে ঠেকছে বিষয়টা

বানরের হাতে লাঠি দেবেন না

Sep 7, 2011
তামাসা সবাই পছন্দ করে বাঙালী সম্ভবত একটু বেশিই আর যদি নেতাগোছের কেউ হন, অন্যের ওপর তামাসা করা তখন অধিকারে পরিনত হয়
এনআইডর কথাই ধরুন না কেন শুরু হয়েছিল ছবিসহ ভোটার আইডি হিসেবে আপনি যদি ভোটার হন, অন্যকথায় বয়স যদি ১৮ বছর হয় তাহলে নাম লেখানোর সুযোগ পাবেন নিজের ছবিসহ একটা কার্ড পাবেন তারসাথে যোগ করা হল, এই কার্ড দেখালে সাথেসাথে ব্যাংকএকাউন্ট, পাশপোর্ট ইত্যাদি সব কাজ হবে বিবর্তনের ফলে সেটাই হয়ে দাড়াল এনআইডি আপনার পরিচয় ওটাই ১৮ বছর বয়স যখন হবে, নিজের ণাম বাপের নাম মায়ের নাম হাতের ছাপ পায়ের চাপ সবকিছু দিয়ে একটা কার্ড হাতে পাবেন তখন আপনি বাংলাদেশের নাগরিক যদি সেটা হাতে না থাকে ব্যাংকে যাবেন না, মোবাইল ফোনে হাত দেবেন না, ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন না এতদিন বলা হয়েছে এটা বাধ্যতামুলক না এখন বলা হচ্ছে সেটা বাধ্যতামুলক এর পেছনের ব্যক্তিরা নিশ্চিত হয়েছেন বস্তুটা সকলের হাতে আছে পুরনো কথার জের টেনে বলতে হয়, বাংলাদেশে সকলের বয়স এখন ১৮ এর ওপর

নিয়তির হাতে দেশ

Aug 14, 2011
সৃষ্টিকর্তার হুকুম ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না। এরচেয়ে খাটি কথা বোধহয় বাংলাদেশে নেই। এর আগের সরকারের সরকারের একজন মন্ত্রী তো লঞ্চ দুর্ঘটনার পর বলেই বসলেন, জীবন-মৃত্যু আল্লার হাতে। তার সমালোচনা এখনও থামেনি, সুযোগ পেলেই তখনকার বিরোধীদল, বর্তমানের সরকারীদল সেকথা শুনিয়ে দেন।
মানুষ দিনবদলের জন্য ভোট দিয়েছে মহাজোটকে। ভোটে দিয়ে একেবারে পাহাড়ের চুড়ায় উঠিয়েছে। আর দিনবদল তারা করেছেন। এখন দেশ চলছে নিয়তির নির্দেশে। মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাবে কিনা নেটা নির্ভর করে তার কপালে মৃত্যু আছে কিনা। কদিন আগে একদল স্কুলশিশু জীবন দিল। সারা দেশে ৩ দিনের শোক। খবরে জানা গেছে কোন এক স্কুল শোক পালন করতে স্কুল বন্ধ না করায় শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আরকিছু না থাক জয় বাংলার লোক না হলে শাস্তি দেয়ার ক্ষমতা সরকারের আছে। অনেকে হয়ত ভাবতে শুরু করেছিলেন কিছু একটা ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিন্তু লাউ সবসময়ই কদু। কয়েকটা মহাসড়কে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন বাস মালিকেরা। কারন রাস্তা চলাচলের উপযোগি না। এরই ওপর খবর এল বাংলাদেশের দুজন খ্যাতনামা ব্যক্তি মারা গেছেন গাড়ির ধাক্কায়।
এই মৃত্যু নিয়ে উল্লেখ করার প্রয়োজন ছিল না। প্রতিদিন বহু মানুষ মারা যাচ্ছে। আরো যাবে। কিন্তু এই দুজন এমনই ব্যক্তিত্ব যারা নিজেদের পরিচিতি তৈরী করেছেন নিজের কীর্তি দিয়ে। এমন ব্যক্তির সংখ্যা বাংলাদেশে খুব বেশি নেই।

আর কি দেখার আছে

Aug 12, 2011
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ফ্লপ মেরেছে বহু আগে। একসময় রমরমা ব্যবসা ছিল যে নাট্যশিল্পের, যেখানে লাখো মানুষ জীবিকা নির্বাহ করছে সেটাও ধ্বংশের মুখে। কারন আরকিছু না, প্রতিদ্বন্দিতা। মানুষ রসালো কিছু চায়। সংবাদমাধ্যম এতটাই রসালো সংবাদ দিচ্ছে যে তারকাছে নাটকের নাটকিয়তা তুচ্ছ। ওসব দেখে কে ?
ট্রাফিক পুলিক মোটর সাইকেল চালকের কাগজপত্র দেখতে চাওয়ায় পিটিয়েছে ছাত্রলীগ নেতা এসব ছোটখাট খবরে আজকাল মানুষের মন ভরে না।  তাদেরও অর্ভেস হয়ে গেছে ধারাবাহিকে। রেমাঞ্চকর বনর্নায়। লিখেই হোক আর টিভি ক্যামেরার সামনেই হোক। তারাও প্রত্যাসা পুরন করছেন ভালভাবেই।

হাত থাকতে মুখে কেন

Aug 9, 2011
অনেক সময় মনে হয় এটাই শেষ। আর এনিয়ে কথা বলব না। কিন্তু কথা না বলে উপায় কি ? ঘটনা যখন প্রতিদিন ঘটছে। একদিনের ঘটনা আগের দিনের থেকে চিত্তাকর্ষক। সমস্ত চেতনা যখন ঢেকে থাকে সেই ঘটনায়।
ছয জন ছাত্রকে পিটিয়ে মারা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে পিটিয়ে তারনামে ডাকাতি মামলা দেয়া হয়েছে, এক কিশোরকে জনতার হাতে তুলে দিয়ে পিটিয়ে মারা হয়েছে, তাকেও বানানো হয়েছে ডাকাত। এসব নিত্যদিনের খবর। ক্রশফায়ারের খবর কিচুটা কমেচে, সেইসাথে বেড়েছে অন্য ধরনের খবর। পুলিশ পরিচয়ে ধরে নিয়ে যাওয়া হল এক যায়গা থেকে, লাশ পাওয়া গেল আরেক জেলায়। কে মেরেছে কেউ জানে না। কারো দায় নেই।
আসলে বাংলাদেশের কোন কিছুরই দায় কারো নেই। প্রধামন্ত্রী নবীর পর্যায়ে চলে গেছেন। তিনি উপদেশ দেন। ব্যবসায়ীদের উপদেশ দেন লাভ কম করতে, চিকিতসকদের উপদেশ দেন গরীবদের বিনামুল্যে চিকিতসা দিতে, শিক্ষকদের উপদেশ দেন সুশিক্ষা দিতে। মুল দায়িত্ব অন্যদের। তারা যদি দায়িত্বপালন না করেন সেই দায় তারওপর দেবেন কেন ? তিনি তো জাতির জনক কন্যা।
 

Browse