চাচা এবং ভাতিজা বসে আলাপ করছে। ভাতিজা বলল, চাচা আইজ হাটে গেছিলাম।
চাচা বলল, যাবি না। বাড়ি বইসা থাকবি!
ভাতিজা বলল, একটা কুমড়া লইয়া গেছিলাম।
চাচা বলল, যাবি না। খালি হাতে যাবি ? এতবড় দামড়া পোলা।
ভাতিজা বলল, একজন আইসা কুমড়ার দাম জিজ্ঞাস করল।
চাচা বলল, করব না! এমনিই লইব ?
ভাতিজা বলল, আমি কইলাম ২০ টাকা।
চাচা বলল, কবি না! এমনি দিবি কুমড়াডা ?
ভাতিজা বলল, সে কইল ৫ টাকা।
চাচা বলল, কইব না! সে কি কুমড়ার দাম জানে না ?
ভাতিজা বলল, আমি কইলাম বাপের পুষ্যি কুমড়া খাইছ কোন দিন ?
চাচা বলল, ঠিক করছিস। অতবড় কুমড়াটা ব্যাটা ৫ টাকায় নিতে চায়।
ভাতিজা বলল, তহন একজন পুলিশ আইল।
চাচা বলল, আইব না। ভদ্রলোকের পোলারে তুই কস বাপের পুষ্যি কুমড়া খাইছ কোনদিন। দেখ না কি হয়।
ভাতিজা বলল, পুলিশ আইসা কুমড়ার দাম জিজ্ঞাস করল।
চাচা বলল, করব না! পুলিশ বইলা কি অমনেই নিব।
ভাতিজা বলল, আমি কইলাম ২০ টাকা।
চাচা বলল, ঠিক করসছ। পুলিশ দেইখা ডরাইবি না।
ভাতিজা বলল, পুলিশ কইল ৫ টাকা।
চাচা বলল, কইব না। পুলিশ বইলা কি দাম জানে না।
ভাতিজা বলল, আমি কইলাম বাপের পুষ্যি কুমড়া খাইছ কোন দিন।
চাচা বলল, সাবাস। পুলিশ দেইখা ডরাইবি না।
ভাতিজা বলল, তখন পুলিশ আমারে থানায় নিয়া গেল।
চাচা বলল, নিব না! তুই পুলিশরে কস বাপের পুষ্যি কুমড়া খাইছ কোন দিন।
ভাতিজা বলল, থানায় নেওয়ার পর বড় সাব আইল।
চাচা বলল, আইব না! দেখ না আরো কত কি হয়।
ভাতিজা বলল, বড় সাব আইসা আমারে ছাইড়া দিল।
চাচা বলল, দিব না! তুই যে রহিমুদ্দির ভাইয়ের পোলা।
পুনশ্চ : অনেক বছর আগে জসিমউদ্দীনের বাঙালির হাসির গল্পে পড়া। বর্ননায় তারতম্য ঘটতে পারে।
0 comments:
Post a Comment