ফ্রয়েড বলেছেন সব মানুষই স্বপ্ন দেখে। কিছু মানুষ ভাল স্বপ্ন দেখে তারপর উঠে সেটা কাজে লাগাতে চেষ্টা করে। আর অধিকাংশ মানুষ আরো ভাল স্বপ্ন দেখার জন্য ভাল করে ঘুমায়।
ভাগ্যক্রমে যদি প্রথম দলের কয়েকজন একসাথে হয় তাহলে একটা কোম্পানী গড়ে ওঠে। কাজ করে রীতিমত চমক সৃষ্টি করে। পত্রিকায় ছবি-সাক্ষাৎকার ছাপা হয়। তারপর,
একসময় লাভক্ষতির হিসেব শুরু হয়। লোকে বলে পার্টনারশীপ ব্যবসায় গন্ডগোল হয় দুকারনে। এক, ব্যবসায় লাভ হলে। আরেক, ব্যবসায় ক্ষতি হলে। দুযায়গাতেই হিসেব নিয়ে টানাটানি। চারজনে মিলে আয় করলাম লাখ টাকা আর ভাগে পেলাম মোটে ২৫ হাজার। এটা কি সহ্য হয়। একা করলে পুরোটাই আমার হত। ওদের ভাগ দিয়ে কাজ কি। আমি কিসে কম!
কাজেই, কোম্পানী ভাগ হল। দুজন দুজন করে দুটি, কিংবা একেবারে চারজনের চার কোম্পানী তৈরী হল। প্রত্যেকেরই লক্ষ্য পুরোটাই তার পকেটে যাবে। একেবারে পুরো কেকটাই নিজের গালে। ইংরেজিতে ওরা বলে ছোট কেকের বড় টুকরো। বিপরীত অবস্থা হচ্ছে বড় কেকের ছোট টুকরো। ওরা ছোট টুকরোতে বিশ্বাসী। সেটাই নাকি ছোট কেকের বড় টুকরোর চেয়ে বড়। আমি টুকরো-টাকরায় বিশ্বাস করি না। পুরোটাই আমার।
ইংরেজরা নাকি বাঙালী সম্পর্কে বলেছিল, একা ভিতু - একসাথে
থাক সেকথা। ওরা আমাদের ভাল চায় না। সবসময় আমাদের দুর্নাম করে। অপপ্রচার করে। যতরকমভাবে ক্ষতি করার করছে। এমনকি বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড ছড়িয়ে আমাদের দেশ ডুবাচ্ছে। আশা ছিল কোপেনহেগেনে কিছু দান করবে, সেটাও হল না।
আগের কথায় ফিরি। ইউরোপিয়ান-আমেরিকানরা একা চলতে ভয় পায়। যখন দেখে কেউ ডুবছে তখনই আরেকজনের দিকে হাত বাড়ায়। আবার কেউ যখন দেখে অমুকে ভাল করছে তাকে সাথে নিলে নিজের লাভ তখন সেও হাত বাড়ায়। মাইক্রোসফট হাত বাড়ায় ইয়াহুর দিকে, গুগল হাত বাড়ায় ইউটিউবের দিকে। একসাথে বড় একটা কেক বানায় তারপর ছোটছোট টুকরোয় ভাগ করে।
আমি ওপথে নেই। আমার সবসময়ই বড় টুকরো চাই।
কি বললেন! যদি কেক তৈরী না হয় !!
তখন দেখা যাবে-
0 comments:
Post a Comment