ডিজিটাল পুলিশ

Sep 28, 2011
আপনি যদি ঢাকা শহরে ফার্মগেট এলাকায় যায় এবং ধাক্কা-গুতো-ট্রাফিকজ্যাম এড়িয়ে ওপরদিকে তাকানোর সুযোগ পান তাহলে জ্বলজ্বল ডিজিটাল বানী দেখতে পাবেন, ‌পুলিশের বৈধ আদেশ মেনে চলুন
ফার্মগেট এলাকায় থেকে একথার মর্ম উদ্ধার করা কঠিন সত্যি বলতে কি পুরো বাংলাদেশে যেমন ট্রাফিক জ্যাম এবং গুতোগুতির মধ্যে থাকে তাতে এধরনের বানী মস্তিস্কে প্রবেশ করার মত অবস্থা থাকে না তারপরও যদি কোনভাবে সেটা ঘটেই যায়,
আপনি হয়ত ভাবতে শুরু করলেন কথাটার মানে কি পুলিশ বৈধ আদেশ দিলে মানতে হবে, অবৈধ আদেশ দিলে না মানলেও চলবে তারমানে আগে হিসেব করতে হবে আদেশটা বৈধ না অবৈধ বাস্তবে বিষয়টা ঘটবে কিভাবে
পুলিশ আপনার কাছে ঘুষ চাইলে সেটা নিশ্চয়ই অবৈধ (কারনে-অকারনে তারা সেটা চাইতেই পারে কটাকাই বা বেতন পায় বেচারা) সেটা দেবেন না পুলিশ ছিনতাই, ডাকাতির ঘটনাও ঘটায় তখন তাদের কথা মানবেন না ফল হিসেবে আপনার নামে ছিনতাই-ডাকাতির মামলা দেয়া হবে সেই মামলার তদন্তও করবে পুলিশ কেমন যেন গোলমেলে ঠেকছে বিষয়টা

ফাউ ইনকাম

Sep 25, 2011
রাব্বানা আটানা ফির দুআনা দশ আনা, একে একসময় ফাউ ইনকাম বলা হত সামনে হাত (অথবা থালা) বাড়িয়ে এধরনের কিছু কথা আওড়ালে পাওয়া যায় একে ফাউ ইনকাম বলা যুক্তযুক্ত কিনা ভেবে দেখা প্রয়োজন
কেউ যখন সিড়ি বেয়ে চারতলায় উঠে বলেন হাটতে পারি না, সাহায্য দেন তখন আপনাকে মনে করতেই হয় কাজটা খুব সহজ না হাটতে না পেরেও চারতলায় উঠেছে হাটতে পারলে চল্লিশ তলায় উঠতেও আপত্তি ছিল না রীতিমত কষ্ট করে আয়, একে ফাউ বলবেন কেন ?
একসময় অফিসেব বাড়ি আয় হলে তাকেও বলা হত ফাউ ইনকাম, কিংবা উপরি ইনকাম কিন্তু ভেবে দেখেছেন কি এজন্য কত মেধা খরচ করতে হয় বহু টাকা খরচ করে, নেতা-মন্ত্রী ধরে বসার যায়গা পেতে হয় এগুলি অগ্রিম বিনিয়োগ তারপর প্রতিনিয়ত চোখকান খোলা রাখা, কখন কোন ফাইল কতটুকু নড়ল, কার হাতে কত দিতে হবে সব জটিল জটিল হিসেব নিউটনের ক্যালকুলাস এত জটিল হিসেব মিলাতে হিমসিম খেয়ে যায় তাকে বলছেন ফাউ! এ-যে একেবারে রক্ত পানি করা আয়

মাথার ব্যামো

Sep 23, 2011
তার যে এমন মাথার ব্যামো কেউ কি সেটা জানতো ? প্রশ্ন করেছিলেন সুকুমার রায়
কেউ জানত না কারন মাথার ব্যামো দেখা যায় না কোন কারনে প্রকাশ ঘটলে লক্ষন দেখে সেটা সম্পর্কে ধারনা করা যায় যেমন দেখাল সামনে দাড়ানো ওই লোকটা
বেশ নাদুস নুদুস চেহারা, শান্তশিষ্ট মুখ, গোবেচারা ভঙ্গিতে দাড়িয়েছিল দেখে মনে হতে পারে কয়েক ঘন্টা দাড়িয়ে থাকলেও তার কোন পরিবর্তন হবে না কিন্তু পরিবর্তন ঘটল সামনে একটা বাস দেখা গেল এগিয়ে আসছে আর তখনই তার মাথার ব্যামো চাগিয়ে উঠল পড়িমড়ি করে একটা দৌড় দিল, একজনকে ধাক্কা দিয়ে ঘুরিয়ে দিল, তারপরের জন্যকে উল্টে ফেলল কোনদিকে বিন্দুমাত্র ভ্রক্ষেপ না করে বাস থামার আগেই হাতল চেপে ঝুলে পড়ল

চাদের উল্টোপিঠ

Sep 19, 2011
বিজ্ঞানীরা বলেছেন আমরা সবসময় চাদের একপিঠ দেখি এই একটা দিকেই আমরা ১৬ কলার খেলা দেখতে পাই, আরেকপিঠ সবসময় দৃষ্টির আড়ালে থাকে
বিজ্ঞানীদের কথা অবিশ্বাস করা যায় না বহুধরনের প্রমান তাদের হাতে চাদের একপিঠ দেখেই আমরা সন্তুষ্ট বাস্তব জীবনে আমরা যাকিছু দেখি, যেভাবে দেখি সেখানে বিষয়টা এত সরল না সেখানেই তৈরী হয় বিপত্তি
ডব্লিউ ডব্লিউ ই খুব ভাল একটা উদাহরন একদিকে আন্ডারটেকার আরেকদিকে ট্রিপল এইচ মনেহয় একে অন্যকে মেরে ফেলবে রীতিমত বিশাল হাতুরি দিয়ে কিংবা একদিকে র‌্যান্ডি অরটন আরেকদিকে সি এম পাংক
এটা রিংএর মধ্যে, কখনো রিংএর বাইরে তারা যেখানে যান সাথে ক্যামেরাও যায় কিংবা আগেই ক্যামেরা অপেক্ষা করে তারা গোপনে কি শলাপরামর্শ করছেন সেটা জানানোর জন্য

টম এন্ড জেরি

Sep 17, 2011
টম আর জেরির কীর্তি দেখতে কেনা পছন্দ করে যে শিশুর দাত ওঠেনি সে থেকে শুরু করে যে বৃদ্ধের সব দাত পড়ে গেছে আর এদের মাখানে দাতঅলা যত, সকলেই একজন আরেকজনকে তাড়া করছে অপরজন কখনো প্রানের ভয়ে পালাচ্ছে, কখনো উল্টো কৌশল খাচ্ছে ইংরেজিতে বলে ট্রিক অর ট্রিট
আপনি নিশ্চয়ই এত বোকা নন যে বক্তব্য কি সেটা বোঝেননি এরই মধ্যে বুঝে গেছেন জীবন মানেই ট্রিক অর ট্রিট কৌশলে বাচবেন অথবা পালাবেন যত গল্প, উপন্যাস, নাটক, সিনেমা সবার বক্তব্য একই এক পক্ষের সাথে আরেক পক্ষের বিরোধ এর ইতিহাস কতটা পুরনো যদি জানতে চান সেটাও জানিয়ে গেছেন ডারউইন এর শুরু যুগের শুরু থেকে পারলে টিকে থাকুন নইলে বিলুপ্ত হয়ে যান, এটাই প্রানের ইতিহাস মাঝামাঝি কিছু নেই
কোন কোন মানুষ ভবিষ্যত নিয়ে কথা বলেন কারো কাছে ওসব সাইন্স ফিকশন, কারো কাছে গাজাখুরি (গাজার বদলে হিরোইন শব্দের প্রচলন হলে ভাল হত), কারো মতে আবার ওটাই বাস্তবতা

ছড়ায় ছড়ায় ডিজিটাল

Sep 15, 2011
শিশুদের ছড়া মুখস্ত করানোর পদ্ধতি কেন প্রচলন করা হয়েছিল সেটা হয়ত বিশেষজ্ঞরা ভাল বলতে পারবেন হয়ত এতে স্মরনশক্তি বৃদ্ধি পায় ছন্দে ছন্দে কোন বিষয়কে গেথে রাখা হয় মস্তিস্কে এমনভাবে যা বাকি জীবনে মুছে যায় না সেইসাথে মস্তিস্ককে ব্যস্ত রাখা হয় নির্দিষ্ট কাজে মস্তিস্ক সতেজ হয় মস্তিস্ক বিষয়টি অন্যান্য যন্ত্র থেকে আলাদা সব যন্ত্রই ব্যবহার করলে ধার কমে, মস্তিস্ক ব্যবহার করলে আরো ধারালো হয় যদি মস্তিস্ক অন্য যন্ত্রের নিয়মে চলত, ব্যবহার না করলে টাটকা থাকত তাহলে বলা যেত বাঙালীর মস্তিস্কের মত টাটকা আরকিছু নেই সেটা কখনো ব্যবহার হয় না
 

Browse