মনস্তত্ববিদ বলেন আসলে পাগল বলে কিছু নেই। প্রত্যেক ব্যক্তির চিন্তার নির্দিষ্ট ধরন থাকে। ধরন শব্দটা যদি বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে বাংলায় প্যাটার্ন বলতে পারেন। সেই প্যাটার্নের সাথে মিল করে একজন অপরজনকে বিশ্লেষন করে। যখনই গড়মিল দেখা যায় তখন তাকে পাগল সাব্যাস্ত করে।
একজন শিশুকে সেই অর্থে অনায়াসে পাগল বলতে পারেন। তাদের হিসেব বয়স্কদের হিসেবের সাথে মেলে না। শিশু আর যাই ভাবুক কিভাবে অনেক টাকার মালিক হবে সেটা ভাবে না। তাদের জগত আলাদা। সবই পাওয়া যায়, সবই হওয়া যায়। কিছু করতে হয় না। একমাত্র পাগলই কিছু না করে সবকিছুর মালিক হতে আশা করে।
শিশুদের সাথে কথা বলার সমস্যাও অনেক। অন্তত যদি কথায় কথায় ধমক দেয়ার অভ্যেস না থাকে। ধমকে তারা আর শিশু থাকে না, পাগলামি ছেড়ে বাস্তববাদি হয় একথা যদি মাথায় থাকে। সেক্ষেত্রে অনেক সময়ই তাদের প্রশ্ন সামলানো কঠিন হয়ে দাড়ায়। অনেকসময় রীতিমত নাজেহাল অবস্থায় ফেলে নিজের বুদ্ধি জাহির করতে চায়য়।
যেমন ধরুন, মানুষ কোন শব্দ সবচেয়ে বেশি বলে ?
মানুষের কাছে নিজের নাম সবচেয়ে প্রিয় শব্দ একথা অনেকবার শুনেছি। কিন্তু সেটা উত্তর হতে পারে না। কেউ নিশ্চয়ই নিজের নাম উচ্চারন করে না সবসময়। আমার বুদ্ধিতে বলে সম্পর্ক বিষয়ক শব্দ যা কমবেশি সকলেই কথার শুরুতে-মাঝে-শেষে ব্যবহার করে। কিন্তু এর প্রশ্নের কারন নিশ্চয়ই সেটা না। এখনও বুঝে ওঠেনি কাউকে ঘায়েল করার জন্য মোক্ষম শব্দ খুজতে হয়, সেগুলি অনবরত ব্যবহার করতে করতে ঠোটস্থ করতে হয়। এর বক্তব্য নিশ্চয়ই আলাদা।
তাকেই উল্টো প্রশ্ন করতে হয়, কোন শব্দ ?