ব্যবসা মানেই অগ্রগতি

Nov 25, 2010
বিশেষ একটা ব্রান্ডের সাবান মাখলে সারাদিন মনের আনন্দে থাকা যায় সেটা নিশ্চয়ই জানেন। কিংবা এক বোতল এনার্জি ড্রিংক খেলে নাচতে জানুন বা নাই জানুন, মনের আনন্দে নাচতে থাকবেন সেটাও জানেন। কিংবা বিশেষ সেন্ট গায়ে মাখলে রাস্তায় যত সুন্দরী মেয়ে আছে সবাই পড়িমড়ি করে আপনার দিকে ছুটে আসবে সেটাও জানেন।
আমি বিজ্ঞাপনের কথা বলছি। কিংবা বলতে পারেন ব্যবসার কথা, কিংবা ব্যবসায়ী কথা। তারা যা বলেন সদাসত্য বলেন। এমনকি দেশ কিভাবে চালাতে হবে সে বিষয়েও।
হরতাল দেশের অর্থনীতি ধ্বংশ করে, মানুষকে পংগু করে। কাজেই হরতাল করবেন না। প্রয়োজনে হরতালের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা মাঠে নামবে (অস্ত্র হাতে কিনা সেটা উহ্য)। মন্ত্রীও খুব উতসাহ পেয়েছেন সেকথা শুনে। ব্যবসায়ীরা যখন দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিচ্ছে তখন ....
ব্যবসায়ীরা সবই পারেন। দেশ কিভাবে চলবে পরামর্শ দিতে পারেন, দেশ চালাতে পারেন। আর নেতা আর ব্যবসায়ীর পার্থক্যই বা কোথায়। যিনি ব্যবসায়ী তিনিই যে নেতা। তিনিই মন্ত্রী। কাজেই তারা এমন কথা বলতেই পারেন। তবে একটা কাজ তারা পারেন না। গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীগুলির জন্য আইন করা হয়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক বর্জ নদিতে ফেলার আগে শোধন করতে হবে। সেটা তারা মানাতে পারেন না। তাতে খরচ বাড়ে। পেটেভাতে কাজ করে যে শ্রমিক তার বেতন বাকী রাখা বন্ধ করতে পারেন না। তাতেও খরচ বাড়ে। প্রবাদ আছে কাক কাকের মাংশ খায় না। তারা ব্যবসায়ী হয়ে আরেক ব্যবসায়ীর ক্ষতি করবেন তাতো হয় না। তাদের কত প্রতিযোগিতা করে ব্যবসা করতে হয়। তাদের লাভের বিষয়টা তো দেখবেন। নইলে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক বেকার হবে যে। ক্রেতারা বেশি টাকা দিতে চায় না।
অবশ্য আমেরিকা ইউরোপের ক্রেতারা অন্য কথাই বলেন। তারা ইচ্ছে করলেই বেশি টাকা দিতে পারেন কিন্তু সেটা যাবে কোথায় ? যে টাকা শ্রমিকের খাবারের ব্যবস্থা হয় সেই টাকা বাকী থাকে কিন্তু মালিকের কোটি টাকার গাড়ি কেনা বন্ধ থাকে না যে!
দেশের কথা সবাইকে ভাবতে হয়। একেবারে গন্ডগ্রামের যে কৃষক সেও ভাবে। সংখ্যায় তারাই সবথেকে বেশি। নির্বাচনে তারা বিএনপিকে ভোট দেয়নি কারন তাদের রাষ্ট্রপরিচালনার দুর্গন্ধ। হরতালে দেশের ক্ষতি হয় সেকথাই বা বলছে কে ? আওয়ামী লীগের গা থেকে হরতালের দুর্গন্ধ কি বিদায় হয়েছে ? বিরোধী দলে থাকলেও হরতাল দেব না এমন কথা দিয়েও দিন-তারিখ ঘোষনা করা হয়েছিল সরকার পতনের। গিনেস বুকে হরতালের রেকর্ড যদি থেকেই থাকে সে তো তাদেরই। সরকারে যাওয়ার সাথেসাথে রঙ পাল্টালো কিভাবে ? আবার কি কথা দেবেন বিরোধী দলে থাকলেও ....
কথা হচ্ছিল ব্যবসায়ীদের নিয়ে। তারা দেশের জন্য সদা ভাবেন। কখন কে সরকার তাতে কি আসে যায়, হাত বাড়াতে হয় সরকারের দিকে। বিরোধী দলের কাছে হাত পেতে লাভ নেই।
মানুষ যখন ডুবতে থাকে তখন সামনে যা দেখে তাকেই আকড়ে ধরতে চায়। বিএনপিকে মানুষ সমর্থন করছে না কারন তারা খারাপ থেকে ভাল কি দেবেন সেটা পরিস্কার করেননি। যে কারনে খারাপ আরো খারাপ হচ্ছে। এখন ব্যবসায়ীরা যদি রাজনীতিতে অবদান রাখতে থাকে তাহলে সেটা খারাপ থেকে ভয়ংকর হবে, ইতিহাস সেটাই বলে।
ব্যবসা এবং দেশ চালনা দুটো পৃথক বিষয়। ব্যবসার উন্নতি লাভে, দেশের উন্নতি কল্যানে। আর ব্যবসায় কল্যান বিষয়টি অনুপস্থিত।

অবশেষে

Nov 14, 2010
অবশেষে বেগম খালেদা জিয়াকে ৬০০ কোটি টাকার সম্পদ ছেড়ে যেতে হল। কিংবা বলতে পারেন ৬০০ কোটি টাকার সম্পদের অবৈধ দখলমুক্ত করল সরকার। তিনি কখনোই স্বেচ্ছায় যেতেন না। এখন দাম ৬০০ কোটি টাকা, ভবিষ্যতে আরো বাড়বে। তখন বিক্রি করে বহু টাকার মালিক হবেন এই আশায় সেখানেই থেকে যেতেন। কাজেই, সরকার দেশের সম্পদ উদ্ধার করে একটি পবিত্র, মহান দায়িত্ব পালন করল।
মুল পথের আশেপাশে যেমন অসংখ্য অলিগলি থাকে আপনি চাইলে তেমনি অলিগলি দেখতে পারেন। মানে নানারকম যুক্তি আরকি। যেমন তিনি কোর্টের রায় মেনে স্বেচ্ছায় চলে গেছেন, তার সাড়ে তিন দশকের সংসারের সবকিছু ফেলে। তাকে ধন্যবাদ জানাতেই জানালা কেটে, দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকা হয়েছিল। কোর্টে যে আবেদন করেছেন, কোর্ট যে সময় নিয়েছে মাসের শেষ পর্যন্ত ওসব আসলে কিছু না। কোর্ট কি জানাবে সেটা আগেই জেনে খুশি হয়ে চলে গেছেন।
অন্যদিকেও দৃষ্টি দিতে পারেন। আকারে ইঙ্গিতে এরই মধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে কাজটি সরকার করেনি। করেছে সেনাবাহিনী। জনগনের সরকার এমন কাজ করতেই পারে না।
কিংবা যে কথাগুলি এতদিন ধরে প্রচার করা হয়েছে সেগুলি আবারও জাবর কাটতে পারেন। ক্যান্টমেন্টের মধ্যে বেসামরিক বসবাস নিষেধ (কোন আইনে কে জানে ? বনানী, মিরপুরসহ আশেপাশের অনেক এলাকা ক্যান্টমেন্টের নিজস্ব। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের নিজস্ব আইনে নাকি বলা আছে কমপক্ষে ১০ হাজার বেসামরিক লোক থাকতে হবে ক্যান্টমেন্ট এলাকায়), কিংবা ক্যান্টনমেন্টে বসে রাজনীতি করা যায় না (বানিজ্যমন্ত্রী যেখানে বাস করেন তাকে ক্যান্টমেন্টে বাস করা বলা যায় না। তিনি বর্তমান মন্ত্রী) ইত্যাদি ইত্যাদি।
কথা যাই হোক না কেন, বাস্তবতা হচ্ছে বাংলাদেশের রাজনীতির মুল যে কাজ সেই হরতাল ডাকা হয়েছে। ঈদের দুদিন আগে। যখন রমরমা ব্যবসা, মানুষের বাড়ি ফেরার মিছিল ঠিক সেই সময়ে। তাদের মানবিকতা বলে কিছু নেই। ৬০০ কোটি টাকার বাড়ি রক্ষার জন্য সারা দেশের মানুষকে জিম্মি করেছে। ৩৫ লক্ষ গার্মেন্টস কর্মী ভাইবোনসহ ২ কোটি দরীদ্র মানুষের ভাগ্য অনিশ্চিত করছে। ঈদের আগে ব্যাংক বন্ধ রেখে চামড়া শিল্প ধ্বংশ করছে। হরতাল অগনতান্ত্রিক সমাজের বৈশিষ্ট। একদিনে হরতালে ক্ষতির পরিমান ..
এসব তথ্য সকলেরই জানা। অতীতে শতশতবার শুনেছেন। গত সরকারের সময় তালিখ ঘোষনা করে দেয়া হয়েছিল, অমুক তারিখের মধ্যে সরকারের পতন ঘটানো হবে। আপনারা ততদিন পর্যন্ত হরতাল করুন।
তখন সবাই জেনেছেন হরতালের ব্যাখ্যা কি। নতুন করে আর বলার কি আছে। সরকার-বিরোধীদল-ব্যবসায়ী নেতা-বুদ্ধিজীবী সকলেই আরেকবার ঝালিয়ে নেবেন তাদের বক্তব্যগুলো। আরো ধারালো করবেন। বরং সাধারন মানুষের দিকটাই দেখা যাক (অবশ্য যদি সাধারন মানুষ বলে কিছু থাকে)।
অনেকের মতে এটা হরতালের প্রস্তুতি। ঈদের আগে হরতাল ডাকার কোন পরিকল্পনা ছিল না। ঈদের পর আন্দোলনের কথা বলা হয়েছিল। কেউ কেউ আগ বাড়িয়ে এটাও বলছেন সেজন্যই একে মোক্ষম সময় মনে করা হয়েছে। যাই হোক না কেন, হরতাল ডাকা হয়েছে। এটা প্রস্তুতি মুলক। এরপর বিরতি দিয়ে দিয়ে, তারপর বিরতিহীনভাবে ডাকা হবে।
আর হরতাল অর্থ দল আ লীগের মুখোমুখি অবস্থান। একপক্ষের চাদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলদারী, খুন সবকিছু করার অধিকার দেয়া হয়েছে এই সময়ে পথে নামবেন এই সর্তে। আরেকপক্ষ বছর চারেক ধরে সব হারিয়ে সেগুলি ফিরে পেতে মরিয়া। মাঝখানে জনগন। সরকারী চাকরী করলে অফিসে যাওয়া না যাওয়া আপনার ইচ্ছে, হরতালের দিন বাদ দিয়ে। চাকরী বাচাতে চাইলে আগের দিন অফিসে গিয়ে রাতে সেখানে ঘুমাবেন এবং পরদিন অফিস করবেন। বিটিভিতে দেখানো হবে অফিসের উপস্থিতি স্বাভাবিক।  সরকারী সাংসদের গার্মেন্টস হলে সেখানেও একই কথা। সেলাইকল চালানো দেখানো হবে বিটিভিতে। রাজপথে কিছু বাস চলবে যেখানে যাত্রীদের সবার কাছে পিস্তল। এই বাসগুলি কোথাও থামবে না। সারা শহর ঘুরে বেড়াবে। সেটাও দেখানো হবে বিটিভিতে। ফুটপাতের কোন ব্যবসায়ী অসন্তুষ্ট, কোন মিনিবাস চালক হরতালের শিকার, কোন রিক্সাচালক খেতে পাচ্ছে না সেই সাক্ষাতকারও দেখানো হবে (লক্ষ্য করলে মুখের কোনে হাসিটাও দেখে নিতে পারেন। হরতাল মানেই রিক্সাভাড়া দুই থেকে তিনগুন), কোন পথচারী কতঘন্টা ধরে কত মাইল হেটেছেন সে বর্ননাও শুনবেন।
আজকাল আবার বিটিভি একা নেই। প্রতিদ্বন্দি অনেক। চ্যানেলগুলিতে এসবের সাথে হরতালের পক্ষ-বিপক্ষের ছবি দেখবেন।  সেখানে দুপক্ষের উপস্থিতি সমান। কথায়, স্লোগানে, শক্তিতে। একেবারে রেসলিংএর উত্তেজনা। একেবারে টাটকা, সরাসরি সম্প্রচার।
যারা টিভিতে ঝিমধরা, বস্তাপচা নাটক দেখে দেখে বিরক্ত তারা অবশেষে উত্তেজনার খোরাক পেলেন। ধন্যবাদ জানাতেই পারেন দুপক্ষকে।
আর যদি নিতান্তই নিরামিশভোজি হন তাহলে জনগনের কথা ভেবে ইতিহাস থেকে উদাহরন দেখাতে পারেন বেগম খালেদা জিয়াকে। সম্রাট আকবর যখন ক্ষমতায় তখন খবর পাওয়া গেল ইংরেজরা এক কুকুরে গলায় কোরান শরীফ ঝুলিয়ে শহরে ঘুরিয়েছে। তিনি এতটাই ক্ষিপ্ত হলেন যে ঘোষনা দিলেন গাধার গলায় বাইবেল ঝুলিয়ে দেশ ঘোরাবেন।
তার মা (ইতিহাসে তার খুব পরিচিতি নেই) বললেন, ওরা অন্যায় করেছে।  সেই একই অন্যায় করে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা যায় না।
তিনি বাংলাদেশে ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘসময় দেশ চালিয়েছেন। সন্মান তার প্রাপ্য। যা করা হয়েছে তাতে অনেকেই দুঃখ পেয়েছেন। বিএনপি কিংবা তার শাসনামলের ভক্ত না হয়েও। 
তারপরও, অন্তত দেশ এবং জনগনের কথা ভেবে তিনি যেন এমন কিছু না করেন যেখানে প্রতিহিংসা প্রকাশ পায়।

ক্যালকুলাসে ক্যালকুলেশন

Nov 8, 2010
দেশে নাকি বেকারের সংখ্যা বেড়েছে আরো বাড়ছে অচিরেই ৬ কোটিতে দাড়াবে। শিক্ষিত বেকারের সংখ্যাবৃদ্ধির হার সবথেকে বেশি যারা এবিষয় নিয়ে কাজ করেন তারা সবাই বলছেন;
এই লোকগুলোর আসলে কোন কাজ নেই এটাওটা বলে নিজের পকেটে টাকা ঢুকানো ছাড়া এসব কথা বললে বিশেষজ্ঞ হওয়া যায় বাড়িগাড়ির মালিক হওয়া যায়। সবাই না বুঝে হাততালি দেয়, কেউ ব্যাখ্যা চায় না।
শিক্ষিত বেকার, কথাটার মানে কি ? যার সার্টিফিকেট আছে চাকরী নেই তাই তো !
চাকরীর কথা আসছে কেন ? প্রধানমন্ত্রী তো বলেই রেখেছেন চাকরী দেয়া হবে আওয়ামী লীগের ভেতর থেকে। শিক্ষিতদের সবাই কি আওয়ামী লীগ ?
প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন হয়ত প্রত্যেক পরিবার থেকে একজনকে চাকরী দেয়া হবে (নিশ্চিত করা কঠিন। উনি কি বলেছেন আর কি বলেননি সেটা প্রমান করা যায়না), কিন্তু কি চাকরী দেবেন সেকথা তো বলেননি। একটা সার্টিফিকেট হাতে ধরে ভেবেছেন ডিজিটাল বাংলাদেশে সফটঅয়্যার ডেভেলপার হবেন ? ঘরে বসে ইন্টারনেটে সহজে অর্থ উপার্জন করবেন ? কিংবা হবেন শিল্পী, সাহিত্যিক ?
এদেশে ওসব ঘাড়তেড়ামি চলবে না। এটা পরিশ্রমি মানুষের দেশ। রাজপথে রিকসা চালান। ফুটপাতে দোকান দিন। পরিশ্রম করুন। জমিতে চাষাবাদের কথা ভাববেন না আবার। জমির আসল মালিক বলে কোন কথা নেই। কখনো আপনার পুর্বপুরুষ হয়ত ছিল, সেটা অতীত। বর্তমান মালিক কখনো হাউজিং কোম্পানী, কখনো সরকারী দলের নেতা, কখনো সরকার নিজেই। ছাড়ার জন্য তৈরী থাকবেন। এই দুনিয়া মুসাফিরখানা। কদিন হেসেখেলে চলুন তারপর পাততাড়ি গুটাতে হবে।
নিজের বাড়ি নেই দেখে পত্রিকার বিজ্ঞাপন আর টিভির বিজ্ঞাপন দেখে ভাবছেন একটা ফ্লাট কিনেই ফেলব। বুকিং দিলেই পুরস্কার। মাসেমাসে টাকা দিলেই চলবে।
ওসব করতে কৃতিত্ব লাগে। আগে দুচারটা সরকারী টেন্ডার পান তারপর ওকথা ভাবুন।
নয়ত ভাবছেন এত হাজার হাজার বাড়ি যখন হচ্ছে তখন একসময় বাড়িভাড়া নিশ্চয়ই কমবে। বাড়িগুলো তো আর খালি থাকবে না। তখন মনের আনন্দে কম ভাড়ায় থাকা যাবে।
সে আশার গুড়ে বালি। বাংলাদেশে বছরে মানবসম্পদ জন্মে ৩১ লক্ষ। গড়ে চারজনের জন্য এক বাড়ি হিসেব করলেও বাড়ি প্রয়োজন হয় সাড়ে ৭ লাখের বেশি। বছরে ওই পরিমান বাড়ি তৈরী হয় না। চাহিদা আর সরবরাহে বিশাল ঘাটতি থেকে যায়। ঘাটতি থাকলেই ব্যবসায় লাভ। শোনেন নি বাংলাদেশে নির্মানশিল্প বিশাল শিল্প। বহুলক্ষ মানুষ জড়িত এই শিল্পে।
সোজা কথায় আসুন। নিজের বাড়ি অথবা পরের বাড়ি ভাড়া যাই নিতে চান না কেন, আগে যোগ্যতা প্রমান করুন। দেশকে কতটা ভালবাসেন তার প্রমান দেখান। মায়ের মত না বাবার মত সেটা পষ্ট করে বলুন।
আর যদি না পারেন তাহলে বস্তি কিংবা ফুটপাত। নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী। ওই ভদ্রলোকেরা ক্যালকুলাসে ক্যালকুলেশন করে বেকারত্ব বৃদ্ধির যে হিসেব দিয়েছেন এই দুযায়গায় বৃদ্ধির হার তারথেকে অনেক বেশি।

আশংকা করবেন না

Oct 29, 2010
দুনীতিতে বাংলাদেশ একধাপ এগিয়েছে না একধাপ পিছিয়েছে বিষয়টি আমার কাছে পরিস্কার না পরীক্ষার ফলে রোল যদি ১ হয় তাহলে আমরা বলি ফাষ্ট বয় এরচেয়ে ভাল কিছু হয় না কাজেই ১৩ থেকে ১২ হওয়া উন্নতি তো বটেই বরং আমরা আমেরিকা থেকে কিছুটা পিছিয়ে আছি এটাই আপত্তি তা তারা বিশ্বের সবথেকে ধনী দেশ, সবচেয়ে শক্তিশালি দেশ তাদের থেকে পিছিয়ে থাকা মেনে নিতে আপত্তি কোথায়
আমেরিকা থেকে পিছিয়ে থাকা বিষয়টি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে আসলে আমেরিকার মুল ভুখন্ড সম্পর্কে বলা হচ্ছে না আমেরিকা মানে ইরাক-আফগানিস্তান বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তারা এই দুই দেশের দখল নিয়েছেন নিজেদের সমস্ত সামর্থ্য ব্যয় করছেন কাজেই তারা বাংলাদেশের মত দেশ থেকে এগিয়ে থাকবে এটাই স্বাভাবিক আর সোমালিয়ার কথা নাইবা হিসেবে আনলেন অন্তত ব্লাক হক ডাউন নামের হলিউডি ছবি যারা দেখেছেন তারা জানেন আমেরিকা কিভাবে জীবন বাচিয়ে পালিয়েছিল ওখান থেকে
কথা হচ্ছে, কথা তা না সরকার বলেন ওই টিআই এর রিপোর্টে কোন ভিত্তি নেই আর বিরোধীদলের বক্তব্য, ওরাই বলে দিচ্ছে সরকার কতটা দুর্নীতিবাজ দুর্নীতিকে প্রশাসনিক রুপ দিয়েছে ওইযে, সরকারী দলের লোককে চাকরী না দেয়ায় ডিসি-এসপি পর্যন্ত হটিয়ে দিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন চাকরী দেয়া হবে আওয়ামী লীগের মধ্যে থেকে, টেন্ডারবাজি সরকারের লোকের অধিকার টেন্ডারের জন্য কোন অভিজ্ঞতা-সার্টিফিকেট প্রয়োজন নেই দলের সার্টিফিকেটই যথেষ্ট আর টেন্ডার মানেই টাকা কাজ করতে হয় না, বিল জমা দিলেই চলে। বাজেটের সবচেয়ে বড় অংশ যে ওখানেই উন্নয়ন কর্মকান্ড
আসলে দুর্নীতি সব দেশেই থাকে সবচেয়ে ধনী দেশেও থাকে, সবচেয়ে গরীব দেশেও থাকে বরং দরীদ্র হলেই দুর্নীতি বাড়বে এমন কথা অন্তত পরিসংখ্যান বলে না প্রতিবেশি দেশগুলির মধ্যে ভুটানে দুর্নীতি সবচেয়ে কম, অথচ ওরাই নাকি সবচেয়ে গরীব না খেয়ে থাকলেও ধান্দাবাজি-বাটপারি করে না
কথাটা ঠিক তো বটেই যে খেতে পায় না সে পেট ভরে খেতে চায় তার চাহিদা এটুকুই যদি একবার খেতে পায় তাহলেই চাহিদা বাড়তে থাকে ডাল-আলু ভর্তায় চলবে না, ওইযে কেন্টাকি থেকে যে আলু আসে ওটা চাই দুহাজার টাকার মোবাইল ফোন কি ফোন হল! ওতে কি হাই রেজ্যুলুশন ভিডিও করা যায় ? ডাউনলোড করা যায় ??
কাজেই চাহিদা বাড়তেই থাকে রাবনের মত দশ মাথায় চারিদিকে চোখ রাখে, দুর্গার মত দশহাতে দশদিকে আয় খুজতে শুরু করে আর, সুযোগ তো রয়েছেই চারদলীয় জোট সরকারের সময় নানারকম পথ তৈরী হয়েছিল, মহাজোট সেই পথকে অলিতে-গলিতে পরিনত করেছে হাত বাড়ালেই টাকা টাকা মানেই ক্ষমতা অমুক মেয়েকে আমার পছন্দ, বাধা দেবে কে ? মেরে ফেলব না
কেউ কেউ বলেন স্বাধীনতা পরবর্তী পরিস্থিতি ফেরত আসছে তখন নাকি এটাই ঘটত যাকে পছন্দ তুলে নিয়ে গেলেই হল এভাবেই বিরত্বের পরিচয় অনেকেই বীর হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। কেউ আবার বলছেন দেবার আর বাকি কি ? চাকরী পাবার আশা গেছে, ব্যবসা গেছে, জমিজমা যাচ্ছে, জীবন যাচ্ছে। এরপর হয়ত বলতে হবে আমরা ক্ষমতাশীন দলের ক্রীতদাস। দয়া করে দেশে থাকতে দাও তাই থাকি। কাজকম্ম করতেও তো মানুষ লাগে। আমরা সেই ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো। একসময় বিদেশীদের দাসত্ব করতে হয়েছে এখন নাহয় যারা স্বাধীনতা এনেছে তাদের দাসত্ব। পার্থক্য কোথায় ?
কেউ কেউ আশংকা করছেন ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবে। বেশি বাড়াবাড়ি নাকি সৃষ্টিকর্তাও মেনে নেন না। কোন একভাবে একহাত দেখিয়ে দেন।
এই আশংকা সম্ভবত অমুলক পুরনো পথে ফেরা, সেটা হয়ত হবে না পাশে ভারত আছে না! তাদের প্রাক্তন সেনাপ্রধান বলেছেন একবার ঢাকার দিকে থেকে দৃষ্টি সরিয়ে ২১ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে দিল্লি আর সেভুল করবে না
এটাই ঠিক ভারতের জন্য ট্রানজিট ফি স্থগিত রাখা হয়েছে বাংলাদেশে সাংসদ ভারতে গিয়ে ত্রানসামগ্রী দিয়ে আসছেন দাদা পাশে থাকলে ভয় পাবার কিছু নেই
অমুলক আশংকা করবেন না

মচকাবেন, ভাঙবেন না

Oct 25, 2010
এটা অনেক পুরনো কথা কয়েক হাজার বছর আগে প্রাচীন ভারতের কথা এক বৃদ্ধ প্রশ্ন করলেন, শরীরে সবচেয়ে শক্ত কোন যায়গা তাকে বলা হল, দাত তিনি মুখ হা করে ভেতরে দেখিয়ে বললেন আমার সব দাত পড়ে গেছে কিন্তু জিহ্বা কিছুই হয়নি
দাত পড়ে যায় কারন দাত শক্ত ঝড়ে গাছ ভেঙে যায় কারন গাছ শক্ত লতা ঝড়ে ভাঙে না প্রয়োজনে মচকে যায় বেকে যায়, তেড়িয়ে যায় অনেকটাই সাপের মত যদি কোনভাবে সাপ হতে পারেন তাহলে আর ভাঙার ভয় নেই
সবাই সাপ হতে পারে না সাপ হয় না উদাহরন দেখিয়ে গেলেন শিক্ষক মিজানুর রহমান তার ছাত্রীকে উত্তক্ত করায় তিনি ঘুরে দাড়িয়ে প্রতিবাদ করলেন আর তার ওপর মোটর সাইকেল চাপিয়ে দেয়া হল তিনি ভেঙে পড়লেন
আপনি বলতেই পারেন সেই মোটরসাইকেল চালকের একজনকে তো গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিচার হবে দৃষ্টান্ত তৈরী করা হবে স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী সবসময়ই দৃষ্টান্ত তৈরী করেন এই নাটোরেই আরো দৃষ্টান্ত তৈরী হয়েছে একজন উপজেলা চেয়ারম্যানকে পিটিয়ে মারা হয়েছে প্রকাশ্যে টিভিতে দেখানো হয়েছে সেই দৃশ্য দুসপ্তাহের বেশি পেরিয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও ফুটেজ দেখে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেছেন, যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বাধা তৈরী করছে তাদের নিয়ে ব্যস্ত নারায়নগঞ্জে যারা পৈত্রিক জমি রক্ষায় পথে নেমেছে, গুলিতে জীবন দিয়েছে তারাও আসলে কাজ করছে ওই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বাধা তৈরী করতে। সব ষড়যন্ত্র, সব চক্রান্ত। যারা স্বাধীনতা এনেছে কেউ তাদের ভাল দেখতে চায় না। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তো বলেই রেখেছেন নির্দেশ না মানলে তিনি কি করবেন!
দৃষ্টান্ত দেশে হয়, বিদেশে হয় বর্তমানে হচ্ছে, অতীতে হয়েছে একদিন একজন শিক্ষক খবর পেলেন এক ছাত্রীকে ধর্ষন করা হয়েছে তিনি এতটাই ক্ষিপ্ত হলেন যে নিজেই বিচার করবেন সিদ্ধান্ত নিলেন অপরাধীদের ধরে ফাসি দিয়ে পথের ধারে ঝুলিয়ে রাখলেন অনেকে এতে এতটাই খুশি হল যে দলে দলে যোগ দিল তারসাথে দেখতে দেখতে রাষ্ট্রক্ষমতা পর্যন্ত এসে গেল তার হাতে তিনি দেখিয়ে দিলেন সমাজে শৃংখলা আনা যায়, পপি চাষের মত লাভজনক ব্যবসাও পুরোপুরি বন্ধ করা যায়
নিশ্চয়ই বুঝেছেন সেই শিক্ষকের নাম মোল্লা ওমর সেই দেশের নাম আফগানিস্তান তার শিষ্যরা তালেব, বাংলা ভাষায় ছাত্র
তালেবান শুনলে গালাগালি করা অনেকেরই অভ্যেস আমেরিকা এটা শুনতে পছন্দ করে ওরা খারাপ বলেই তো ইচ্ছেমত বোমা ফেলা যায়। কিছু সাধারন মানুষ মারা যেতেই পারে। ভুল সবারই হয়। সব তদন্ত করে দেখা হয়। লাদেনপুত্র তাদের নানাকাজে ব্যবহার করেছে, তারা অনেক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে যা গনতন্ত্রের পরিপন্থি, বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার পরিপন্থি সেইসাথে এটাও ঠিক, সেই মোল্লা উদাহরন দেখিয়েছেন ইচ্ছে থাকলে সমাজে অপরাধ বন্ধ করা যায় খুব দ্রুতই করা যায়
গ্রীষ্মকালের ফতোয়া শীতকালে দেয়া যায় না এক যায়গার উদাহরন আরেক যায়গায় চলে না ইংরেজরা প্রায় দুশো বছর এদেশ শাসন করেছে এখনও আইন বলতে যা বুঝায় তা তাদের তৈরী তারা এদেশের মানুষকে বুঝতে চেষ্টা করেছে, বিশ্লেষন করেছে ফল প্রকাশ করে বলেছে বাঙালী একা ভিতু, দলে ভয়ংকর
বিষয়টা বোঝা কি খুব কষ্টকর ?
আমাদের বিশেষজ্ঞরা টিভিতে বক্তৃতা দিয়ে, সারা দেশ ঘুরে মানুষকে শপথ করিয়ে সবাইকে ভাল বানাবেন আর মিজানুর রহমানের মত কাউকে কথা বলতে হবে একাই জীবন দিতে হবে পাশে কেউ দাড়াবে না কারন অপরাধীরা দলে শক্ত তাদের একতার তুলনা হয় না রাজনৈতিক দলগুলো ওত পেতে থাকে তাদের দলে টানার জন্য। লগিবৈঠা এদের পক্ষেই। এদের বিপক্ষে কেউ লগি-বৈঠা হাতে পথে নামে না। নিজের পায়ে কুড়াল মেরে ক্ষতি ছাড়া লাভ নেই।
মানুষ অভিজ্ঞতা থেকেই শেখে। মিজানুর রহমানকে দেখে এটাই শিখতে পারেন, মচকাবেন, নুয়ে যাবেন। কখনো সোজা হয়ে দাড়াবেন না। তাতে জীবন যেতে পারে।

গনতন্ত্রের যত নিয়ম

Oct 15, 2010
শিরোনাম দেখে কেউ যদি ভেবে থাকেন গনতন্ত্রের পাঠদান করা হচ্ছে তাহলে ভুল করছেন। গনকিন্ত্র কি, কতপ্রকার, কিভাবে পরিধান করতে সেটা আপনারা আমার থেকে অনেক ভাল বোঝেন। অন্তত জরুরী আইনের সময় সেটা ভালভাবেই প্রমানিত হয়েছে। সংবিধান কতদিনের জন জরুরী আইনের অনুমতি দেয় সেনিয়ে কথা উঠেছিল। চারিদিকে রব শোনা গেছে, সংবিধান মানুষের জন্য, মানুষ সংবিধানের জন্য হতে পারে না। কিসের সংবিধান,  পাল্টে ফেলুন। মানুষ রক্ষা করুন। তারা যতদিন খুশি ক্ষমতায় থাকুক। দেশে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করুন।
অবশ্য সেই গতিপথ পাল্টাতে খুব সময় লাগেনি। কদিনের মধ্যেই আবারো রব উঠেছিল, আমরা গনতান্ত্রিক সরকার চাই। ওসব মোটামাথা মিলিটারী দিয়ে দেশ চলে না। ওরা দেশকে পাকিস্তান বানিয়ে ফেলবে। গনতন্ত্র টেনে আনো, হেইয়ো-
সেই গনতন্ত্রের কথা বলছি।
লোকে বলে (কোন লোকে জিজ্ঞেস করবেন না। এটা কথার কথা), গনতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধরে রাখে কিছু প্রতিষ্ঠান। প্রথমত বিচার ব্যবস্থা। পাকিস্তানের পারভেজ মোশাররফ বিচারককে বরখাস্ত করে টের পেয়েছিলেন ওখানে হাত দিলে কি হয়। সবকিছু ছেড়েছুড়ে যেতে হল ওই কারনেই। ওরাই বলে দেয় আইনের বক্তব্য আসলে কি। অন্যদের সবাইকে সেটা মানতে হয়। এমনকি জনগনের ম্যান্ডেট পাওয়া সরকারকে, উর্দি পরা সামরিক সরকারকেও।
দ্বিতীয় বিষয়টি প্রশাসন। এটা চাকরী করেন রাষ্ট্রের। যদি জেলা প্রশাসক হন তাহলে তো কথাই নেই। রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে রাষ্ট্রের স্বার্থে জেলার প্রশাসন ঠিক রাখার জন্য।
আর কথা বাড়িয়ে কাজ নেই। এই প্রশাসন কি করিলে কি হয় আমরা ভালভাবেই দেখেছি। পাবনার প্রশাসন বলেছিল আমরা সরকারের কথায় চলি না। তারা যাকে বলি তাকেই চাকরী দিতে হবে এটা রাষ্ট্রের পরিপন্থী। চাকরী পেতে চাও, যোগ্যতার পরীক্ষা দাও।
ফল, সরকারের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় সারির নেতাকর্মীদের হামলা, ভাংচুর, পরীক্ষা বাতিল। এবং শেষফল, পুরো প্রশাসনের গনবদলী। গনতন্ত্রের সার্থক ব্যবহার এখানেই।
নাটোরের প্রশাসন এত বোকা না। অন্তত পাবনার গনতন্ত্র দেখে শিক্ষালাভ করেছে তো বটেই। জেনেছে ওই বাহিনীর বিপক্ষে গেলে কি হয়। অমুককে পিটিয়ে মারা হয়েছে তো হয়েছে কি! জনসংখ্যা কমেছে। আর জেল-হাজত ওসব তোল ছাত্রদল-যুবদল-জামায়াত-শিবির দিয়ে ভর্তি। আর যায়গা নেই। তার ওপর লীগ ঢোকালে ওখানেই মারামারি খুনোখুনি হবে। তারচেয়ে বরং পৃথক থাক। ওরাও দিনবদলের হাওয়া খাক, আমরা মনের সুখে চাকরী করি।
আর ওদের ধরে মামলা করলে, জেল-ফাসি দিলেই বা কি যায় আসে। ওইযে২০ জনকে ফাসির রায় দিয়েছিল, ওরা তো এখানেই ঘোরাফেরা করছে।
আইন বিষয় আরেকটু জটিল। জটিল না বলে ভীতিকর বলাই ভাল। কখন কার অবমাননা হয়ে যায় বলা তো যায় না। মানের রং কি সেটা আবার জানা নেই।
বরং পত্রিকায় যেটুকু ছাপা হয়েছে সেটুকুই দেখি। খালেদা জিয়াকে ক্যান্টমেন্টে দেড়শ কাঠার বেশি যায়গার (বাপরে!) সরকারী বাড়ি ছেড়ে দিতে হবে। এটা কোর্টের হুকুম।  
ওটা সরকারী যায়গা, মালিকানা মিলিটারীর। তিনি যদিও বাস করছেন ৩ যুগের বেশি সময় ধরে। ওটার দলিল পত্রও নাতি তার নামে। এরশাদ সাব যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন তখন তার নামে লিখে দেয়া হয়েছে।
কে ? স্বৈরাচার এরশাদ! জানেন না সে অবৈধ সরকার। কোর্ট রায় দিয়েছে। সে যাকিছু করেছে সব অবৈধ। তার সময়ে করা দলিল অবৈধ। তার সময়ে জন্ম নেয়া মানুষ অবৈধ ..
গনতন্ত্রের সত্যিকারের চেহারা আসলে এটাই।
 

Browse