এক হাজারে ট্যারা

Jun 7, 2009

এক হাজারে এক কিলো, এক হাজার কিলোতে এক মেগা, এক হাজার মেগাতে এক গিগা, এক হাজার গিগাতে এক ট্যারা – না, ট্যারা হতে বহু দেরি। সবে মেগা থেকে গিগাতে পৌছেছেন। তবে একদিন পৌছবেন নিশ্চয়ই।

আমি সিরিয়ালের কথা বলছি। টিভি সিরিয়াল। সকাল-দুপুর-বিকেল-সন্ধ্যা-রাত-মধ্যরাত-ভোররাত যখনই টিভি খুলবেন দেখা পাবেন। মিনিট দশেক বিজ্ঞাপন দেখানোর পর শুরু হবে। আগের পর্বগুলিতে কি দেখানো হয়েছে সেগুলি আবারো দেখবেন। তারপর আবার বিজ্ঞাপন। মিনিট তিন-চার হয়ত দেখলেন নাটকের বর্তমান, তারপর বিজ্ঞাপন। বাথরুম থেকে ঘুরে এলেন, তখনো বিজ্ঞাপন শেষ হয়নি। রাগ করে আবারও গেলেন। এসে দেখলেন নাটক শেষ হয়ে বিজ্ঞাপন শুরু হয়েছে। জিদ চেপে গেল, নাটক দেখবেনই দেখবেন। দেখতে থাকলেন এই নাটকের পর কোন নাটক দেখানো হবে, তারপর কোন নাটক, তারপরও নাটক। তারপর নাটক। তারপর-

কতক্ষনে আপনি ট্যারা হন সেটা যাচাই করার এরচেয়ে ভাল পদ্ধতি নেই।

দর্শকদের একেকজনের মত একেকরকম। কেউ কেউ চব্বিশ ঘন্টাই নাটক দেখেন এবং নাটকের চরিত্র হয়ে যান। নাটকের ভাষায় কথা বলেন, নাটকের পোষাক পড়েন, নাটকের মত সঙ্গি খোজেন। কেউ আবার নাটকে নাম শুনলেই নাক কোচকান। তবে কেউই সন্তুষ্ঠ নন। সবার মুখে এককথা, ভাল নাটক হচ্ছে না। হাসির নাটক হচ্ছে না। আমরা হাসতে চাই। পাগলের চেয়ে কে বেশি হাসাতে পারে ? নাটকে পাগল দেখান। আমাদের হাসান।

যারা নাটক তৈরী করছেন তাদের যদি জিজ্ঞেস করেন

তাদেরও ভাগ আছে। একদলের কাছে শুনবেন, কিভাবে করব ?

তাদের ব্যাখ্যা, আপনি পকেটের টাকা খরচ করে নাটক করবেন তারপর ধর্না দেবেন টিভি চ্যানেলে, আর তারা দেখিয়ে দেবেন কত চালে কত ভাত। দুলাখ টাকা খরচ করেছেন ? কে বলেছে খরচ করতে ? ত্রিশ হাজার পাবেন। পারলে দিয়ে যান।

নির্মাতাকে ভাবতে হয়, যতটুকু ফেরত পাওয়া যায় ততটুকুই লাভ। এরপর নাককান ধরব।

সেই ত্রিশ হাজার কতদিনে, কতমাসে, কত বছরে পাওয়া যাবে তার নিশ্চয়তা নেই। ফল যা হবার তাই হচ্ছে। তারা দুয়েকবার চেষ্টা করে বিদেয় নেন। তার যায়গা পুরন করেন আরেকজন। এভাবে একের পর এক আসেন আর দিদেয় নিতে থাকেন। টিভি কোম্পানীগুলির বিনামুল্যের নাটকের অভাব হয়না।

আর যারা এই পর্ব পার হয়ে টিকে থাকেন তাদের নাটক রিসিয়ালে পরিনত হয়। বলা হয় বিশ মিনিট, দেখানো হয় দশ মিনিট। এতে পর্ব সংখ্যা বাড়ে। খরচ কমানো বলে কথা। অভিনেতার পেছনে বিছানার চাদর ঝুলিয়ে রাখলে এক বাড়ি, আরেক চাদর ঝুলিয়ে আরেক বাড়ি। তাতে কি ? বিজ্ঞাপনদাতারা এসব নিয়ে মাথা ঘামান না। কে অভিনয় করবে এটুকু বলে দিয়েই তারা সন্তুষ্ট। নাটক লেখার আগেই তারা কাজ সেরে রাখেন। একটা নামের লিষ্ট হাতে ধরিয়ে দেন। ষ্টার ছাড়া নাটক জমে না। দর্শক দেখে না।

এদের নাটকে দর্শকের অভাব হয় না। তাদের সিরিয়াল ক্রমে মেগা সিরিয়াল, গেগাসিরিয়াল, টেরা সিরিয়াল হয়ে যায়। একমাত্র গলা টিপে ধরায় যদি সেটা থামে। তাদের বক্তব্য, এটাই আয়ের সময়। ঝড় ফুরালে আম পড়ে না। এখন আমার সময় আমি আম কুড়াব, তুই বেটা কে-রে? নাটকের বুঝিস কিছু ? দুরে থাক।

ভাগ্যিস সত্যজিৎ, মৃনালরা এইসময় এদেশে জন্মাননি।

আরেক ধরনের নির্মাতা রয়েছেন। নির্মাতা না বলে নির্মিতব্য নির্মাতা বলাই ভাল। তারা ভবিষ্যতের জন্য ভাবেন। তাদের বক্তব্য, টিভি চ্যানেলের হাতে যতদিন নাটক বন্দী থাকবে ততদিন কিছু হবে না। পাইরেসি বন্ধ করে সিডি/ডিভিডিতে নাটক বিক্রির সুযোগ করে দিলে এর সমাধান হতে পারে। কেউ যদি ভাবেন তিন লাখ /ছয় লাখ টাকা খরচ করে ভাল কিছু করবেন, চেষ্টা করতেই পারেন। টাকার জন্য টিভি চ্যানেলের দয়ার অপেক্ষায় বসে থাকতে হবে না। তার নাটক ভাল হলে দর্শক কিনবে, ভাল না হলে কিনবে না। হিসেব খুবই সহজ। নির্মাতার মাথায় থাকতে হবে, যাকিছু বানিয়ে বাজারে ছাড়লেই লোকে টাকা খরচ করে কিনবে না। বিশ্বে অনেক দেশে ছবি তৈরী হচ্ছে শুধুমাত্র ডিভিডির বাজারকে টার্গেট করে। হলিউডেও। এখানে সেটা হতে দিতে সমস্যা কোথায় ? এতে লাভ নির্মাতা দর্শক দুজনেরই।

তবে তাদের কথা কাজে পরিণত হয়না। তারাও ধোয়ার গোল্লা পাকানোর বাইরে কিছু করেন না।

আপনার সামনে একটাই পথ। রিমোট হাতে নিয়ে টিপতে থাকা। মেগা থেকে গেগা, গেগা থেকে ট্যারা-

আশার সমান

Jun 6, 2009

মানুষ তার আশার সমান বড় এই আশা পুরন করতে হয় কাউকে কাউকে দায়িত্ব নিতে হয় সেই আশা পুরন করানোর এবং এই মহান দায়িত্ব নেয়ার মানুষ সমাজে রয়েছেন

দেশের প্রধান সমস্যা কি যদি প্রশ্ন করা হয় তাহলে ভিন্নমত পাওয়া যাবে নিশ্চয়ই তবে কর্মসংস্থান যে বড় অংশ দখল করবে তাতে সন্দেহ নেই সবাইকে খেতে হয়, কাপড় পড়তে হয়, কোথাও থাকতে হয় এজন্য প্রয়োজন অর্থ এই অর্থ অর্জন করতে হয় অনেকের অভিযোগ, অনেকের মত আমারও অভিযোগ ঢাকা শহরের লক্ষ লক্ষ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের নিয়ে এরা ব্যবসার নিয়মকানুন মানে না যতরকমভাবে সম্ভব ক্রেতাকে ঠকায় যার কাছে যে দাম নিতে পারে নেয়, ভাল জিনিষ দেখিয়ে খারাপ জিনিষ গছিয়ে দেয় এগুলি ক্রেতার বিরম্বনা কিন্তু একজন মানুষ যখন সহায় সম্বলহীন অবস্থায় কোনমতে ঢাকায় এসে কোথাও মাথা গোজে, রাস্তার পাশে একটা দোকান দেয় এবং একসময় ধরেই নেয় এটাই তার কপালের লিখন, তখন বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া তাকে দোষ দেয়া যায় কতটুকু সততার উপদেশ দেয়া যায় তো বটেই, তবে, সেটা আছেই বা কোথায় ? অমুকে কোটি টাকা কারচুপি করল সেইডা বন্ধ করেন না আর আমারডা দেখেন ?

এ প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায় না আমার সে দুরভিসন্ধিও নেই বলছিলাম আরেকটু ভেতরের কথা

যে ব্যক্তির আশাই একমাত্র সম্বল সে দোকান দেয় কিভাবে ? দোকান দিতে মুলধন প্রয়োজন ফুটপাত হোক আর যাই হোক, যায়গা প্রয়োজন এগুলির ব্যবস্থা হয় কিভাবে ?

হয়ে যায় পরিচিত একজন কোনকিছু করার পথ না দেখে ব্যবসা করতে চেয়েছিল কয়েকমাস ধরে খোজখবর নেয়ার পর তার মন্তব্য, সব যায়গায় কুতুবে ভর্তি সংসদ ভবনের আশেপাশে, ধানমন্ডি লেকের কোনায়-চিপায়, ফার্মগেট-ঢাকা কলেজের ফুটপাতে সব যায়গা কুতুবের দখলে ইলেকশনের পর কুতুব পরিবর্তন হয়েছে যায়গা ভেদে দিনে পাচশটাকা হাজার টাকা তাদের দিতে হয়

তারপরও লোকে এসব করছে পাচশ টাকা হাজার টাকা এই কুতুবদের হাতে তুলে দিচ্ছে (আমার ধারনা এই কুতুবরা অনায়াসে কুতুব মিনার গড়তে পারে একজনের কাছে দিনে হাজার টাকা, দশজনের কাছে দশ, একশ জনের কাছে দিলে লাখ কুতুব মিনার গড়তে কত লাগে ?) যারা তাদের হাতে টাকা তুলে দিচ্ছে তাদের ব্যবসার অর্থ কেউ যোগান দিচ্ছে সেটা কে ?

একজনের তথ্য জানা গেল এক সুপারমার্কেটে ঘর ভাড়া নিয়ে অফিস এদের কাজই এইসব ব্যবসায়ীদের অর্থ যোগান দেয়া তাদের আশা পুরন করা নিয়ম খুবই সহজ ব্যবসার যায়গা ঠিক করলেই টাকা নেয়া যাবে কোনকিছু বন্ধক রাখা প্রয়োজন নেই একেবারে সহজ সর্তে

আপনি দশ হাজার টাকা নেবেন ছয় মাসে শোধ দেবেন এজন্য আপনাকে প্রতিমাসে এক হাজার টাকা করে লাভ দিতে হবে আর সমিতি চালানোর খরচ হিসেবে দৈনিক একশ টাকা

টাকার হিসেব আরেকবার মিলিয়ে নিন ছয় মাসে লাভ দেবেন ছয় হাজার টাকা আর সমিতি চালানোর জন্য দৈনিক একশ করে মোট আঠারো হাজার টাকা এই হল চব্বিশ হাজার তারসাথে ঋন নেয়া দশ হাজার মোট চৌত্রিশ হাজার

ছয় মাসে এই চৌত্রিশ হাজার টাকা আয় করে তাদের হাতে তুলে দেবেন এরসাথে যদি কুতুবদের বখরা যোগ করেন তাহলে কত হয় আমার জানা নেই সরকার কর্মসংস্থানের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন এমনই লক্ষ লক্ষ মানুষের হাতে অন্যের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিন, নিজের কর্মসংস্থান করুন যারা পথ দেখিয়ে খ্যাতিমান হয়েছেন তাদের পথ অনুসরন করুন দেশের সুনাম বৃদ্ধি করুন।

তবে ঋন নিয়ে এরা ভালই আছে রোজগার করছে দেনা শোধ করছে তারপর নিজে চলছে বিয়ে করছে, পরিবার বড় করছে নিজের চলছে, পরিবারের চলছে তাদের আশার কাছাকাছি পৌছাচ্ছে

নয়ত এইহারে দোকান বাড়বে কেন ?

আশ্বাসে বিশ্বাস

Jun 5, 2009

লোকে বলে নিঃশ্বাসে বিশ্বাস নেই নিশ্চয়ই কবিত্ব করে বলে কেউ কেউ কবি নয় সকলেই কবি বিশ্বাসের সাথে নিঃশ্বাস ছাড়া আর কার এত মিল থাকতে পারে অন্তত আশ্বাসের তো কখনোই নয় নিশ্বাস আমরা শুনতে পাইনা, আশ্বাস শুনতে পাই নানারকম ভাবে শুনি এবং বিশ্বাসও করি না করে উপায় থাকে না

বরাক নদীর ওপর বাধ দিয়ে জলবিদ্যুত তৈরী করা হবে ভারত আশ্বাস দিয়েছে এতে বাংলাদেশের কোন ক্ষতি হবে না আশ্বাস দিয়েছেন এবং দিচ্ছেন সরকারের সদস্যরাও মন্ত্রী বলছেন কোন ভয়ের কারন নেই এতে বাংলাদেশের উপকার হবে বাংলাদেশ সেখান থেকে বিদ্যুত আমদানী করবে

এই আশ্বাসে বিশ্বাস করে আমরা বুক বেধে অপেক্ষা করছি কবে হবে সেই দিন যেদিন এই টিপাইমুখে বাধ দিয়ে জলবিদ্যুত তৈরী হবে একেবারে পরিবেশসম্মত পদ্ধতি তেল-গ্যাস-কয়লার-পরমানুর ব্যবহার নেই পরিবেশের কোন ক্ষতি হবে না

তারপর, এই বিদ্যুত ব্যবহার করে ভারতের বিদ্যুত সমস্যার সমাধান হবে তারপর বাকিটা আমদানী করবে বাংলাদেশ সরকার তাতে বাংলাদেশের বিদ্যুত সমস্যার সমাধান হবে তারপর যা থাকে রপ্তানি করা হবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নাকি বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে অনেককে রাশিয়ার গ্যাসের ওপর নির্ভর করতে হয় সেখানে রপ্তানি করতে পারলে ডলার-ইউরো পাওয়া যাবে নিশ্চয়ই ছোটবেলায় পড়েননি, দুই পয়সার তৈল, কিসে খরচ হইল তেল খরচ করার পর যা থাকে তা মেয়ে স্বশুর বাড়ি নিয়ে যায়

এত সমাধানের সুযোগ কিনা সেইসব নচ্চার লোকেরা বাধা দিয়ে বন্ধ করতে চায় এতই যদি বোঝে তাহলে এই লোকগুলো সমাধান দেয়না কেন ? খালি বড় বড় বুলি আমরা তো বলেইছি আমরা খোজ নিচ্ছি কদিনের মধ্যেই কমিটি হবে সেই কমিটি পরিদর্শনে যাবে তারা পরিদর্শন করে রিপোর্ট দেবে সেই রিপোর্ট পর্যারোচনা করা হবে পর্যরোচনা করে বৈঠক করা হবে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে তবে তো জানাবো কি হতে যাচ্ছে সবকিছু এত সহজ মনে করেন কেন ? আমরা কি ভারতের সাথে যুদ্ধ করতে যাব ? জানেন না ওদের পরমানু বোমা আছে শোনেননি তারা কি বলেছে ? তারা বাংলাদেশের জন্যই বাধ বানাচ্ছে বন্যার সময় পানি আটকে রেখে বাংলাদেশকে বণ্যা থেকে রক্ষা করবে, শুকনোর সময় পানি দেয়ার জন্য পানি জমিয়ে রাখবে আর মাঝখান থেকে যা বিদ্যুত তৈরী হবে সেটা বাংলাদেশে দেয়া হবে দেশে লোড সেডিং কমবে আপনার একবার লোডসেডিং নিয়ে কথা বলবেন আবার বিদ্যুতের ব্যবস্থা করলে তাতেও বাধা দেবেন এটা কোন নীতি ?

আসলে এরা একেবারে গর্ধভ মনিপুর আর মিজোরামের ওরাও শুধু বাধা দিতেই জানে সব ভাল কাজে বাধা এজন্য এরা এত পিছিয়ে

এরা আশ্বাসে বিশ্বাস করতে শেখেনি

সার্কাস

Jun 4, 2009

সার্কাস আমি খুব পছন্দ করি ছোটবেলায় যখন পথের ধারে সার্কাস দেখানো হত তখন স্কুল ফাকি দিয়েও দেখেছি রাস্তার ধারে একটু মাঠমত যায়গা পেলে (তখন পাওয়া যেত) সেখানে সার্কাস, যাদু, সাপের খেলা, বায়োস্কোপ এসবের আসর বসত সবাই ভীড় করে গোল হয়ে দাড়াত, তারই মধ্যে চলত এসব খেলা কেউ খুশি হয়ে দুচার পয়সা দিলে দিত, না দিলেও আপত্তি ছিল না এমনকি বায়োস্কোপঅলাও পয়সাঅলা দর্শক না পেয়ে সামনে যাকে পেত তাকেই ডেকে দেখাত। সুর করে বলে তার পরেতে কি রইয়াছে-

আজকাল এসব সার্কাস উঠে গেছে। একটা কারন আগেই বলেছি, এখন সার্কাস দেখানোর যায়গা নেই। সব যায়গায় হয় বাড়ি নয় দোকান নয় ফুটপাতের দোকান। আর আয়োজন করা সার্কাসের প্রশ্নই ওঠে না। অত যায়গা নিয়ে অত লোকজনের ট্রনিং দিয়ে অত ঝুকি নিয়ে প্রস্তুতি নেবে কোন পাগল। বাপরে। গোল কুয়ার মত করে কেটে তার গা বেয়ে সাইকেল চালানো। একবার চালিয়ে নিচে যাওয়া আবার উঠে আসা। এত সময় আছে সময় নষ্ট করার।

কিম্বা সেই রিংয়ের মধ্যে লাফ দেয়ার কসরত দেখানো লোক। ছোটবেলায় একবারই দেখেছি কিন্তু ভুলতে পারিনি এখনও। লোহার একটা রিং মাথায় ঢুকিয়ে পায়ের দিক দিয়ে বের করে দেখাল সেটা কতটা চাপা। কোনমতে ঠেলেঠুলে শরীর পার করা যায়। তারপর সেটা দুজনকে দুদিক থেকে হাতে ধরে দাড়াতে বলল। নিজে কয়েক পা দৌগে এসে দিল এক লাফ। ছবি ডলফিনের লাফ যেমন দেখা যায় তেমনি। এক লাফে সুরুত করে রিংয়ের মধ্যে দিয়ে আরেকপাশে চলে গেল।

এখন এসব সার্কাস চলে না। কার এত দায় পরেছে দিনের পর দিন এসব প্রাকটিস করবে। তারপর কোথাও দেখাতে গেলে চাদাবাজি। পুলিশ, পাড়ার বড়ভাই, এলাকার চেয়ারম্যান-মেম্বার, স্থানিয় নেতা কতকিছু। দরকার নেই এসবের।

যারা সার্কাস দেখাতেন, যাদু দেখাতেন, সাপের খেলা দেখাতেন তারা নিজেরাই এখন দর্শক। অন্যদের সার্কাস দেখেন। এই সার্কাস বাস্তবধর্মী। সকলেরই ভুমিকা রয়েছে এতে। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন না ছুটি নিয়েছেন তা নিয়ে খুব লেখালেখি চলছে টিভিতে এসে নানাজন নানামত জানিয়ে যাচ্ছেন বিষয়টা কি হতে পারে ? আসলে হয়েছে কি ?

প্রশ্ন অনেক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার যতদুর জানা সেটা বলেছেন। তিনি পদত্যাগের বিষয়ে জানেন না। ছুটি চেয়েছেন এটা জানেন। তারসাথে কোনরকম মতবিরোধ কখনো হয়নি। কখনো হবেনা। অন্যরাও বলছেন পদত্যাগের এসব কথা গুজব গুজবে কান দেবেন না। আভ্যন্তরীন কোন মতবিরোধ কারো মধ্যেই নেই, আর মন্ত্রীত্ব থেকে পদত্যাগের ঘটনা দেশের ইতিহাসে নেই তবে এই মুহুর্তে এই বিষয়ে মন্তব্য করা যাবে না যিনি এককথায় সব কৌতুহল নিবারন করতে পারতেন তিনি অসুস্থ বোধ করছেন বিশ্রামে রয়েছেন। অন্য প্রশ্নে উত্তর দিতে পারেন কিন্তু এই অবস্থায় এমন বিষয়ে মন্তব্য করা যাবে না। আপনারা শেষ দৃশ্যের জন্য অপেক্ষা করুন আর আপনাদের ব্যাখ্যা দিতে হবেই বা কেন ? দেখে যান দর্শকের কথায় সার্কাস চলে না।

সংসদীয় কমিটির ডাকে সাড়া দেননি দুদক কর্তারা স্পিকারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, স্পিকার নিশ্চয়ই কিছু একটা ব্যবস্থা নেবেন তিনি সর্বময় কর্তা। এজন্যই তাকে সেপদে আনা হয়েছে। প্রয়োজনে গ্রেফতার করে হলেও তাদের হাজির করতে হবে

দুদকের ওই কর্তারা একসময় ক্ষমতা হাতে পেয়ে এই সংসদীয় কমিটির কোন কোন সদস্যকে গ্রেফতার করেছিলেন দুর্নীতির মিথ্যে অভিযোগে মামলা করেছিলেন, আদালত তাতে সায় দিয়ে রায়ও দিয়েছে সে মামলা এখনও শেষ হয়নি আদালতের শান্তির রায় এখনও বলবত নিন্দুকেরা বলে আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামী তবে সেকথা এখানে হচ্ছে না আদালতের হিসেব আদালতে এটা সংসদ জনগন ম্যান্ডেট দিয়ে তবেই নেতাকে সংসদে পাঠায় জনগনের এই ম্যান্ডেটকে অবহেলা করা যায় না কোনমতেই এর অবমাননা হতে দেয়া হবে না তাদেরকে সংসদীয় কমিটির কাছে জবাবদীহি করতে হবে। দেখা যাবে আদালতের রায় বড় না সংসদীয় কমিটির রায় বড়

প্রকৃতির নিয়মে একসময় গাড়ি নৌকায় ওঠে একসময় নৌকা গাড়িতে ওঠে যেখানে যার রাজত্ব আমরা দর্শক আমাদের সামনে যে সার্কাস চলে আমরা সেটাই দেখি

কর্তা ইচ্ছা কর্ম

Jun 2, 2009

আমরা আবারো বাজেটের অপেক্ষায়। কিছু কিছু জিনিষের ষ্টক শুরু হয়ে গেছে। দোকানদাররা জানে কোনসময় কোন জিনিষ ষ্টক করতে হয়। এক সিগারেটে একটাকা বেশি। চায়ের কাপে একটাকা বেশি। কারন, বাজেটে ট্যাক্স বাড়ব। দাম বাড়ালো কে ? কোম্পানী ? সরকার ? সরকারতো এখনো জানায়নি কিসের ট্যাক্স বাড়বে ?

- আমাগো কইয়া লাভ কি। আমরা বেশি দামে কিনি, বেশি দামে বেচি। দ্যাহেন না ধারদেনা কইরা কয়েক প্যাকেট কিন্যা রাখছি। তেমুন দেখলে বিক্রি বন্ধ।

বিক্রি বন্ধ হয় না। বাজারে জিনিষ নেই তার অর্থ এই না যে আপনি কিনতে পাবেন না। বাজারে নেই অর্থ আরো টাকা ঝাড়ুন। যত চান তত পাবেন।

বাজেটে গরীব মানুষের স্বার্থ সংরক্ষন করা হবে, কোনরকম নতুন ট্যাক্স ধরা হবে না, জনগনের ওপর কোন প্রভাব পড়বে না। তবে ট্যাক্সের আওতা বাড়বে। লক্ষ কোটি টাকার বাজেট হবে, আশি হাজার কোটি টাকা আদায় করা হবে, প্রত্যক্ষ ট্যাক্স বাড়বে, থুরি- ট্যাক্সের আওতা বাড়বে। গাড়ি থাকলেই ট্যাক্স। আয়কর অবকাস থাকবে না। ইউনিয়ন পর্যায়ে ব্যবসার জন্য ট্যাক্স নেয়া হবে। আবারও মনে করিয়ে দেই, গরীবের কোনরকম সমস্যা হতে দেয়া হবে না। বলেছেন টাকা মন্ত্রী।

অতীত কখনো পিছু ছাড়ে না। ছায়ার মত লেগে থাকে। বারবার জোটসরকারের কথা এসে হাজির হয়, জরুরী সরকারের কথা হাজির হয়। তারা জরুরী ভাবে দেশ মেরামতের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। জিনিষের দাম বাড়ায় কে ? কার ঘাড়ে কয়টা মাথা ? গুদামে ষ্টক করা, এতবড় সাহস ? দেশ এতদিন চলেছে কিভাবে ? আমরা দেখিয়ে দিচ্ছি দেশ কিভাবে চালাতে হয়।

তবে পোদ্দারী বেশিদিন চলল না। জিনিষের দাম বন্যার পানির মত বাড়তে থাকল। ব্যবসায়ীদের ডাকা হল। এবার আর তলব নয়, আলোচনা। কথা দিচ্ছি কোন ব্যবসায়ীকে জেলে ঢোকানো হবে না। আপনারা নির্ভয়ে ব্যবসা করুন। ব্যবসাতেই দেশের উন্নতি। দেশের উন্নতিতে অবদান রাখুন।

বাপরে! ব্যবসায়ীদের এত ঝাঝ।

এখনো, ব্যবসায়ীরা মুখ খোলেননি। তাদের সামনে মুলো ঝুলে রয়েছে, আমেরিকার মত তাদেরও অর্থ সাহায্য দেয়া হবে। আগে সেটা হাতে আসুক।

কালো টাকা সাদা করবেন ? শেয়ার বাজারে টাকা দিন। বাড়ি করুন, জমি কিনুন, ইন্ডাষ্ট্রি করুন। টাকার উস খোজ করা হবে না। জানেন না আমেরিকা কি করে (করত) ? আপনার পড়নের জামা-কাপড় থেকে শুরু করে সবকিছুর ট্যাক্স দিতে হবে কিন্তু বিলিয়ন ডলার আয় করলে ট্যাক্স দিতে হবে না। বিলিয়ন ডলার আয় করার যোগ্যতা যার আছে তার ট্যাক্স না দেয়ার যোগ্যতাও আছে। আমরা কি তাদের থেকে এতই পিছিয়ে যে সেটা করতে পারব না। এভাবেই একটু একটু করে শিখতে হয়। আপনাকে ট্যাক্স দিতে হবে।

কি বললেন ? ভাড়িভাড়া বেশি ? ছেলেমেয়ের স্কুলের বেতন বেশি ? যাতায়াত খরচ বেশি ? জিনিষের দাম বেশি ? এই আয়ে নিজেরই চলে না ?

এই পুরানো কথা আর কতকাল শুনতে হবে ? আপনারা একসময় জমিদারের খাজনা দিতেও একথা বলতেন। এখন আধুনিক দেশেও একথা বলছেন। এসব বন্ধ করুন। ট্যাক্স না দিলে জেল। পারলে কোটি টাকা উপায় করুন, প্রশ্ন করা হবে না। নয়ত ট্যাক্স দিন।

আগের সরকার ব্যবস্থা করেছিলেন যারা অপরাধ স্বিকার করে ক্ষমা চাইবে তাদের ক্ষমা করা হবে। অর্থদন্ড ছাড়া অন্য দন্ড দেয়া হবে না। সরকার পাল্টানোর পর সে সিদ্ধান্তও পাল্টে গেছে। তারা দুর্নীতি করেছেন, শাস্তি পেতে হবে। যারা অপরাধ স্বিকার করেননি তারা নিশ্চয়ই বলছেন, ভাগ্যিস ওই ভুল করিনি। জীবনেও করবনা।

আর যারা ভুল করেই ফেলেছেন। তাদের কথা শোনে কে ?

কথা ওঠায় একজন গল্প শোনালেন। দুব্যক্তি এক যায়গায় বসে আলাপ করছিল। তাদের আলাপটা এমন;

- তর বাপের নাম কি ?

- আব্বাস।

- তর --- দিমু গাব গাছ।

- তর বাপের নাম ?

- আমজাদ।

- তর --- দিমু কাঠাল গাছ।

- মিলল না তো।

না মিলুক, দিলাম তো।

বিষ্ফোরন চাই

Jun 1, 2009

বিষ্ফোরন কাকে বলে তা আমরা সবাই কম বেশি জানি। পত্রিকার পাতা খুললে, রেডিও-টিভি খুললে সদা সর্বদাই দেখা যায়, শোনা যায়, পড়া যায়। ইরাকে অমুক যায়গায় বোমা বিষ্ফোরনে অতজন নিহত অতজন আহত, পাকিস্তানে বোমা বিষ্ফোরনে অতজন নিহত অতজন আহত, আফগানিস্তানে বোমা বিষ্ফোরনে অতজন নিহত অতজন আহত। আর বিষ্ফোরনের খবর নেয়ার জন্য অন্যের দেশে যাওয়া প্রয়োজন নেই। একবার নিজের দেশেই কিছু মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে বিষ্ফোরন কাকে বলে। সারা দেশে, একই সময়ে। তাদের আইন-আদালত আইন-কানুন চাই না, তারা যা বলবেন, যা করবেন সেটাই আইন। সরাসরি আল্লার কাছ থেকে নির্দেশ নিয়ে এসেছেন। তার নির্দেশে চলেন।

তবে আমি সে বিষ্ফোরনের কথা বলছি না। এই বিষ্ফোরনে শব্দ হয় না। চোখের সামনে ঘটলেও দেখা যায় না। ফল কি জানার জন্য বহু বছর অপেক্ষা করতে হয়। একটু খটকা লাগতে পারে, কারন একে আজকাল বিষ্ফোরন বলা হয় না। এমনকি সমস্যাও বলা হয় না। বলা হয় সম্পদ। আমি জনসংখ্যার কথা বলছি।

হ্যা, সম্পদই বটে। দেশের প্রধান অর্থকরি ফসল। বিদেশে রপ্তানি করবেন আর ডলার আয় করবেন। একবার ভেবে দেখুন তো কত উপকার যারা যাবে নিজের ইচ্ছেয় যাবে নিজের খরচে যাবে নিজের ঘর-বাড়ি, ভিটেমাটি বিক্রি করে তারপর দেশে টাকা পাঠাতে থাকবে সেই রেমিটেন্স দিয়ে দেশের অর্থনীতি উন্নত হতে থাকবে তাদের পাঠানো টাকায় পরিবারের সদস্যরা জমি কিনবে, জমি হাতবদল হবে, জমির দাম বাড়বে। সরকার জমি হাতবদলের ট্যাক্স কয়েকগুন বাড়ানোর ঘোষনা দিচ্ছে। তারমানে কয়েকগুন বেশি ইনকাম। যত হাতবদল তত লাভ। আর শুধু কি তাই- এই রপ্তানির পেশায় কত পরিবার উন্নতি করছে। মুহুর্তে ধনী ব্যক্তিতে পরিণত হচ্ছে সারা বিশ্ব যেখানে গাড়ি কেনা বন্ধ করে দিয়েছে সেখানে অর্ধলক্ষ গাড়ি আমদানী হচ্ছে। এই ব্যবসার সুযোগ কে পাবে সেটা বলে দিলে ব্যাংকের ব্যালান্স বাড়তে থাকে এক ঢিলে বহুপাখি মারার এমন সুযোগ কে ছাড়তে চায় তাহলে এত টাকাপয়সা খরচ করে, এত ঘাম ঝরিয়ে মন্ত্রী-মিনিষ্টার-সাংসদ হওয়া বৃথা সারা বিশ্ব যদি লক্ষ লক্ষ কিংবা কোটি কোটি মানুষ নিত তাহলে নিশ্চয়ই উপাদন বাড়ানোর নতুন পদ্ধতি বের করা যেত কেন যে নেয় না। জাপান-ইতালি-ফ্রান্স-রাশিয়া সব যায়গায় নাকি জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে। জনসংখ্যা বাড়ানোর জন্য সরকার পুরস্কার ঘোষনা করেছে। সত্যিই কি বোকা। আদতেই জানে না খনি কোথায়। একবার সুযোগ দিলে দেখিয়ে দেয়া যেত জনসংখ্যা কিভাবে বাড়াতে হয়। পুরস্কার কিভাবে পেতে হয়।

এ বিষয়ে সরকারের মন্ত্রনালয় রয়েছে। এত সুবিধার কথা ভেবে তারা এখন নিশ্চুপ। আশা করা যায় একসময় তাদের নাম পরিবর্তণ হবে। অকারনে নিয়ন্ত্রন শব্দটা রাখার কোনই অর্থ নেই। এবং তার প্রয়োজনও নেই। একসময় নাকি লোকজন বিভিন্ন গ্রামে বাড়িবাড়ি ঘুরে এইসব নিয়ন্ত্রনের সামগ্রী পৌছে দিত। কি বোকামী। এভাবে অপচয়!

এসব অপচয় রোধ করা হয়েছে। এখনো কিছুটা অপচয় রয়ে গেছে। স্যাটেলাইটে নাটক-ফাটক দেখানো হয়। কদিন পর তারও প্রয়োজন হবে না। লিবিয়া বলেছে ৫ বছরে ১০ লাখ মানুষ নেবে। তার বড় একটা অংশ নেবে বাংলাদেশ থেকে। তারমানে অন্তত ৫ লাখ। তাদের দেশে নাকি সাতাশটা ইউনিভার্সিটি তৈরী করবে এইসব লোক দিয়ে (বাপরে, ওদেশে লোক কত!)

তা যা খুশি করুন। এখানে ভার্সিটি-ফার্সিটির দরকার নেই। কোচিং সেন্টারই যথেষ্ট। ওরা কি দেখে লোক নেবে সেটা জানা দরকার। তাহলে ভালমত প্রস্তুতি নেয়া যায়। বলকান দেশগুলোও নাকি আগ্রহ দেখিয়েছে। সেখানেও রপ্তানি করা যাবে। অবশ্য যদি বোঝার ভূল না হয়। কুটনীতির ভাষায় নাকি সম্ভাবনা আছে কথার অর্থ আশা করে লাভ নেই। কে জানে তারা কি বলেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যই আমাদের সম্বল।

একসময় চীন জোর করে মানুষ কমিয়েছিল। কথা দুপক্ষেই বলা হয়। কেউ বলে এটা করে দেশের মানুষ ৪০ কোটি কমানো গেছে, কেউ বলে জোর করে এসব করা যায় না। ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ। তো চীন আবার এসব কথায় কান দেয় না। বিশ বছর আগে তিয়েন আমেনে গুলি করেও মানুষ কমিয়েছিল।

আমরা আমাদের সম্পদ কোনভাবেই কমাতে পারি না। রপ্তানির নতুন বাজার খুজে বের করাই জরুরী। আর প্রস্তুতি নেয়া। বিপুল পরিমান পন্য প্রস্তুত রাখা।

এজন্যই বিষ্ফোরন প্রয়োজন।

পুনশ্চ : কৌতুক শব্দটার সাথে অশালীনতার একটা সম্পর্ক রয়েছে। ইংরেজিতে বলে ডার্টি জোক। একজন বলেছিল এই ডার্টি জোক। এক বয়স্ক ব্যক্তি কোথাও যাওয়ার জন্য ট্রেনে উঠলেন। উঠে দেখলেন একজন তার বিশাল পরিবার নিয়ে বসার সমস্ত যায়গা দখল করে রেখেছে। বাধ্য হয়ে তাকে দাড়িয়ে থাকতে হল।

ট্রেন চলছে, ঝাকুনি সামাল দিতে বারবার তাকে হোচট খেতে হচ্ছে। তার হাতের লাঠি বারবার মেঝেতে শব্দ করছে। শেষে বড় পরিবারের কর্তা পরামর্শ দিলেন, লাঠির আগায় একটু রাবার বাধলে এত শব্দ হত না।

তিনি বললেন, আপনার লাঠির আগায় রাবার বাধলে আমার এই দুরবস্থা হত না।
 

Browse