চোর ভাল না ডাকাত

Aug 27, 2011
প্রতিযোগিতা খুব ভাল জিনিষ। আপনি অন্যকে ছাড়িয়ে যাবেন আর মেডেল-পুরস্কার জিতবেন। বোল্টের মত দৌড়েই হোক আর টাইসনের মত ঘুসি মেরেই হোক। ঘুসিতে না পারলে কান কামড়ে ধরবেন। প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকাই কথা।
চোরে চোরে নিশ্চয়ই প্রতিযোগিতা হয়। তাদের মধ্যেও খ্যাতিমান-নির্বোধের বিষয় আছে। যার প্রতিভা যত বেশি তার কদর বেশি। কোচিং সেন্টারে বেশি ছাত্র পান, বেশি বেতন নেন। ডাকাতির ক্ষেত্রেও হয়ত তাই। হয়ত বলতে হচ্ছে কারন তাদের প্রকাশ বা প্রচারনায় ঘাটতি। তারা যদি পত্রিকা বের করত কিংবা টিভি চ্যানেল খুলত, নিদেন পক্ষে ওয়েবসাইট চালু করত তাহলে জানতে সুবিধে হত।
সেটা যখন হচ্ছে না তখন অনুমান ছাড়া গতি কি ?

ভালমন্দের দিনবদল

Aug 24, 2011
অনেকে বলেন আধুনিক গনতন্ত্রের প্রবক্তা ইতালীর মেকিয়াভেলী। গনগন্ত্রের সংজ্ঞা তৈরী করে দিয়েছেন তিনি। সেই ইতালীর মুসোলিনি যখন বিশ্ব দখল করতে লিবিয়া যান তখন একজন সাধারন মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। ২২ বছর ধরে তারসাথে পেরে ওঠেনি আধুনিক সমরাস্ত্রের পশ্চিমা বাহিনী। তারপর, একসময় তিনি ধরা পড়েন, ফাসিতে ঝুলানো হয় তাকে।
এনিয়ে হলিউড একটা ছবি তৈরী করেছে লায়ন অব দ্য ডেজার্ট নামে। বিশ্বখ্যাতি লাভ করেছে সেই ছবি। আর গনতন্ত্রের প্রবক্তা ইতালীতে সেই ছবি আজও দেখানো হয় কিছু অংশ বাদ দিয়ে।
অনেকের মতে আসলে গনতন্ত্রের কথা বলার কৃতিত্ব বৃটেনের বেকনের। তিনিই বিশ্বকে জানিয়েছেন রাষ্ট্রব্যবস্থা কেমন হওয়া উচিত। খুব বেশিদিনের কথা না যখন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার গাদ্দাফির তাবুতে নৈশভোজ খেলেন। মুল আলোচনার বিষয় ছিল গাদ্দাফি তাদের যুদ্ধবিমান টর্নেডো-টাইফুন কিনবেন। সেটা হয়নি। তারপর যখনই কিছু মানুষ গাদ্দাফির বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে নিল সাথেসাথে সেই টর্নেডো-টাইফুন মিসাইল ছুড়তে শুরু করল লিবিয়ায়।

রাজনীতির জামা

Aug 22, 2011
বাংলাদেশে আলোচনার বিষয় একটাই। কে বেশি দুর্নীতিবাজ, বিএনপি না বর্তমান সরকার। আপনি এর বাইরে যাবেন কিভাবে ? আবর্জনার মধ্যে বাস করবেন আর নাকে দুর্গন্ধ লাগবে না তা-কি হয় ?
কাজেই অন্য সবকিছু বাদ দিয়ে আপনিও সুর ধরুন, আগের সরকার দেশের সর্বনাশ করে গেছে, কিংবা বর্তমান সরকার দেশকে শেষ করে দিচ্ছে। অবশ্যই কোন একপক্ষ নেবেন। চোখ যখন একটা।
কোন মন্ত্রী কি বলেছেন সেকথা বলে আর কতই বা আবর্জনা ঘাটা যায়। বরং কেন বলেন সেপ্রশ্ন করার সময় হয়েছে। অনেকের কাছেই সেটা রহস্য, ওই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ওই অর্থমন্ত্র, ওই বানিজ্য মন্ত্রী, ওই যোগাযোগ মন্ত্রী যাদেরকে প্রতিমুহুর্তে বলা হচ্ছে দয়া করে নরম গদিটা ছাড়ুন, তারা তত জেকে বসছেন। এটা সম্ভব হচ্ছে কিভাবে। আরো নতুন নতুন মন্ত্রী যোগ দিচ্ছেন তাদের দলে। রেলমন্ত্রী নতুন করে যোগ দিয়ে বলেছেন রেলে যা উন্নতি হয়েছে তা গত ১০০ বছরে হয়নি। আর পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে এক-তৃতিয়াংশের বেশি রেল ষ্টেশন বন্ধ। এর বেশিরভাগ বন্ধ হয়েছে গত আড়াই বছরে। রাজপথে খানাখন্দ দেখে যারা রেলে যাতায়াতের কথা ভেবেছিলেন তাদের সেগুড়ে বালি। রেল পরিস্কার জানিয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা নেয়া তাদের পক্ষে সম্ভব না (সপ্তাশ্চর্যের মতই ঘটনা যেখানে কেউ এধরনের কথা স্বিকার করে)।

দর্শককে কি করতে বলেন

Aug 20, 2011
জন রাসকিন নামে এক বৃটিশ ভদ্রলোক বহু বছর আগে একখানা বই লিখেছিলেন তার সময়কার অর্থনীতি বিষয়য়ে। অর্থনীতির বই না, অর্থনৈতিক সমাজব্যবস্থা নিয়ে। বর্তমানে বইটির খবর বের করা কঠিন। অন্তত যারা বাংলা বই পড়েন তারা সম্ভবত কোন সুযোগ পাবেন না।
বইটি সার্বিকভাবে কতটুকু আলোচিত হয়েছিল বলা কঠিন। তবে বিশেষ কিছু ব্যক্তির কাছে গুরুত্বপুর্ন ছিল তাতে সন্দেহ নেই। যেমন ধরুন মোহনদাস করমচাদ গান্ধি এবং লিও টলষ্টয়। একজন দক্ষিন আফ্রিকায় ব্যারিষ্টারী করছেন আরেকজন রাশিয়ার সবচেয়ে দামী লেখক। তারা নিজেদের মধ্যে আলাপ করলেন বইটির বিষয়ে।
ফল যা হল তা বিশ্বে নতুন উদাহরন সৃষ্টি করল। গান্ধি শ্রমিকদের ধর্মঘটে যোগ দিয়ে শান্তিপুর্ন অসহযোগ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিলেন। টলষ্টয় বললেন তিনি প্রকাশকের কাছে তার বইয়ের টাকা নেবেন না। উপন্যাসই লিখবেন না বলে ঠিক করলেন। পরিবর্তে লিখতে শুরু করলে উপদেশমুলক উপকথা।

১৯৮৪ : বেটার লেট দ্যান নেভার

Aug 16, 2011
কিছু মানুষ এমন কিছু কাজ করেন যা তাদেরকে যুগ যুগ ধরে অমর করে রাখে। এমন কিছু কথা বলেন যা কখনো পরিবর্তন হয় না, ঘুরেফিরে আসে আর তাদেরকে মনে করিয়ে দেয়। একজন অর্থনীতিবিদ বলেছিলেন বিশ্ব তার ভারসাম্য রক্ষার জন্য মহামারী, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইত্যাদি ব্যবহার করে। অন্যকথায়, মানুষ যদি অতিরিক্ত হয় তাহলে নানাকরনে মানৃষ মৃত্যুবরন করে সমতা রক্ষা হয়। মানুষ একসময় এই তত্ত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছিল। কলেরা-বসন্ত এসব রোগ যদি থামানো যায় তাহলে মহামারী হবে কিভাবে ? ক্ষমতা মানুষের হাতে।
কাজেই মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করেছে তার তত্ত্ব ভুল। ক্ষমতা মানুষের হাতে। বর্তমান বিশ্ব জনসংখ্যায় ৭০০ কোটি ছাড়িয়ে ৮০০ কোটির দিকে ধাবমান। আর সেখানেই কিছু মানুষ আবার পুরনো তত্বের দিকে ফিরে তাকাতে শুরু করেছেন। তাদের বক্তব্য, চারিদিকে একবার দৃষ্টি দিন তো-
মানুষ বাড়ছে হু-হু করে। জমি কমছে হু-হু করে। গাছপালা কমছে হু-হু করে। ঘুর্নিঝড়, জলোচ্ছাস, ভুমিকম্প নিত্যদিনের ঘটনা। এখনো তাত্ত্বিকভাবে বিশ্বের সম্পদ দিয়ে বিশ্বের সকলের খাদ্যপ্রয়োজন মেটানো সম্ভব, আগামী ৫০ বছর পর সেটা সম্ভব হবে না। নিশ্চিতভাবেই কোটি কোটি মানুষকে অনাহারে থাকতে হবে। ফল হলে মারামারি-কাটাকাটি-যুদ্ধ। সেইসাথে প্রাকৃতিক দুযোর্গ এবং ফিরে আসবে মহামারী। যেভাবে হু-হু করে মানুষ বাড়ছে তারচেয়েও দ্রুত মানুষ কমবে। অনেকে হিসেব করে বলছেন এই শতকের শেষে বিশ্বের জনসংখ্যা হবে ২০০ কোটি। বাকি ৬০০ কোটি উধাও।

নিয়তির হাতে দেশ

Aug 14, 2011
সৃষ্টিকর্তার হুকুম ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না। এরচেয়ে খাটি কথা বোধহয় বাংলাদেশে নেই। এর আগের সরকারের সরকারের একজন মন্ত্রী তো লঞ্চ দুর্ঘটনার পর বলেই বসলেন, জীবন-মৃত্যু আল্লার হাতে। তার সমালোচনা এখনও থামেনি, সুযোগ পেলেই তখনকার বিরোধীদল, বর্তমানের সরকারীদল সেকথা শুনিয়ে দেন।
মানুষ দিনবদলের জন্য ভোট দিয়েছে মহাজোটকে। ভোটে দিয়ে একেবারে পাহাড়ের চুড়ায় উঠিয়েছে। আর দিনবদল তারা করেছেন। এখন দেশ চলছে নিয়তির নির্দেশে। মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাবে কিনা নেটা নির্ভর করে তার কপালে মৃত্যু আছে কিনা। কদিন আগে একদল স্কুলশিশু জীবন দিল। সারা দেশে ৩ দিনের শোক। খবরে জানা গেছে কোন এক স্কুল শোক পালন করতে স্কুল বন্ধ না করায় শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আরকিছু না থাক জয় বাংলার লোক না হলে শাস্তি দেয়ার ক্ষমতা সরকারের আছে। অনেকে হয়ত ভাবতে শুরু করেছিলেন কিছু একটা ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিন্তু লাউ সবসময়ই কদু। কয়েকটা মহাসড়কে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন বাস মালিকেরা। কারন রাস্তা চলাচলের উপযোগি না। এরই ওপর খবর এল বাংলাদেশের দুজন খ্যাতনামা ব্যক্তি মারা গেছেন গাড়ির ধাক্কায়।
এই মৃত্যু নিয়ে উল্লেখ করার প্রয়োজন ছিল না। প্রতিদিন বহু মানুষ মারা যাচ্ছে। আরো যাবে। কিন্তু এই দুজন এমনই ব্যক্তিত্ব যারা নিজেদের পরিচিতি তৈরী করেছেন নিজের কীর্তি দিয়ে। এমন ব্যক্তির সংখ্যা বাংলাদেশে খুব বেশি নেই।

আর কি দেখার আছে

Aug 12, 2011
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ফ্লপ মেরেছে বহু আগে। একসময় রমরমা ব্যবসা ছিল যে নাট্যশিল্পের, যেখানে লাখো মানুষ জীবিকা নির্বাহ করছে সেটাও ধ্বংশের মুখে। কারন আরকিছু না, প্রতিদ্বন্দিতা। মানুষ রসালো কিছু চায়। সংবাদমাধ্যম এতটাই রসালো সংবাদ দিচ্ছে যে তারকাছে নাটকের নাটকিয়তা তুচ্ছ। ওসব দেখে কে ?
ট্রাফিক পুলিক মোটর সাইকেল চালকের কাগজপত্র দেখতে চাওয়ায় পিটিয়েছে ছাত্রলীগ নেতা এসব ছোটখাট খবরে আজকাল মানুষের মন ভরে না।  তাদেরও অর্ভেস হয়ে গেছে ধারাবাহিকে। রেমাঞ্চকর বনর্নায়। লিখেই হোক আর টিভি ক্যামেরার সামনেই হোক। তারাও প্রত্যাসা পুরন করছেন ভালভাবেই।

থামাবে কে

Aug 11, 2011
এ্যনা বালথাজার আমেরিকান-ইহুদি তরুনী। তার শখ হল প্যালেষ্টাইনের মানুষ কিভাবে থাকেন নিজের চোখে দেখবেন। একদিকে আমেরিকান অন্যদিকে ইহুদি, তারপক্ষে কাজটা খুব কঠিন ছিল না। ৫ মাস কাটালেন প্যালেষ্টাইনে। ছবি উঠালেন। তারপর সেগুলি একসাথে করে নিজের অভিজ্ঞতা বর্ননা করে তৈরী করলেন ভিডিও ডকুমেন্টারী। নাম লাইফ ইন অকুপাইড প্যালেষ্টাইন।
তার ডকুমেন্টারীর বর্ননা দেয়া প্রয়োজন নেই। নিতান্ত দুএকটি বিষয় ছাড়া।

হাত থাকতে মুখে কেন

Aug 9, 2011
অনেক সময় মনে হয় এটাই শেষ। আর এনিয়ে কথা বলব না। কিন্তু কথা না বলে উপায় কি ? ঘটনা যখন প্রতিদিন ঘটছে। একদিনের ঘটনা আগের দিনের থেকে চিত্তাকর্ষক। সমস্ত চেতনা যখন ঢেকে থাকে সেই ঘটনায়।
ছয জন ছাত্রকে পিটিয়ে মারা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে পিটিয়ে তারনামে ডাকাতি মামলা দেয়া হয়েছে, এক কিশোরকে জনতার হাতে তুলে দিয়ে পিটিয়ে মারা হয়েছে, তাকেও বানানো হয়েছে ডাকাত। এসব নিত্যদিনের খবর। ক্রশফায়ারের খবর কিচুটা কমেচে, সেইসাথে বেড়েছে অন্য ধরনের খবর। পুলিশ পরিচয়ে ধরে নিয়ে যাওয়া হল এক যায়গা থেকে, লাশ পাওয়া গেল আরেক জেলায়। কে মেরেছে কেউ জানে না। কারো দায় নেই।
আসলে বাংলাদেশের কোন কিছুরই দায় কারো নেই। প্রধামন্ত্রী নবীর পর্যায়ে চলে গেছেন। তিনি উপদেশ দেন। ব্যবসায়ীদের উপদেশ দেন লাভ কম করতে, চিকিতসকদের উপদেশ দেন গরীবদের বিনামুল্যে চিকিতসা দিতে, শিক্ষকদের উপদেশ দেন সুশিক্ষা দিতে। মুল দায়িত্ব অন্যদের। তারা যদি দায়িত্বপালন না করেন সেই দায় তারওপর দেবেন কেন ? তিনি তো জাতির জনক কন্যা।

পুলিশ খুন করে না

Aug 8, 2011
আজ থেকে বহু বছর আগে, এদেশ যখন ইংরেজরা শাসন করত তখন তাদের ইচ্ছে হয়েছিল এই জাতির বৈশিষ্ট সম্পর্কে জানার প্রতিটি জেলার মানুষকে বিশ্লেষন করে তাদের বৈশিষ্ট খুজে এক রিপোর্ট তৈরী করেছিল গ্রান্টের রিপোর্ট নামের সেই রিপোর্টে যা বেরিয়ে এসেছিল সেটা ভয়াবহ মানুষ অসত, প্রতিহিংসাপরায়ন, অকৃতজ্ঞ, ঠগবাজ, হঠকারী, লোভি, জালিয়াত, মিথ্যাবাদী, ঘুষখোর, নিজের লাভের জন্য পরের ক্ষতি করে, পরের ক্ষতিতে আনন্দলাভ করে, পরের সম্পত্তি দখল করে, কাজে ফাকি দেয়, আদালতে মিথ্যে সাক্ষি দেয় ইত্যাদি যতরকম সম্ভাব্য খারাপ লক্ষন আছে সবই উল্লেখ করা হয়েছে মানুষ এককভাবে ভিতু, সম্মিলিতভাবে ভয়ংকর একথা উল্লেখ করলে সেই সমাজ সম্পর্কে খুব ভাল ধারনা তৈরী হয় না
এসব নিশ্চয়ই ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের সহজ-সরল-কর্মঠ মানুষের এবং দেশের ভাবমুর্তি নষ্ট করার প্রচেষ্ঠা যেমনটা ইদানিং করেছে ইকনমিষ্ট ওরা সবসময়ই বাংলাদেশের ক্ষতি করতে চায় ছলে-বলে-কৌশলে এদেশ দখল করে রেখেছিল দুশো বছর এখনও লোভ যায়নি

তলাহীন সমাজ

Aug 7, 2011
বাঙালী নিজেকে যতই বীর হিসেবে বর্ননা করুন, তিতুমীর-সুর্যসেনকে নিজেদের পুর্বপুরুষ হিসেবে প্রকাশ করুক, অন্যদের চোখে বাঙালী সবসময়ই নিরীহ জাতি সে বৈশিষ্ট পুরোপুরি লোপ পেয়েছে মনে করারও কোন কারন নেই এখনও দুদলে মারামারি লাগলে কেউ আগ বাড়িয়ে সেটা থামাতে যায় না, যতক্ষন নিজের লাভক্ষতির বিষয় না থাকে সবসময়ই নির্ঝঞ্ঝাট জাতি হিসেবেই পরিচিত এরই মধ্যে একবার ভিন্নরূপে দেখা দিল বাঙালী সারা বিশ্ব কাপিয়ে দিল একেবারে খালিহাতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করল সারা বিশ্ব অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখল এক জাতিকে যারা জ্বলে-পুড়ে-মরে ছাড়খাড় তবু মাথা নোয়াবার নয়
নতুন বাংলাদেশ নিয়ে সারা বিশ্বের তাই প্রশংসা আর আগ্রহের কমতি ছিল না যেদিন রেসকোর্স ময়দানে রাজাকারের বিচারের দিন ঠিক করা হল সেদিন সারা বিশ্বের সাংবাদিকরা হাজির হয়েছিলেন নতুন বাংলাদেশের গতি দেখতে রক্তের নদীতে যে দেশের জন্ম সেই দেশের মানুষ কিভাবে নিজেদের পথ ঠিক করে জানতে।

পুলিশের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন!

Aug 6, 2011
পুলিশের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন করছেন ? আপনে কেডা ? খোজ খবর রাখেন ? আইজকার খবর দ্যাখছেন ?
ইয়াবা ব্যবসায়ী সন্দেহে তারা ধানমন্ডির এক বাড়িতে অভিযান চালায়। বাড়িতে গৃহকর্তা ছিলেন না (নিশ্চয়ই গোপনসুত্রে খবর পেয়ে পালিয়েছেন)। বাড়িতে পুলিশ ১২টি ইয়াবা ট্যাবলেট পেয়েছে এবং ইয়াবা ব্যবহারকারী সন্দেহে গৃহিনী, তার দুই সন্তান সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এরপরও দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন! মাথা ঠিক আছে ?
বরং সাংবাদিককে কিছুটা গালাগালি করতে পারেন, ব্যাটাগো আজ নাই কাম নাই খালি উলুক ভুলুক খবর। ধরছে তো ধরছে। এই নিয়া মাথা ঘামায় ক্যাডা ?

দেশটাকে সোজা করে ধর

Aug 4, 2011
সেই দুই মাতালের কথা কি মনে আছে ?
টালমাটাল অবস্থায় বাড়ি ফিরছে দুজন। বাড়িতে তালা লাগানো। একজন চাবি বের করে তালা খুলতে চেষ্টা করল। চাবি কিছুতেই তালায় ঢোকে না। অপরজন বলল, তোর পা টলছে। চাবিটা আমার কাছে দে।
তার উত্তর, আমি ঠিক আছি। বাড়িটা টলছে। তুই বাড়িটা সোজা করে ধর।
আইনষ্টাইনের আপেক্ষিতকতার সুত্র অনুযায়ী কথাটা তো ঠিকই। আপনি মনে করছেন আপনি চুপ করে দাড়িয়ে আছেন কিন্তু পৃথিবীটা যে বনবন করে ঘুরছে, সাথে আপনাকেও ঘুরাচ্ছে সেখবর কি রেখেছেন ? দিব্বি চারিদিকের সাথে তুলনা করে বলছেন আপনি চুপ করে দাড়িয়ে আছেন।
অনেকেই সবকিছু নিয়ে অসন্তুষ্ট। রীতিমত সবকিছু নিয়েই। বাড়িভাড়া, গাড়িভাড়া, খাবার দাম, খাবারে ভেজাল, রাজনীতি অর্থনীতি, ধর্ম, শিক্ষাব্যবস্থা এমনকি সংবিধান নিয়েও অসন্তুষ্ট। বাংলাদেশের সংবিধানে নাকি মৌলিক বিষয় বলে কিছু বিষয় আছে। এটা সংবিধান বিশেষজ্ঞদের কথা, আমার ওপর দোষ চাপাবেন না। আমি সংবিধান লংঘনের মত দেশদ্রোহি নই।
 

Browse