Showing posts with label Sports. Show all posts
Showing posts with label Sports. Show all posts

কি করিলে কি হইত

Feb 23, 2011
যদি - এই শব্দের ওপর বাঙালীর নির্ভরতা অত্যন্ত বেশি। যদি এটা হয় তাহলে ওটা হবে। ব্যক্তিগত পর্যায়ে তো বটেই, একেবারে জাতীয় পর্যায়েও। বাংলাদেশের মানুষের আয় দ্বিগুন হতে পারে যদি, বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হবে যদি, গার্মেন্টস শিল্পের মত আউটসোর্সিং শিল্প গড়ে উঠবে যদি, ইত্যাদি ইত্যাদি। একজন জাতীয় নেতা তো বলেই দিলেন বাংলাদেশ ২২তম ধনী দেশ হবে যদি ...
আপনি প্রশ্ন করতে পারেন বর্তমানে জি২০ বলে যে ২০টি দেশ পরিচিত তাদের পর ২১ নম্বরে যাবে কোন দেশ। কিন্তু এসব ফালতু বিষয় নিয়ে সময় নষ্ট করে কে ?
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে খেলেছে বাংলাদেশ। খেলার আগে টসে জিতেছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ পেয়ে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন। তারা এতটাই বেশি রান করল যা করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশ হারল। ব্যাস, শুরু হয়ে গেল।
আসলে শুরু হয়েছে ওই টসের সিদ্ধান্ত জানানোর সময় থেকেই। তারপর আর থামেনি। আগে ব্যাট করলে বাংলাদেশ নিশ্চয়ই জিতত। ৩০০র কাছাকাছি রান করলে ভারত চাপে পরত। তখন টুক করে জয় তুলে নেয়া। বাংলাদেশের কাছে কি ভারত পারে! দেখিয়েছি না আগের বিশ্বকাপে!
কাজেই, বাংলাদেশের পরাজয়ের কারন ওই টসের সিদ্ধান্ত। যদি ওটা ঠিক হত।
আসলে এই বিষয় আমাদের একটাই গভীরে রয়েছে যে এনিয়ে কথা বলা আসলে সময় নষ্ট করাই। ক্লাইভ যদি মীরজাফরের সাথে ষড়যন্ত্র না করত তাহলে কি ইংরেজদের সাধ্য ছিল এদেশ দখল করে! তারা কি জানে এদেশের মানুষ কি করতে পারে!
কোন কোন ইতিহাসবিদ বলেন বটে, আসলে ভুল ছিল চালে। হিসেবে। মীরমদন-মোহনলালের মত দেশপ্রেমিকের পক্ষেই সামান্য সংখক ইংরেজদের হারানো সম্ভব ছিল। যদি না তারা ধরে নিতেন তাদের মত ইংরেজদেরও গোলাবারুদ বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হয়েছে। আসলে সেটা হয়নি। তারা ভালভাবেই সেটা রক্ষা করেছিল। ফল হিসেবে তারা যখন ইংরেজদের আক্রমন করলেন সেটা ছিল তরবারি হাতে সরাসরি তাদের কামানের সামনে দাড়ানোর মত।
বাংলাদেশ তাদের থেকে শক্তিশালী দেশের কাছে হেরেছে একথা বলতে লজ্জা কোথায় আমার জানা নেই। অন্তত আইসিসি যখন তাদের বিচারে ভারতকে ১ নম্বর টেষ্ট দল বলে। বাংলাদেশ কখনো এই তালিকার সিকি পথও পেরতে পারেনি। বরং এই খেলায় ভারতের বিপক্ষে রীতিমত লড়াই করেছে এটাই তো গর্বের বিষয় হতে পারত।
ওধরনের গর্বে আমাদের বিশ্বাস নেই। ষড়যন্ত্র না করে কেউ আমাদের হারাতে পারে না। এখানেও খোজ করলে সেটা পেলেও পাওয়া যেতে পারে।
আমরা অন্যধরনের গর্বে বিশ্বাস করি। সেই গর্ব কিভাবে তৈরী হয় সেনিয়ে মাথাব্যথা নেই। ভাড়াকরা বাড়িতে দুটো রুম নিয়ে স্কুল, এই আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা। খেলার মাঠের মত অপ্রয়োজনীয় কাজে যায়গা নষ্ট করে কে ? ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে এটুকু বলতে পারি, স্কুলের যে মাঠে ছোটবেলায় ফুটবল খেলেছি সেই মাঠে তৈরী হয়েছে শিক্ষকের বাড়ি। স্কুল শিক্ষকের জন্য।
ক্রিকেটার কিভাবে তৈরী হবে ? কেন, সেজন্য কম্পিউটার গেম তো রয়েছে। আর টিভিতে সারা বছর ক্রিকেট দেখার ব্যবস্থা। কোনভাবে শিখে জাতিয় দলে চলে আসুন। আমরা হাত বাড়িয়ে বসে আছি।
আমাদের দল আসলে হারতে জানে না। কিছু মানুষ চায় না দল জিতুক। ভুল সিদ্ধান্ত নেয়। ওজন্যই তো ওসব ঘটে। মাসরাফি বাদ পরে, সাকিব ভুল সিদ্ধান্ত নেয়। এসব কারনেই দল হারে। এসবের সমাধান করলেই ...
পুনশ্চ : খবরের কাগজে রিপোর্ট বেরিয়েছে ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতির কোম্পানীর শেয়ারের দাম গত দুবছরে বেড়েছে ৭৫ গুন। দাম বাড়ার পর তারা বহু কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। আরো লিখেছে, তার আগের বছরগুলিতে শেয়ারের দাম ছিল মুল দামের অর্ধেকেরও কম। কোম্পানীর নাম ছিল লোকসানের খাতায়, এমনকি কারখানা বন্ধ ছিল। এসব তথ্য আবার খেলার সাথে জড়াবেন না। তিনি যে সরকারী দলের নেতা, তার সাথেও এর কোন সম্পর্ক নেই।

মাতব্বরি করবেন না

Nov 13, 2009

মাতব্বরি জিনিষটা কি হাড়ে হাড়ে টের পেলেন ডিডো বাংলাদেশ দলের ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কোচ মনে করেছিলেন মাতব্বরি করে নিজের পছন্দমত খেলোয়ারদের নিয়ে দল বানাবেন ভুলেও বোঝেননি আসল মাতব্বর কে তার আগে যারা বিদায় নিয়েছে, অটো ফিস্টার, কার্শিযানি, সামির সাকির কাউকে দেখে শেখেননি এমনকি ক্রিকেটের গর্ডন গ্রীনিচকে দেখেও না এখন বোঝ ঠেলা এক কথায় চাকরী নট ব্রাজিয়াল কোচের অবস্থা দেখে আর্জেন্টিনার ট্রেনার পর্যন্ত আগেই চাকরী ছেড়ে ছুট মেরেছে মাতব্বরের ওপর মাতব্বরী করা দরকার নেই বাবা!

এখানে ফুটবল বোঝে না কে ? খেতের মজুর আর রিক্সাচালক থেকে শুরু করে মন্ত্রী পর্যন্ত, সকলেই জানেন কিভাবে ফুটবল খেলতে হয় বাংলাদেশ ক্রিকেটে টেষ্ট ষ্ট্যাটাস পাওয়ার পর পত্রিকায় মন্তব্য ছাপা হল, বুলবুল একাই দুগোল করেছে এখানে ফুটবল শেখাতে চান ?

আমরা না খেলতে পারি, অন্যেরা যখন বিশ্বকাপে খেলে আমরা রাত জেগে দেখি সারা দেশ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার পতাকায় ছেয়ে যায় যখন বাছাই পর্বের খেলা চলে বছর ধরে তাতেও আমাদের মনোযোগ কম নেই গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাক্ষাকার ছাপা হয় পত্রিকায় ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনা কি খেলার সুযোগ পাবে ? হেরে যাওয়ায় আপনার অনুভুতি কি ?

বাংলাদেশ নিয়ে মাথা ঘামানোর কি আছে ? বাছাই পর্বের বাছাই পর্ব কখনো পেরতে পারেনি! তাতে কি আমরা ফুটবল নিয়ে মাথা ঘামাই না। ঘামালে আমাদের সাথে কেউ পেরে উঠত না। আমাদের খেলা ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলা জানেন পৃথিবীর কয়টা দেশ টেষ্ট ক্রিকেট খেলার সুযোগ পায়? কদিন পর বিশ্বকাপ হবে ঢাকায় আমাদের ফুটবলে দরকার কি স্কুলে হুজুর বলেছেন ওটা হল শয়তানের মাথায় লাথি মারা হাঙ্গামার খেলা আর রাজনীতি তো আছেই আবাহনী আওয়ামী লিগের তো মোহামেডান বিএনপির তারপর বাকি দলগুলোর জন্য আর রাজনৈতিক দল পাওয়া যায় না তারচেয়ে ক্রিকেটই ভাল ফুটবল অন্যদের জন্য থাকুক। ইরাকে যুদ্ধ চলছে এরইমধ্যে এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন এটুকু সুযোগ না দিলে ওরা করবে কি ? আমাদের সাফ আছে ভারত-পাকিস্তান-শ্রীলংকা-নেপালের মত শক্তিশালী দলের সাথে অবশ্যই আমরা ভাল ফল করব শোনেননি বসুন্ধরা ফুটবল ফেডারেশনকে দুখানা খেলার মাঠ দিয়েছে ফুটবল টিকে থাকবেই

কোন মানের ফুটবল হবে জিজ্ঞেস করছেন ? একসময়ের কীর্তিমানরা যেভাবে দেশের ফুটবলের সন্মান আকাশে তুলে রেখেছিলেন, এখন কর্মকর্তা হিসেবে রাখছেন, সেভাবেই রাখবেন এখন যারা খেলছেন তারাও আগামীতে কর্মকর্তা হবেন, তারাও টিকিয়ে রাখবেন শুধূ মাঠেই বা কেন, মাঠের বাইরেও কীর্তিমানরা কম যান না। একসময়ের যুগান্তকারী এক ফুটবলার পেট্রোল পাম্পের লাইন না মেনেই তেল নেবেন। লাইনের একজন প্রতিবাদ করার পিস্তল বের করলেন, তাকে হাসপাতালে পাঠালেন। সাংবাদিক প্রশ্ন করায় গর্ব করে বললেন, আমরা- বিখ্যাত ব্যাক্তিরা এসব সুযোগ নিয়ে চলি। কথা বাগাবেন না।

ব্যস, সেখানেই শেষ। অন্য দেশ খেলোয়ারদের সন্মান দিতে জানে না। দক্ষিন আফ্রিকার গিবসকে হাজতে রাত কাটাতে হল। সে নাকি মদ খেয়ে গাড়ি চালিয়েছে। একসিডেন্ট করেনি তাতে কি, করতে তো পারত। হুহ, ওটা একটা দেশ হল! সারা পৃথিবীতে মদ সাপ্লাই দেয় আর মদ খেয়ে নিজের গাড়ি চালাতে পারবে না।

আমরা জানি কিভাবে খেলোয়ারদের সন্মান করতে হয়। সিনিয়রদের মান রাখতে হয়। আমরা জানি কিভাবে ফিফার তালিকায় তরতর করে ওপরদিকে উঠতে হয় বাংলাদেশের নাম কখনো নিচে নামে না, সবসময় ওপরদিকেই থাকে আগেও কখনো ছিলনা, এখনও নেই তাহলে ভবিষ্যতে থাকবে কেন ? এক, দুই, দশ, পনের, বিশ ওসবে আমাদের মন ভরবে না আমাদের প্রাপ্য একশবিশ, একশত্রিশ এসব

আমরা সেটাই করে যাচ্ছি। যা হচ্ছে দেখে যান মাতব্বরি করবেন না

বড় কথা বড় কাজ

Jun 9, 2009

বড় কথা শোনার অভিজ্ঞতা আমার ছোটবেলা থেকে স্কুলে খেলাধুলার পর যখন পুরস্কার দেয়ার সময় হত, যখন কেউ বক্তৃতা দেবার জন্য মঞ্চে উঠতেন তখন আগে থেকেই নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতাম উনি বড় কথা বলবেন হতও তাই আমাদের নিরাশ না করে উনি বলতেন পুরস্কার পাওয়া বড় কথা না প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহনই বড় কথা আমরাও চেস্টা করতাম তার কথামত পুরস্কার পাওয়ার মত বড় কথায় না গিয়ে অংশগ্রহনের মত বড় কথা শুনতে কেউ কেউ পরীক্ষায় পাশ করার মত ছোট কথায় বিশ্বাস না করে অংশগ্রহনের মত বড় কথায় বিশ্বাস করত তবে তাদের সংখ্যা নেহাতই কম তাদের পিতা-মাতা এত বড় কথা বুঝতেন না মার্কসীট লুকিয়ে রেখেও লাভ হত না কিভাবে না কিভাবে জানাজানি হয়ে যেত তারা একেবারে আদিম পন্থা অবলম্বন করতেন আর সেভাবেই বড় কাজে বাধা সৃষ্টি করতেন বড় কাজে বাধা সৃষ্টির এই প্রবণতা এখনও থামেনি বরং বেড়েই চলেছে বিস্তার লাভ করেছে সবখানে গ্রামে-মফস্বলে-শহরে-রাজধানীতে ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এখন কেউ বলে না অংশগ্রহন করেছ তাতেই খুশি, জেতার দরকার কি বরং উল্টো কথা বলে যদি জিততেই না পার তাহলে দল নিয়ে বাইরে যাওয়ার দরকার কি ? এটা আশরাফুলের দল সম্পর্কে বলা

কেউ বলে, এই ছোকরা শ্রীলংকায় শতরান দিয়ে শুরু করল, ইংল্যান্ডে একশ রান করে অষ্ট্রেলিয়াকে হারাল তারপরও মাঝেমাঝেই ডুব মারে বিষয়টা কি ? আটটা-দশটা ম্যাচ চোখ বন্ধ করে খেলে তারপর যখন দেখে আর দলে টেকা যায় না, দেশে বিদেশে সবাই তারদিকে আঙুল দেখাচ্ছে তখনই আবার দেখিয়ে দেয়া তার প্রতিভা সেই ধাক্কায় চলে আরো দশ-বারো ম্যাচ এইই চলছে দিনের পর দিন বছরের পর বছর

কেউ বলে, এত টাকা পেয়েছে যে খেলার দিকে মন নেই অত টাকা পাওয়া উচিত হয়নি তার ওপর আইপিএল আবার দিল কত টাকা এত টাকায় কি মাথা ঠিক থাকে ? টাকার গরজ থাকলে ঠিকই রান করত যদি দিত রান গুনে গুনে টাকা তখন দেখা যেত কে কত টাকা কামাতে পারে

অন্য মত নিয়ে আরেকদলও তৈরী আমেরিকার এক রাষ্ট্রদুত কয়েক বছর বাংলাদেশে কাটিয়ে যাওয়ার সময় বলে গেলেন এদেশের মানুষ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব খুব বেশি বিশ্বাস করে এরা সেই ষড়যন্ত্র তত্ত্বের দলে তাদের মত, ওরা নিশ্চয়ই টাকা খেয়েছে জিতলে যা পাবে হারলে তারচেয়ে বেশি জানেন না কতজন এসব করেছে ক্রনিয়ে, আজহার, জাদেজা আর কত বলব এরাও তাই করছে তদন্ত করলেই বেরিয়ে পড়বে কার ভেতরে কি

মত আরো আছে যারা একসময় ক্রিকেট খেলতেন তাদের চেয়ে ভাল ক্রিকেট বোঝে কে ? তাদের ইচ্ছেয় ঠিক হয় অধিনায়ক, খেলোয়ার। ব্যাটিংএ ভাল করছেন না কাজেই অধিনায়ক থেকে হাবিবুল বাদ। ব্যাটিং-এ ভাল করছেন না কাজেই খালেদ মাসুদ বাদ। একবারও মনে করা হয়নি অধিনায়ক হিসেবে হাবিবুল কোন দোষ করেননি। সেরা খেলোয়ার সবসময় সেরা অধিনায়ক হন না। তেন্ডুলকার, লারা থেকে শুরু করে পিটারসেন পর্যন্ত এটা প্রমান করে গেছেন। এবং খারাপ সময় সব ব্যাটসম্যানেরই যায়। আর পাইলট ব্যাটসম্যান ছিলেন না, ছিলেন দেশের সেরা উইকেট কিপার। প্রয়োজনে দলের হয়ে অনেক ভাল ইনিংস তিনি খেলেছেন।

বেচারারা সুযোগ না পেয়ে দল ছাড়লেন, দেশ ছাড়লেন, দেশদ্রোহি হলেন। হাবিবুল, আফতাব, অলোক। আবার মাফ চেয়ে ফিরে এলেন। যাদের কারনে গোস্সা তাদের কাছেই মাথা নিচু করতে হল। একই দোষ করেও শেন বন্ড দেশদ্রোহি হননি। তার সম্পর্কে বলা হয়েছে তিনি নাকি নিয়ম না জেনে খেলতে গেছেন। কেউ তাকে নিয়ম জানাননি।

সে যাকগে। বলছিলাম বড় কথা। বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ডের কাছে হেরেছে এতে দুঃখ করার কি আছে। খেলায় অংশগ্রহনই বড় কথা। বড় কাজ তো করা হয়েছে।

একই কথা হওয়া উচিত ফুটবল দল নিয়েও হকি, ভলিবল, বাস্কেটবল, গলফ, টেনিস, সাতার, দৌড়, মটোরেসিং, সাইক্লিং, এসব নিয়েও। আরো দল পাঠালে বড় কথা আরো বাড়ত

সমালোচকরা একটা মুল কথা ভুলে গেছেন তা হচ্ছে বড় কথা, বড় কাজ প্রতিযোগিতায় জেতা বড় কথা না, অংশ নেয়াই বড় কথা বড় কাজ না করে জেতার মত ছোট কাজ করতে বলেন কেন ?

 

Browse